প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বশেমুরবিপ্রবি: স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে টিনশেডে স্থানান্তর করা হতে পারে গণরুমের ছাত্রদের

মাইনউদ্দিন পরান: [২] বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে আবাসিক হলসমূহের গণরুমের কিছু ছাত্রকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিনশেড ভবনে স্থানান্তর করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন বশেমুরবিপ্রবির উপাচার্য ড. একিউএম মাহবুব।

[৩] উপাচার্য বলেন, “আমরা প্রথম ধাপে চতুর্থ বর্ষ এবং মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য হল খুলে দিচ্ছি। এসকল শিক্ষার্থীদের অল্প কয়েকজন গণরুমে থাকায় তাদের একোমোডেশন নিয়ে খুব একটা সমস্যা হবে না। আর ২০ তারিখ সকল বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য হল খুলে দেয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে ১৭ তারিখের গুচ্ছ পরীক্ষায় আমাদের কিছু টিনশেড রুম ব্যবহৃত হবে। পরীক্ষা শেষে আমরা রুম গুলোর অবস্থা দেখবো এবং সম্ভব হলে গণরুমের কিছু শিক্ষার্থীকে টিনশেডে স্থানান্তর করবো। এছাড়া যেসকল শিক্ষার্থী মাস্টার্স সম্পন্ন করেছে কিন্তু এখনও হলে অবস্থান করছে তাদেরকেও আমরা হল ছাড়ার অনুরোধ করবো।”

[৪] এসময় উপাচার্য আরও বলেন, “আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসন সংকট রয়েছে, তাই রাতারাতি গণরুম বিলুপ্ত করা সম্ভব নয়। কারন গণরুমে যারা রয়েছে তারাও আমাদের শিক্ষাথী।”

[৫] এদিকে, গণরুমে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা অনেকটাই অসম্ভব বলে মনে করছেন বশেমুরবিপ্রবির বিভিন্ন হলের গণরুমে বসবাসকারী শিক্ষার্থীরা। শেখ রেহেনা হলের গণরুমের শিক্ষার্থী ইরিনা বলেন, “গণরুমে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা এককথায় অসম্ভব। এছাড়া জায়গার সংকটের পাশাপাশি গনরুমের শিক্ষার্থীদের আরেকটি বড় সমস্যা ওয়াশরুমের সংকট। সবমিলিয়ে গণরুমে আমরা রীতিমতো মানবেতর জীবনযাপন করি। আমরা চাই এই অবস্থার অবসান হোক।

[৬] শেখ রাসেল হলের গণরুমের শিক্ষাথী মেহেদী হাসান বলেন, “একটি রুমে আমাদের প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থীর থাকতে হয়, একটি বেড দুজনের শেয়ার করতে হয়, একটি টেবিলে দুজনের পড়তে হয়। এককথায় এমন পরিবেশে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা রীতিমতো অসম্ভব।”

[৭] প্রসঙ্গত, আগামী ৭ অক্টোবর থেকে প্রথম ধাপে চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং ২০ অক্টোবর দ্বিতীয় ধাপে সকল বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য খুলে দেয়া হচ্ছে বশেমুরবিপ্রবির আবাসিক হলসমূহ। হলগুলোর প্রভোস্টদের সাথে কথা বলে জানা গেছে বশেমুরবিপ্রবির পাঁচটি হলের প্রতিটিতেই একটি করে গণরুম রয়েছে এবং এসকল রুমে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী বসবাস করেন।

সর্বশেষ