শিরোনাম
◈ হরমুজ প্রণালিতে নিবন্ধন পদ্ধতি চালু করছে ইরান, এক জাহাজ থেকেই ২০ লাখ ডলার টোল আদায় ◈ কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইফতার আয়োজন ঘিরে উত্তপ্ত দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ◈ ইরান যুদ্ধ বন্ধে চীনের তাড়া নেই যেই পাঁচ কারণে ◈ ইরানকে ঘিরে নতুন কৌশল: পাইপলাইন পরিকল্পনার কথা ইসরায়েলের ◈ ঈদের আগে প্রবাসী আয়ে চাঙা রিজার্ভ ◈ এপ্রিলে দিল্লি সফরে যেতে পারেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ◈ পদ্মা-যমুনা সেতুতে টোল আদায়ে রেকর্ড ◈ প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা, দেশ গড়তে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান ◈ দূতাবাসের উদ্যোগে বাহরাইন থেকে বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে দেশে ফিরছেন ২৮২ প্রবাসী ◈ ৯০ কিমি গতির কালবৈশাখীর তাণ্ডব ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায়, বজ্রপাতে স্কুলছাত্র নিহত

প্রকাশিত : ০৩ নভেম্বর, ২০২১, ০৫:৩৯ সকাল
আপডেট : ০৩ নভেম্বর, ২০২১, ১০:৩২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] পরবর্তী কপ-২৭ সম্মেলনের আয়োজক দেশ হতে পারে মিশর

আখিরুজ্জামান সোহান: [২] ২০২২ সালে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনের (কপ-২৭) আয়োজন হতে যাচ্ছে মিশরে। সোমবার গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত কপ-২৬ শীর্ষ সম্মেলনে বক্তৃতায় দেশটির রাষ্ট্রপতি আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি আফ্রিকার দেশগুলোর প্রতিনিধি হিসেবে মিশরে কপ-২৭ আয়োজনের প্রস্তাব পেশ করেন। মিশর টুডে

[৩] দেশটির প্রসিদ্ধ শহর শারম আল শেখ শহরে সম্মেলনটি আয়োজনের পরামর্শ দিয়ে দেশটির পরিবেশ মন্ত্রী ইয়াসমিন ফুয়াদ বলেন, শহরটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য থেকে শুরু করে লজিস্টিক এবং প্রযুক্তিগত খাতে অনেকটাই এগিয়ে আছে। এছাড়া শহরটিতে ২০১৮ সালে জীববৈচিত্র্য সম্মেলনের ১৪ তম আসর আয়োজনের অভিজ্ঞতার কথাও বলেন তিনি।

[৪] শারম আল শেখ মিশরের সিনাই উপদ্বীপের দক্ষিণ তীরে অবস্থিত একটি শহর। বর্তমানে শহরটি মিশরের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণ কেন্দ্র এবং অবকাশযাপন কেন্দ্র। ইতিমধ্যে, ইউনেস্কো শারম আল শেখকে  সবচেয়ে আকর্ষনীয়, সুন্দর এবং শান্তিময় শহর হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

[৫] গত ৩১ অক্টোবর স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে শুরু হয়েছে এ বছরের কনফারেন্স অব দ্য পার্টিস (কপ-২৬)। এ জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন বিশ্বনেতারা। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন।

[৬] কপ-২৬ এর এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়ের একটি হলো, এ শতাব্দীর শেষে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি যেন ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি না হয়। পাশাপাশি, নেট-জিরো এনার্জি বিল্ডিংয়ের লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে হবে ২০৫০ সালের মধ্যে। সেজন্য ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিটি দেশ গ্যাস হাউজ গ্যাস নিঃসরণ কতটা কমাবে, সে লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে নিতে হবে এবারেই। এ লক্ষ্যমাত্রার নাম ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন বা এনডিসি। বাস্তবায়নও করতে হবে যথার্থভাবে।

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়