শিরোনাম
◈ জলাবদ্ধতায় এইচএসসি পরীক্ষা দিতে না পারা শিক্ষার্থীদের ৩ বিষয়ের পরীক্ষা কবে, জানুন কেন্দ্র ও কারা দিতে পারবেন ◈ রিজার্ভে ঊর্ধ্বগতি, বেড়ে ৩৭.৩৪ বিলিয়ন ডলার ◈ মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভোট দেননি ৬ এমপি ◈ রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কোথায়, কী কী সুবিধা পান তিনি? ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানিয়ে যা বললেন শফিকুর রহমান ◈ প্রধানমন্ত্রী-বিরোধীদলীয় নেতার কোলাকুলি, রাজনৈতিক উত্তাপ ছাপিয়ে সৌহার্দ্যের বার্তা ◈ বিএনপির নতুন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ◈ রোহিঙ্গা সংকটে পরিবেশ-অর্থনীতিতে বড় চাপ, বাড়ছে মাদক ও চোরাচালান: সেনাপ্রধান ◈ বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল, পেলেন ২৫৫ ভোট

প্রকাশিত : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৩:৫৪ দুপুর
আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৩:৫৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ইউপি নির্বাচনে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নারীকে হত্যা

মাসুদ আলম: [২] সোমবার সংবাদ সম্মেলনে পিবিআইয়ের ডিআইজি বনজ কুমার বলেন, মোংলা থানার ৬ নম্বর চিলা ইউনিয়নের নির্বাচন হয় গত ২০ সেপ্টেম্বর। এই ইউপি নির্বাচনে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী ছিলেন হালিম হাওলাদার, বিল্লাল সরদার এবং এশারাত। এদের মধ্যে নির্বাচনের আগ পর্যন্ত মেম্বার ছিলেন হালিম হাওলাদার। বিল্লালকে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন বলে হালিম ভাবছিলেন তিনি পরাজিত হবেন। তাই বিল্লালকে নির্বাচন থেকে সরানোর জন্য ষড়যন্ত্র করেন হালিম।এরপর তিনি পূর্বপরিচিত পিরোজপুরের জামাল হাওলাদার ওরফে সামাদুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বিল্লালকে ফাঁসানোর জন্য একটি খুনের পরিকল্পনা করেন তারা।

[৩] তিনি আরও বলেন, ৩০ হাজার টাকায় জামালের সঙ্গে হালিমের চুক্তি হয়। এরপর তাকে নগদ পাঁচ হাজার টাকা দেন। জামাল হাওলাদার সাভারের মশিউর রহমান মিলন নামে এক কবিরাজের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তার কাছে খুন করার জন্য একজন ভিকটিম চান জামাল। এরপর মিলন পারুল বেগম নামে এক নারীর সঙ্গে জামালের পরিচয় করিয়ে দেন। পারুলকে বিয়ে করার কথা বলে সাভারের নামা বাজার এলাকায় গত ৭ সেপ্টেম্বর স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাসা ভাড়া নেন জামাল। ওই রাতেই জামাল পারুলকে খুন করে পালিয়ে যান।

[৪] বনজ বলেন, রোববার বাগেরহাটের মোংলা থেকে হালিম হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। ঘাতক জামাল ও মিলন কবিরাজ আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। সাভারের ফেরি করে কাপড় বিক্রি করতেন পারুল বেগম। লাশের পাশে ফেলে রাখা হয় বিল্লালের এনআইডি কার্ডের ফটোকপি।

[৫] তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের আগে-পরে হালিম হাওলাদারের সঙ্গে ঢাকায় অবস্থানরত একজন সন্দিগ্ধ ব্যক্তির খুব ঘন ঘন যোগাযোগ হয়। সন্দিগ্ধ ওই ব্যক্তি ঘাতক জামাল। জামালের ছবি সাভারে ভাড়া বাসার কেয়ারটেকারকে দেখালে তিনি জামালকে শনাক্ত করেন। খুনির পরিকল্পনা ছিল এমন একজনকে খুন করা হবে যে হবে নিম্ন আয়ের মানুষ। তাতে খুনের তদন্ত হলে বিল্লাল ফেঁসে যেতে পারে, তবে নিহত নারীর পরিবারের পক্ষ থেকে ‘ঝামেলা’ থাকবে না। ওই হালিম ও বিল্লাল কেউ জিতেনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়