প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

হাসপাতালে কাদঁছে কিশোরী কল্পনা

তপু সরকার : যৌতুকের দাবিতে স্বামী আসিফ ,শশুর-শাশুড়ি অমানবিক নির্যাতনে, কল্পনা নামে (১৪) বছরের কিশোরী হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছেন। সে চরশ্রীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেনীর ছাত্রী বলে মা কোহিনুর বেগম ।

রবিবার অসহায় দিনমজুর শেরপুরের ১১ নং বলাইয়ের ইউনিয়নের চরশ্রীপুর গ্রামের ৪ কন্যার বাবা মোঃ ইছমত আলী (৪০) কে মিথ্যা বুঝদিয়ে তার নাবালিকা কন্যা কে ধোবারচর গ্রামের আবুল কালাম আজাদ (৫০)তার ছেলে আছিফ (২২) কে দিয়ে ১লক্ষ ৫০ হাজার টাকায় দেনমোহর করে বিয়ে করিয়ে নিয়ে যান । আসিফেরে বাবা আবুল কালাম আজাদের নিকেট ২০ হাজার নগদ যৌতুকের টাকা তুলে দেন মেয়ের বাবা ।

বিয়ের ২ মাস না যেতেই নেমে আসে হতভাগা কল্পনার উপর অমানসিক নির্যাতন ,শুধু তাই নয় কিশোরী কল্পনা কে কাপড় খুলে স্বামী আসিফ..শাশুরী অজুফা ও শশুর আবুল কালাম আজাদ শারিরিক নির্যাতনে তার…গোপন অংঙ্গে আঘাতের সৃষ্টি হয় । এবং তাকে নোংরা করে রেখে ..এক কাপড়ে এক ঘরে রেখে ..বিয়ের ৪ মাসের মধ্য আবার .. শুশুর শাশুরী স্বামী আসিফ শারিরিক মানসিক ভাবে নির্যাতন করে শরিলে গোপন অংঙ্গে ক্ষত সৃষ্টি করে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে স্বামী আসিফ ঢাকায় পালিয়ে চলে যায় বলে অভিযোগ করেন কিশোরী কল্পনা ।

কিশোরী কল্পনা বলেন আসিফ ঢাকায় একটি যাত্রী গাড়ীতে চাকুরী করেন ।

রবিবার বিয়ে পড়ানো ঐ এলাকার কাজী পরিচয় দানকারী রাসেল মিয়া ৫ম শ্রেনী পড়ুয়া কিশোরী কল্পনার জন্ম নিবন্ধন তথ্য গোপন করে বিয়ে করান । যাহা পরবর্তীতে জানা যায় রাসেল সে এলাকার আমিনুল কাজির সহকারী ।

বিয়ের ৪ মাসের মধ্য অনেক বার কিশোরী কল্পনাকে স্বামী শুশুর ও শাশুরী মিলে শারিরিকভাবে শরীলে বিভিন্ন অপ্রাংঙ্গিক .স্থানে নির্যাতন করে আসছে বলেও কল্পনা মা কোহিনুর বেগম (৩৫) বলেন ।

গত ২০ দিনেও সুস্থ্য হয়নি কিশোরী । ছেলের পরিবারের হুমকির মুখে হাসপাতালে না নিয়ে .. চরশ্রীপুর এলাকার কামাল নামেএক পল্লিচিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসা করানো হয় । সেখানে অবস্থার উন্নতি না হলে ..নিরুপায় হয়ে ..২১ অক্টোবর আবার চেয়ারম্যানের কাছে যায় । চেয়ারম্যান বলে সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করো আগে.. পরে বিষয়টি দেখবো ।
২৩ অক্টোবর সকালে কিশোরী কে শেরপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয় । মহিলা চিকিৎসক কিশোরীর কোমরের নিচেঁ সে স্থানে আঘাতের আলামত পায় ।

এদিকে কিশোরীর “মা” কোহিনুর বেগম আরো অভিযোগ করে বলেন.. আসিফ এবং তার পরিবারের লোকজন এলাকার মানুষের কাছে বলে বেড়াচ্ছে কিশোরী কে তারা বিয়ে করান নি ।

কিশোরীর “মা” কোহিনুর বলেন আমার মেয়ের বিয়ে আমাদের বাড়ীতে হয়েছে ..এবং ছেলে পক্ষো রাসেল কাজী দিয়ে বিয়ে করানো হয়েছে। এ-বিষয়ে কাজী রাসেল মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে প্রথমে অশ্বিকার করলেও পরবর্তীতে সে বলেছে হে ধরনের একটি বিয়ে করানো হয়েছে । পরে কি হয়েছে আমার জানা নেই । আমি নৌকা মার্কার নির্বাচন নিয়ে ব্যস্থ বলে ফোন রেখে দেন ।

বর্তমানে সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শেরপুর সদর হাসপাতালে পুলিশি কেস হিসেবে ভর্তি করানো হলেও কিশোরীর বাবা..’মা’ মামলা করার জন্য অক্ষম বলে জানান ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত