প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে ভুল ধরিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব বিরোধীদলের: কাদের মির্জা

নিউজ ডেস্ক: নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা রোববার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টায় পৌরসভা ভবনে নিজ অফিস কক্ষে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক একাউন্ট থেকে লাইভে এসে বক্তব্য রাখেন।

[২] তিনি বলেন, শক্তিশালী বিরোধীদল ছাড়া বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ভালো নয়। ‘সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে ভুল ধরিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব বিরোধীদলের। বিরোধীদলের সমালোচনা ছাড়া আমাদের দল (আওয়ামী লীগ) ও দলের নেতাকর্মীরা স্বৈরাচারী হয়ে যাবে। কার্যকরী বিরোধী দল থাকলে আওয়ামী অপরাজনীতির হোতারা সারা দেশে অন্যায়, দুর্নীতি, অনিয়ম করতে পারতো না।’

[৩] তিনি আরো বলেন, ‘দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সারা দেশে উন্নয়নের জোয়ার ও ঈর্ষণীয় জনসমর্থন দেখে পরাজিত বিএনপি জামায়াত ও হেফাজত এক হয়ে এখন এক দফার আন্দোলনের কথা বলছে। এ এক দফার আন্দোলন মানে তারা শেখ হাসিনার পতন চায়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কার নেতৃত্বে-খালেদা অসুস্থ, ছেলে তারেক বিদেশে আরাম-আয়েশে আছে। সৎ সাহস থাকলে দেশে এসে কারাগারে যাক। মির্জা ফখরুল, রিজভী, প্রিন্স আন্দোলন সফল করবে? এরা আবারও ২০১৪ স্টাইলে একজোট হয়ে সারা দেশের ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর এবং একটা অস্থিতিশীল পরিবেশ করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে।’

[৪] কাদের মির্জা আবারও নোয়াখালীর এসপি মো. শহীদুল ইসলামের সমালোচনা করে বলেন, ‘এখানে পুলিশের আচরন আমি ভাষায় ব্যক্ত করতে পারছি না। উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক (কাদের মির্জা স্ব-ঘোষিত কমিটির) সাহাদাত হোসেন সজল একটি মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে যান। নোয়াখালীর কুলাঙ্গার এসপি, ডিবি পুলিশের কুলাঙ্গার ওসি রবিউল হককে দিয়ে আমার কর্মী সজলকে গ্রেপ্তার করে নির্যাতন এমন পর্যায়ে করেছে, সে এখন দাঁড়াতেও পারছে না। সেতুমন্ত্রীর (ওবায়দুল কাদের) ভাগনে কুলাঙ্গার রাহাত এসপি ও ডিবি পুলিশকে টাকা দিয়ে নিজে উপস্থিত থেকে সজলকে গ্রেপ্তার করিয়েছে।’

[৫] বসুরহাট পৌরসভার মেয়র বলেন, ‘কোম্পানীগঞ্জের জামাত সমর্থক হাজার কোটি টাকার মালিক হানিফ আমেরিকানের বাড়িতে বসে দাওয়াত খেয়ে টাকার লোভে কুলাঙ্গার এসপি আমাকে কোণঠাসা এবং হত্যা করার পরিকল্পনা করেছে। আজ রোববার আবার রাত পোহানোর পূর্বেই তিনি কুলাঙ্গার এসপি কোম্পানীগঞ্জ থানায় এসে হাজির হয়েছে। আবার কী পরিকল্পনা করে গেছে তা আমি জানি না।’

[৬] কাদের মির্জা আরও বলেন, ‘গতকাল ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে, কুখ্যাত রাহাত, সোনাগাজীর ভুট্রো চেয়ারম্যান ও ফজলু এক সাথে তাদের ছবি। রাহাত সেখানে গেছে অস্ত্র আনার জন্য। নোয়াখালী জেলা ও কেন্দ্রের কয়েক নেতার ইশারা ইঙ্গিতে এগুলো হচ্ছে। এমপি একরামকে পদ থেকে সরালেও নোয়াখালীতে তার সব সেটিং ঠিক রেখে অপশক্তিদের অপকর্ম চলছে।’

[৭] কাদের মির্জা তার সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমার সমালোচনা করুন, অসুবিধা নেই। বিবেকের কাছে প্রশ্ন করুন, আল্লাহর আদালতে একদিন হাজির হয়ে এসবের জবাব দিতে হবে।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত