প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

১২ বছরে বন্ধ ২ হাজার ৭৩৪ পোশাক কারখানা

নিউজ ডেস্ক: বিগত ১২ বছরে ২ হাজার ৭৩৪টি পোশাকশিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার তথ্য দিয়েছে মালিকপক্ষের সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি-বিজিএমইএ। পোশাকশিল্প মালিকদের এই সংগঠনটি জানিয়েছে- বর্তমানে ২ হাজার ৪০০-এর বেশি পোশাক কারখানা সচল রয়েছে। মহামারী করোনাভাইরাসের প্রভাবে বিজিএমইএ সদস্যভুক্ত পোশাক কারখানাসমূহ বন্ধ না হলেও, সাব-কন্ট্রাকটিং কিছু কারখানা বন্ধ হয়েছে। তবে এখন পোশাক কারখানাগুলোতে বিদেশি ক্রেতা-প্রতিষ্ঠানগুলোর বিপুল পরিমাণে ক্রয়াদেশ রয়েছে। বিডি প্রতিদিন

বিজিএমইএ সহসভাপতি শহিদুল্লাহ আজিম বলেন- মূলত বিগত ২০০৭ ও ২০০৮ সালের পর তৈরি পোশাক শিল্পের কারখানাগুলোতে সংকট বাড়তে থাকে। ফলে বিগত ১২ থেকে ১৩ বছরের মধ্যে ২ হাজার ৭৩৪টি পোশাকশিল্প কারখানা বন্ধ হয়েছে। এখন বিজিএমইএ’তে সদস্যভুক্ত হিসেবে ২ হাজার ৪০০-এর বেশি কারাখানা সচল রয়েছে। বর্তমানে ব্যবসায় নানান সংকটের কারণে নতুন বিনিয়োগ আসছে না। যদিও ক্রয়াদেশ ব্যাপক রয়েছে। বিশ্ববাজারে তৈরি পোশাক পণ্য রপ্তানির এই ধারা অব্যাহত থাকলে, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের টার্গেট অর্জন সম্ভব হবে। তার আগে রপ্তানির টার্গেট অর্জনে পদে পদে হয়রানি ও ভোগান্তি কমাতে হবে। পণ্য আমদানি, রপ্তানি ও সরবরাহ ব্যবস্থার দুর্বলতা কমাতে পারলে রপ্তানি সম্ভাবনা আরও বাড়বে। এদিকে গতকাল চট্টগ্রামের খুলশীতে বিজিএমইএ ভবনের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময়ে বিজিএমইএ সহসভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেছেন- বিজিএমইএ সদস্যভুক্ত ৪ হাজার ৭০০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২ হাজার ৭৩৪টি বন্ধ হয়ে গেছে। বাকিগুলোর মধ্যে ১ হাজার ৬০০টি আমদানি-রপ্তানি কাজে নিয়োজিত আছে। চট্টগ্রামে ৬৭৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বন্ধ ৩৯৮টি। আমদানি-রপ্তানি কাজে নিয়োজিত আছে ১৯০টি।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ব্র্যান্ডিং ছাড়া পোশাকশিল্প টিকিয়ে রাখা যাবে না। প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক এ শিল্প এগিয়ে নিতে। শ্রমঘন শিল্প হওয়ায় আমরা ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছি। বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম-সংশ্লিষ্ট সেবা অত্যাবশ্যকীয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। বন্দর কাস্টমস পরিবহন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের ধর্মঘটের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহতের অপচেষ্টা বন্ধ করা প্রয়োজন।

ওই মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রথম সহসভাপতি নাসিরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, মঈনুদ্দিন আহমেদ মিন্টু, সাহাবুদ্দিন আহমেদ, এসএম আবু তৈয়ব, সহসভাপতি রকিবুল আলম চৌধুরী, পরিচালক এমএ সালাম, এম আহসানুল হক প্রমুখ।