প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] অনেক হিসেব কষে, ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করে এখানে এসেছি: ব্রুসন

নিজস্ব প্রতিবেদক: [২]বাংলাদেশ দলের হাল ধরার পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে এলেন অস্কার ব্রুসন। ভাঙা বাংলায় ‘ধন্যবাদ’ জানিয়ে শুরু করলেন কথা। বসুন্ধরা কিংসের হয়ে পাওয়া সাফল্যের উদাহরণ টেনে স্বপ্ন দেখালেন। আবার মাত্র এক সপ্তাহে ফুটবলকে বদলে দেওয়া যায় না-মনে করিয়ে দিলেন এই বাস্তবতাও।

[৩] জেমি ডেকে দুই মাসের ‘ছুটি’ দিয়ে ব্রুসনকে দায়িত্বে এনেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

[৪] এরই মধ্যে নতুন কোচ ঘোষণা করেছেন তার প্রথম দল। জানিয়েছেন জাতীয় দল নিয়ে নিজের ভাবনার কথা। বুধবার বাফুফে ভবনে সংবাদ সম্মেলনে সবার আগে স্মরণ করেছেন যার জায়গায় এসেছেন সেই জেমির কথা।

[৫] ‘সাবেক কোচের প্রশংসা দিয়েই শুরু করছি। গত দুই বছর তিনি আমাদের সংস্পর্শে ছিলেন, আমাদের পর্যবেক্ষণ করেছেন, দারুণ কাজ করেছেন, সাম্প্রতিক ট্যুরগুলোতে তিনি যে ফল করেছিলেন, সেটা হয়ত বাফুফের চাওয়া অনুযায়ী ছিল না, কিন্তু আমি নিশ্চিত তিনি সেরা চেষ্টাই করেছিলেন। একজন সহকর্মীর স্থলাভিষিক্ত হওয়া দুঃখের। কিন্তু পরিস্থিতি পুরোপুরি বুঝতে পারছি। এই দায়িত্ব নিতে এগিয়ে এসেছি।’

[৬] ‘গত কয়েকদিন ধরে আপনাদের অনেকেই আমার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেক টানাপোড়েনের কারণে আমি উত্তর দিতে পারিনি। বাফুফে সভাপতি ও বসুন্ধরা কিংসের সভাপতিকে ধন্যবাদ দিতে চাই। আমার দায়িত্ব পাওয়াটা সম্ভব করেছেন তারা।’

[৭] ২০০৩ সালে প্রথম ও সর্বশেষ এ শিরোপা জয়ের স্মৃতিতে ধুলো জমা পড়েছে অনেক। দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের সর্বোচ্চ এই ফুটবল আসরে গত চার আসরে গ্রুপ পর্বেই শেষ হয়েছে বাংলাদেশের অভিযান। প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের দায়িত্ব পাওয়া ব্রুসনের সামনের পথটা তাই ভীষণ কঠিন।

[৮] ঘরোয়া ফুটবলে অবশ্য কিংসের কোচ হিসেবে দারুণ সময় কেটেছে ব্রুসনের। ২০১৮ সালে দলটির দায়িত্ব নেওয়ার পর দুটি করে প্রিমিয়ার লিগ ও স্বাধীনতা কাপ এবং একটি ফেডারেশন কাপের স্বাদ পেয়েছেন ব্রুসন। ক্লাব পর্যায়ের এই সাফল্যে স্বপ্ন দেখছেন ৪৪ বছর বয়সী এই কোচ। পাশাপাশি মনে করিয়ে দিলেন বাস্তবতাও।

[১০] ‘যখন আমি কিংসের দায়িত্বে ছিলাম, তখন আপনাদের অনেকবার বলেছি-আমি একজন উইনার। আমি জয়ের জন্য খেলি। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে সাফের দলগুলোর মধ্যে আমরা ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে নিচের দিক থেকে দ্বিতীয় দল। কিন্তু এটাও সত্যি যে, আমাদের ভালো করার সুযোগ আছে। আমি এখানে ফাইনাল খেলার জন্য এসেছি এবং এই চাওয়াটা আপনাদের কাছে লুকাচ্ছি না।’

[১১] ক্লাব ও জাতীয় দল ভিন্ন ব্যাপার। আমি প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের কোচিং করাতে যাচ্ছি। এই সুযোগ আগে কখনও পাইনি। প্রথমবারের মতো ডাগআউটে দাঁড়াব একটা পুরো দেশের প্রতিনিধি হয়ে। আমি একজন লড়াকু সৈনিক। সর্বোচ্চটা দিয়েই চেষ্টা করব। কোনো সন্দেহ নেই এটা আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সবাই জানে, বাংলাদেশের সবাই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়ে কী ভাবে। তাই অনেক হিসেব কষে, ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করে এখানে এসেছি।

সর্বশেষ