শিরোনাম
◈ ইসলামিক বক্তা মুফতি আমির হামজা কুষ্টিয়া-৩ আসনে বিজয়ী হওয়ার পর যা বললেন (ভিডিও) ◈ কোন দল কত আসন পেল: সর্বশেষ প্রাপ্ত ফল ◈ শান্তিপূর্ণ উৎসবমুখর ভোট : সুনামগঞ্জে ৫টি আসনেই বিএনপির বিজয় ◈ নির্বাচনী ফলাফল তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের আস্থার প্রতিফলন ◈ নীলফামারীর চারটি আসনেই জয় পেয়েছে জামায়াত ◈ হাসিনাদের দুর্গে ধানের শীষের হ্যাটট্রিক: গোপালগঞ্জের ৩ আসনেই জয়ী বিএনপি ◈ বার্সেলোনাকে চার গো‌লে হারা‌লো অ্যাতলেটিকো মা‌দ্রিদ ◈ যে চার আসনে ‘না’ ভোট জয়ী ◈ বিশ্বকাপে নেপাল‌কে হারা‌লো ইতালি ◈ বিএনপি ও তারেক রহমানকে মার্কিন দূতাবাসের অভিনন্দন: একসাথে কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ১৩ অক্টোবর, ২০২১, ০১:৪৩ রাত
আপডেট : ১৩ অক্টোবর, ২০২১, ০১:৪৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

খালিদ খলিল: আবিষ্কার: হাসপাতাল ও সার্জারি

খালিদ খলিল: জ্ঞান-বিজ্ঞানের ইতিহাসে মুসলমানদের অবদান অপরিসীম। বিশ^বিখ্যাত ঐতিহাসিক গীবন বলেন যে, লন্ডনের রাস্তা যখন অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকতো তখন মুসলিম জ্ঞান-বিজ্ঞানের উজ্জ্বল তীর্থকেন্দ্র কর্ডোভার রাজপথ আলোয় উদ্ভাসিত থাকতো। ড্রেপার, গির্জা, ডেভেনপোর্ট, লেনপুল, মার্টিন, হিট্টি প্রমুখ পশ্চিম দেশীয় খ্রিস্টান ঐতিহাসিকগণ একবাক্যে বিশ্ব জ্ঞান-বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে মুসলমানদের অবদানের কথা স্বীকার করেন। বিশ্ববিখ্যাত ঐতিহাসিক হিট্টি বলেছেন, ‘অষ্টম শতাব্দীর মধ্যভাগ হতে ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষভাগ পর্যন্ত আরবরা সমগ্র বিশ্বের বুদ্ধি এবং সভ্যতার আলোর বাতিকাধারী ছিলো। তাদের মাধ্যমে প্রাচীন বিজ্ঞান এবং দর্শন পুনর্জীবিত, সংযোজিত ও সম্প্রসারিত হয়, যার ফলে পশ্চিম ইউরোপে বেনেসাঁর উন্মেষ ঘটে। মৌলিক গবেষণা এবং অনুবাদের মাধ্যমে বিশ্ব জ্ঞান-বিজ্ঞানের ভাÐার সংরক্ষণ উভয় ক্ষেত্রেই তারা অসীম দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে মুসলিম বিজ্ঞানীদের মূল্যবান আবিষ্কারের ফলেই আজ বিশ্ববাসী আধুনিক ও উন্নত জীবন ধারণ করতে সমর্থ হয়েছে। বিশ্বের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে টুথব্রাশ পর্যন্ত, মুসলিমদের আবিষ্কারের পরিধি বহুদূর ।

সার্জারি : সার্জারি চিকিৎসার ক্ষেত্রে মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদান অপরিসীম। আনুমানিক ১০০০ সালের দিকে বিশ^নন্দিত সার্জারি চিকিৎসক ছিলেন আল জাহরাত্তয়ি। তিনি সার্জারির ওপর প্রায় পনেরশো পৃষ্ঠার একটি গ্রন্থ রচনা করেন। পরবর্তী পাঁচশো বছর পর্যন্ত এ বইটি ইউরোপে সার্জারি চিকিৎসার ক্ষেত্রে মডেল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তিনিই সর্বপ্রথম সিজার অপারেশন করেছিলেন এবং শল্য চিকিৎসায় ব্যবহৃত ফরসেপ বা চিমটে জাতীয় অস্ত্র উদ্ভাবন করেন।

হাসপাতাল : আধুনিক বিশে^ রোগীর চিকিৎসার জন্য যে হাসপাতাল ব্যবস্থা প্রচলিত আছে তা সর্বপ্রথম প্রতিষ্ঠা করেন মুসলমানরা। নবম শতকে মিসরে এ হাসপাতাল ব্যবস্থার সূচনা হয়। ১৮৭২ সালে আহমদ ইবনে তুলুন হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয় মিসরের রাজধানী কায়রোতে। বিনামূল্যে এ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হতো। কায়রো থেকেই পরবর্তীতে এ ধরনের হাসপাতাল বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। Khalid Khalil-র ফেসবুক ওয়ালে লেখাটি পড়ন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়