প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনার প্রভাবে চান্দিনায় বন্ধ ২৬টি কিন্ডার গার্টেন

শাহাজাদা এমরান: [২] দেড় বছর বন্ধ থাকার পর চলতি মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুললেও করোনাকালীন আর্থিক অনটনসহ নানা সঙ্কটের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার ২৬ টি কিন্ডার গার্টেন (কেজি স্কুল)। এছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠান টিকে আছে, তাদেরও কাটছে চরম দৈন্য-দশায়। নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে টিকে যাওয়া কিন্ডার গার্টেনগুলোকে।

[৩] বন্ধ হওয়া বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় ভর্তি হয়েছে। আবার অনেকেই ঝরে পড়েছে। কেউ কেউ জড়িয়ে পড়েছে নানা কাজে। এই মুহূর্তে তাদের বিদ্যালয়গামী করাই মুশকিল। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌর এলাকা ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া যায়।

[৪] এদিকে অর্থনৈতিক সঙ্কট কাটাতে উপজেলার ১২৪টি কিন্ডার গার্টেনের কমপক্ষে একশত জন শিক্ষক পেশা পরিবর্তন করেছেন। দীর্ঘ করোনাকালে প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বেতন-ভাতা কিছুই পাননি শিক্ষকরা। ফলে পরিবারের ভরণ-পোষণ যোগাতে রীতিমত হিমশিম খেতে হয়েছে তাদের। বাধ্য হয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসা, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে কর্মচারি হিসেবে চাকরি করতে হয়েছে অনেক শিক্ষককেই। সরকারি প্রণোদনা বা আর্থিক সহায়তা পাননি এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীরা।

[৫] চান্দিনা উপজেলা শিক্ষা অফিসার আবদুল্লাহ্ আল-মামুন জানান, ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ উপজেলায় করোনা কালীন বন্ধের আগ পর্যন্ত ২০২০ সালের শুরুতে ১২৪টি কিন্ডার গার্টেন ছিলো। এর মধ্যে ২৬ টি কিন্ডারগার্টেন বন্ধ হয়ে গেছে।

[৬] চান্দিনা বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঐক্য পরিষদ এর সভাপতি জেলা শ্রেষ্ঠ শিক্ষানুরাগী মো. মনির খন্দকার জানান, উপজেলার ২৬টি কিন্ডার গার্টেন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। শিক্ষকরা দেড় বছরে সরকারি কোন প্রণোদনা বা আর্থিক সহায়তা পায়নি।

[৭] বাড়েরা বর্ণমালা কিন্ডার গার্টেনের শিক্ষক দ্বীপক চন্দ্র দে জানান, করোনার কারণে উপায় না পেয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয় আমাদের কিন্ডারগার্টেনটি।

[৮] চান্দিনা বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঐক্য পরিষদ সাধারণ সম্পাদক মো. আশিকুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন বেকার থাকায় কিন্ডারগার্টেন শিক্ষকরা অনেকেই পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশায় যুক্ত হয়েছেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ