শিরোনাম
◈ আলমারি ভর্তি রুপি মিলল সরকারি কর্মকর্তার বাড়িতে ◈ আহসান এইচ মনসুরকে সরানো নিয়ে যা বললেন অর্থমন্ত্রী ◈ বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে উপনির্বাচন ঘিরে ইসির বিশেষ আদেশ ◈ এবার নগদে বিনিয়োগ নিয়ে ব্যারিস্টার আরমান যা বললেন ◈ পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস: প্রধানমন্ত্রী ◈ কম্পিউটার অপারেটর থেকে শিক্ষা অফিসার, বিতর্কিত পদোন্নতি নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী ◈ নতুন দুই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বণ্টন, প্রজ্ঞাপন জারি ◈ শুল্ক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি দেখে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ : বাণিজ্যমন্ত্রী ◈ হাতিয়ায় এমপি হান্নান মাসউদের ওপর হামলা, সড়কে অবস্থান (ভিডিও) ◈ নতুন আইজিপিকে র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৭ অক্টোবর, ২০২১, ০১:২৭ দুপুর
আপডেট : ১৭ অক্টোবর, ২০২১, ০১:২৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বোয়ালমারী হাসপাতালের জরাজীর্ণ ছাপড়া মসজিত দুই তলায় রুপান্তরিত

হারুন-অর-রশীদ: [২] ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা হাসপাতাল মসজিদ বেশ কয়েক যুগ পর দু’তলা মসজিদে রুপান্তরিত হতে যাচ্ছে।
মসজিতটি ৮০ দশকের দিকে সর্ব প্রথম মাটি দিয়ে নির্মাণ করা হয়। পরে ইট বালু দিয়ে দেয়াল করে ছাপড়া মসজিদ নির্মাণ করা হয়। এদিকে মসজিদটি জরাজীর্ণ অবস্থায় পরিণত হয়েছে।

[৩] বর্তমান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. খালেদুর রহমান তার পিতা বোয়ালমারী হাসপাতালে চাকুরী করতেন। সেই সুবাদে তারা হাসপাতালের কোয়ার্টারে থাকতেন। তার জন্মের পর থেকে এসএসসি পাস পর্যন্ত হাসপাতাল কোয়ার্টারে থেকেছেন। তিনি (ডা. খালেদুর রহমান) ১৯৯০ সালে বোয়ালমারী জর্জ একাডেমি থেকে এসএসসি পাশ করে ঢাকার নটরডেম কলেজে ভর্তি হন। তার ভর্তির পরে তার ফ্যামিলি হাসপাতালে কোয়ার্টার ত্যাগ করে ঢাকায় চলে যায়। সর্ব প্রথম ডা. হাবিল উদ্দিন, ডা. শাহজাহান সহ অনেক ডাক্তার, কর্মকর্তা, কর্মচারী মিলে মাটির মসজিদ নির্মাণ করেন।

[৪] খালেদুর রহমান বলেন, ২০০০ সালে ডাক্তারি পাশ করি এবং ২০০৬ সালে ২৫ তম বিসিএস এর মাধ্যমে সরকারী চাকুরী লাভ করি। ২০০৭ সালে বোয়ালমারীতে মেডিকেল অফিসার হিসেবে যোগদান করি এবং ২০০৮ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। তখনও আমি ক্যাম্পাসেই থেকেছি। ২০১৫ এর শেষ দিকে বদলি হয়ে ঢাকায় চলে যাই। ২০১৭-২০১৮ সালে নিপসম থেকে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ( এমপিএইচ) ডিগ্রি অর্জন করি। ২০১৯ সালে ফরিদপুরের ভাংগা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। ২০২০ সালের ২৪ মার্চ বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব নেই। বোয়ালমারীতে যোগদানের পর থেকে মনে একটা গোপন পরিকল্পনা ছিল মসজিদ নিয়ে। মসজিদ দুইতলা ভবন নির্মাণ করতে অনেক অর্থের প্রয়োজন। তাই ধীরে ধীরে অর্থ জমাতে থাকি। এ পর্যন্ত চার লাখ টাকা জমাতে পেরেছি। এছাড়াও কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষী ডাক্তার, কর্মকর্তা, কর্মচারী মিলে আরো ২ লাখ টাকা জোগাড় করেছি। মোট ৬ লাখ টাকা নিয়ে জরাজীর্ণ মসজিদের দু’তলা ভবনের কাজে হাত দিয়েছি।

[৫] এ ছাড়া ডা. ফরিদ হোসেন মিঞা, ডা. ওবায়দুর রহমান, ডা. গিয়াস উদ্দিন, উপজেলা চেয়ারম্যান এমএম মোশাররফ হোসেন, পৌরসভার মেয়র সেলিম রেজা লিপন মিয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মীরদাহ্ পিকুলসহ অনেকের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা সকলেই সাহায্যের হাত বাড়াবেন এবং আমার পাশে থাকবেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়