প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রীতিলতা, ভালোবাসার প্রীতিলতা, চলচ্চিত্রের ইতিহাস নির্ভরতা এবং …

ইমরুল শাহেদ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘গুনিন’ ছবির শুটিং শেষ করেই আলোচিত ও সমালোচিত নায়িকা পরীমণি ‘প্রীতিলতা’ ছবির শুটিং করবেন। এখন পর্যন্ত পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী তার শিডিউল এভাবেই করা আছে। প্রীতিলতা নিয়ে এই মুহূর্তে দুটি ছবি নির্মিত হচ্ছে।

অপরটি হলো কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের ‘ভালোবাসার প্রীতিলতা’। একটি হলো নিরেট ইতিহাসনির্ভর উপাদান নিয়ে। আরেকটি হলো ইতিহাসের উপাদান সমৃদ্ধ গল্প প্রধান, যেমনটা ভারতে নির্মিত হয়েছে মোঘল-ই-আযম। মোঘলদের আচার আচরণ, অভ্যন্তরীণ সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তি এবং অন্যান্য উপাদান নিয়ে। কিন্তু ছবিটি মোঘলদের ইতিহাস ছিল না। চট্টগ্রামের ঘটনা নিয়ে মুম্বাইতে ‘মাস্টর দা সূর্য সেন’-কে নিয়ে নির্মিত হয়েছে ‘খেলে হাম জি জানসে’। এদেশে ইতিহাসনির্ভর চলচ্চিত্র নির্মিত হচ্ছে সেই গোড়া থেকেই।

নবাব সিরাজউদ্দৌলা, তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা, ফকির মজনু শা’সহ আরো অনেক ছবি। কিন্তু সব ছবিই একটি গল্পের মধ্য দিয়ে নির্মিত হয়েছে। ঢাকায় নির্মিত প্রথম ছবি ‘মুখ ও মুখোশ’ যেমন ছিল ডাকাত নামে একটি নাটকের চিত্রায়ন তেমনি নবাব সিরাজউদ্দৌলাও। সিরাজউদ্দৌলার ইতিহাসে আলেয়া নামে কোনো চরিত্রের অস্তিত্ব ছিল না। কিন্তু সিরাজকে নিয়ে লেখা নাটক ও চলচ্চিত্রে আলেয়া চরিত্রটি এসেছে। ইতিহাসনির্ভর চলচ্চিত্র নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য হলো ‘দেশ’ ও ‘জাতির’ জন্য কে কি অবদান রেখে ইতিহাসের আকর হয়ে আছেন।

তাদের চিত্রায়নের মধ্যে জাতির প্রতি ভালোবাসা এবং দেশপ্রেম সম্পর্কে সমকালীনদের উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। ঐতিহাসিক চরিত্রগুলো একটি জাতির জন্য কেবল ইতিহাসের আকরই নয়, তাদের অবদানের কারণে প্রত্যেক জাতিরই বর্তমান গড়ে উঠেছে। ইতিহাসের উপাদান নিয়ে যারা চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন তারা কেবল বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নয়, দর্শক তথা সমাজকে ভাবনার দিকেও ঠেলে দেন। মুক্তিযুদ্ধোত্তর খান আতাউর রহমান সমকালীন ঘটনাবলি নিয়ে নির্মাণ করেন ‘আবার তোরা মানুষ হ’। ছবিটি ছিল সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়ের মতো দিক নির্দেশনামূলক এবং মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্য করেই। প্রীতিলতা বা ভালোবাসার প্রীতিলতা কোনটি কেমন ছবি হবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। কারণ দুটি ছবিই নির্মাণাধীন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত