শিরোনাম
◈ থার্ড টার্মিনাল চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী : বিমানমন্ত্রী ◈ ১৮ মাস পর নিজ প্রতিষ্ঠানে ফিরলেন ড. ইউনূস ◈ পরাজয় দিয়ে মৌসুম শুরু ‌মে‌সির ইন্টার মায়ামির ◈ নতুন সরকারের সামনে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, পোশাক খাতে শঙ্কা: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের বিশ্লেষণ ◈ পদত্যাগ করলেন ঢাবি ভিসি অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান ◈ বগুড়া ও শেরপুরের উপনির্বাচন কবে নাগাদ, জানালো ইসি ◈ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল বিষয়ে সভা ◈ জামায়াত আমিরের স্ত্রীসহ সংরক্ষিত মহিলা আসনে আলোচনায় যারা ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ◈ নগদে বিনিয়োগে আগ্রহী জামায়াতের এমপি ব্যারিস্টার আরমান!

প্রকাশিত : ০২ অক্টোবর, ২০২১, ০৭:৪৫ বিকাল
আপডেট : ০২ অক্টোবর, ২০২১, ০৭:৪৫ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বরগুনার ১২ জেলে উদ্ধার, এখনো নিখোঁজ ২০

সাগর আকন: [২] বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে সাত দিন ধরে নিখোঁজ ৩২ জেলের মধ্যে ১২ জেলের সন্ধান পাওয়া গেলেও এফবি আব্দুল্লাহ নামের ট্রলারসহ ২০ জেলের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

[৩] শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা ৪টা নাগাদ ১২ জেলেসহ এফবি মায়ের দোয়া নামক ট্রলার পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্যঘাটে পৌঁছাবে বলে নিশ্চিত করেছে জেলা ট্রলার মালিক সমিতি। ট্রলার মালিক ও জেলেদের বাড়ি বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলায়।

[৪] এফবি মায়ের দোয়া নামক ট্রলারে ছিলেন ১২ জন জেলে। এর মালিক আবদুর রহমান। এফবি আবদুল্লাহ নামক ট্রলারে ছিলেন ২০ জেলে। যার মালিকের নাম মো. লিটন মাহমুদ।

[৫] গত ২৫ সেপ্টেম্বর পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্যঘাট থেকে অন্যান্য ট্রলারের সঙ্গে মাছ ধরার জন্য সাগরে রওনা করে ট্রলার ২টি। কিন্তু হঠাৎ তাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয় মালিক ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। বিষয়টি ট্রলার মালিক, মালিক সমিতি ও কোস্টগার্ডকে অবহিত করা হয়। ছয়দিন পরে এফবি মায়ের দোয়া নামক ট্রলারের সন্ধান মেলে। তারা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল বলে প্রাথমিক তথ্য জানা যায়।

[৬] ট্রলারের সকল যাত্রী (১২ জন) সুস্থ আছেন বলে জেলা ট্রলার মভলিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

[৭] উদ্ধারকৃত জেলেরা হচ্ছেন, এফবি মায়ের দোয়া ট্রলারের পাথরঘাটা উপজেলার মঠেরখাল এলাকার নুর মোহাম্মাদ মিস্ত্রির ছেলে শাহজাহান, ছত্তার মোল্লার ছেলে আব্দুর রশিদ, খালেক মিস্ত্রির ছেলে মাসুদ, আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে আমির হোসেন, আব্দুর রহমানের ছেলে মিরাজ, নুরু মিয়ার ছেলে ছগির, তাফালবাড়ি এলাকার খলিল গোলদারের ছেলে ফারুক, আব্দুর রহমানের ছেলে আব্দুস ছত্তার, আব্দুল লতিফের ছেলে নাসির, জ্ঞানপাড়া এলাকার আব্দুল গনির ছেলে খলিল, কুদ্দুসের ছেলে আবুল কালাম ও বড় টেংরা এলাকার আবুল হাসেমের ছেলে ফুল মিয়া।

[৮] অপরদিকে, এফবি আবদুল্লাহ নামক ট্রলারের ২০ জেলের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। যাদের মধ্যে এফবি আব্দুল্লাহ ট্রলারের খোকন মাঝি, হুমায়ুন, শাহজাহান ও রাসেলের নাম জানা গেছে।

[৯] কোস্টগার্ডের পাথরঘাটা স্টেশন ও সুন্দরবনের দুবলাচরের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার আরটিভি নিউজকে বলেন, তাদের টহল বোট অনুসন্ধান করছে। কোনো খবর পেলে তাৎক্ষণিক জানানো হবে।

[১০] এদিকে ১২ জেলে ফিরে আসার খবরে স্বজনদের মনের দুশ্চিন্তা কমলেও আহাজারি করছে এফবি আবদুল্লাহ ট্রালারে থাকা শ্রমিকদের পরিবার। এই ট্রলারের সকল শ্রমিকের বাড়ি নোয়াখালী জেলার আলেকজান্ডার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। সম্পাদনা : খালিদ আহমেদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়