শিরোনাম
◈ কলকাতার আনন্দপুরে মোমো গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: উদ্ধার একাধিক দেহাংশ, ২০ শ্রমিক নিখোঁজ ◈ রাজশাহী বিভাগে অর্ধেকের বেশি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ: শীর্ষে বগুড়া ও রাজশাহী ◈ বাড়িতে চলছে সংস্কারের কাজ, তবে কি দেশে ফিরছেন সাকিব ◈ বিশ্বকাপ ইস্যুতে অবশেষে নীরবতা ভাঙল বিসিসিআই ◈ প্রবাসীদের হাত ধরে বিদেশি বিনিয়োগ এলে মিলবে নগদ প্রণোদনা ◈ ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল বাদ, মিরসরাইয়ে অস্ত্র বানাবে বাংলাদেশ ◈ বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করল আইসিসি ◈ বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে স্বর্ণের দামে রেকর্ড বৃদ্ধি, ভরিতে বাড়ল ৫ হাজার ২৪৯ টাকা ◈ আদানির বিদ্যুৎ চুক্তি: ভারতীয় করপোরেট করের বোঝাও চাপানো হয়েছে বাংলাদেশের ওপর ◈ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি

প্রকাশিত : ১৩ অক্টোবর, ২০২১, ০১:৪৩ রাত
আপডেট : ১৩ অক্টোবর, ২০২১, ০১:৪৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

খালিদ খলিল: আবিষ্কার: হাসপাতাল ও সার্জারি

খালিদ খলিল: জ্ঞান-বিজ্ঞানের ইতিহাসে মুসলমানদের অবদান অপরিসীম। বিশ^বিখ্যাত ঐতিহাসিক গীবন বলেন যে, লন্ডনের রাস্তা যখন অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকতো তখন মুসলিম জ্ঞান-বিজ্ঞানের উজ্জ্বল তীর্থকেন্দ্র কর্ডোভার রাজপথ আলোয় উদ্ভাসিত থাকতো। ড্রেপার, গির্জা, ডেভেনপোর্ট, লেনপুল, মার্টিন, হিট্টি প্রমুখ পশ্চিম দেশীয় খ্রিস্টান ঐতিহাসিকগণ একবাক্যে বিশ্ব জ্ঞান-বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে মুসলমানদের অবদানের কথা স্বীকার করেন। বিশ্ববিখ্যাত ঐতিহাসিক হিট্টি বলেছেন, ‘অষ্টম শতাব্দীর মধ্যভাগ হতে ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষভাগ পর্যন্ত আরবরা সমগ্র বিশ্বের বুদ্ধি এবং সভ্যতার আলোর বাতিকাধারী ছিলো। তাদের মাধ্যমে প্রাচীন বিজ্ঞান এবং দর্শন পুনর্জীবিত, সংযোজিত ও সম্প্রসারিত হয়, যার ফলে পশ্চিম ইউরোপে বেনেসাঁর উন্মেষ ঘটে। মৌলিক গবেষণা এবং অনুবাদের মাধ্যমে বিশ্ব জ্ঞান-বিজ্ঞানের ভাÐার সংরক্ষণ উভয় ক্ষেত্রেই তারা অসীম দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে মুসলিম বিজ্ঞানীদের মূল্যবান আবিষ্কারের ফলেই আজ বিশ্ববাসী আধুনিক ও উন্নত জীবন ধারণ করতে সমর্থ হয়েছে। বিশ্বের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে টুথব্রাশ পর্যন্ত, মুসলিমদের আবিষ্কারের পরিধি বহুদূর ।

সার্জারি : সার্জারি চিকিৎসার ক্ষেত্রে মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদান অপরিসীম। আনুমানিক ১০০০ সালের দিকে বিশ^নন্দিত সার্জারি চিকিৎসক ছিলেন আল জাহরাত্তয়ি। তিনি সার্জারির ওপর প্রায় পনেরশো পৃষ্ঠার একটি গ্রন্থ রচনা করেন। পরবর্তী পাঁচশো বছর পর্যন্ত এ বইটি ইউরোপে সার্জারি চিকিৎসার ক্ষেত্রে মডেল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তিনিই সর্বপ্রথম সিজার অপারেশন করেছিলেন এবং শল্য চিকিৎসায় ব্যবহৃত ফরসেপ বা চিমটে জাতীয় অস্ত্র উদ্ভাবন করেন।

হাসপাতাল : আধুনিক বিশে^ রোগীর চিকিৎসার জন্য যে হাসপাতাল ব্যবস্থা প্রচলিত আছে তা সর্বপ্রথম প্রতিষ্ঠা করেন মুসলমানরা। নবম শতকে মিসরে এ হাসপাতাল ব্যবস্থার সূচনা হয়। ১৮৭২ সালে আহমদ ইবনে তুলুন হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয় মিসরের রাজধানী কায়রোতে। বিনামূল্যে এ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হতো। কায়রো থেকেই পরবর্তীতে এ ধরনের হাসপাতাল বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। Khalid Khalil-র ফেসবুক ওয়ালে লেখাটি পড়ন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়