শিরোনাম
◈ পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা ও শিল্প-সংস্কৃতিতে দক্ষ হতে হবে শিশুদের: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মহেশখালী থেকে পতেঙ্গা সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে তেল পরিবহণ শুরু হচ্ছে ইন্দোনেশিয়ার কোম্পানি পরিচালনায় ◈ নতুন যে দায়িত্ব পেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ◈ বদলি ইব্রাহিমের গোলে ভুটা‌নের বিরু‌দ্ধে বাংলাদেশের স্বস্তির জয় ◈ সাফে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে পাকিস্তানকে হারাল ভারত ◈ টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের সঙ্গে যৌথবাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য আহত ◈ নতুন অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়িতে রান্না করা ভাত ও খিচুড়িতে মিলছে অতিরিক্ত সিসা, শিশুদের জন্য বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি ◈ চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে বিএনপির সমঝোতা, কতটা লাভবান হবে বাংলাদেশ? ◈ মার্কিন বাজারে ধাক্কা, কমেছে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ◈ ট্রাম্পকে কি ক্ষমতা থেকে সরাতে পারবেন ডেমোক্র্যাটরা?

প্রকাশিত : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৫:৫৩ বিকাল
আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৬:২৭ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] য‌শো‌রে মহা ধুমধা‌মের সা‌থে তিন ফুট বর ও ক‌নের বি‌য়ে অনু‌ষ্ঠিত

র‌হিদুল খান: [২] মহা ধুমধামে তিন ফুট উচ্চতার বর ও কনের বিয়ে দিয়েছেন এলাকাবাসী। কনে যশোরের সদর উপজেলার আন্দুলিয়া গ্রামের নাজির মোল্লার মেয়ে ময়না খাতুন। বর একই উপজেলার নরেন্দ্রপুর পোস্ট অফিস এলাকার মৃত আকবার আলীর ছেলে রবিউল ইসলাম।

[৩] বর-কনে ও তাদের অভিভাবকদের সম্মতিতে র‌বিবার (১৭-০৯-২১) দুপুরে এ বিয়ের আয়োজন করেন স্থানীয়রা। তিন ফুট উচ্চতার বর-কনের বিয়ের খবরে আশপাশের গ্রাম থেকে হাজারো লোক ছুটে আসেন এই নবদম্পতিকে একনজর দেখার জন্য। এলাকাবাসীর এই প্রশংসনীয় উদ্যোগে খুশি নবদম্পতি।

[৪] সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সুজিত বিশ্বাস বলেন, বর রবিউল ইসলামের বয়স ২৬ বছর হলেও তার উচ্চতা তিন ফুট। আর ৩৬ বছর বয়সী কনে ময়না খাতুনের উচ্চতাও তিন ফুট।

[৫] এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় বিয়ের গেট সাজিয়ে, প্যান্ডেল নির্মাণ করে ধুমধাম করে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিয়েতে দুইটি মাইক্রোবাসসহ ২০টি মোটরসাইকেলে ৬০ জন বরযাত্রী গিয়েছিলেন। মুসলিম শরিয়াহ অনুযায়ী সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে এক হাজার এক টাকা কাবিনে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

[৬] বরের খালু জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, বর রবিউলের জন্ম খুবই দরিদ্র পরিবারে। ছোট্টবেলা থেকে তার বাবা-মা কেউ নেই। ছোট্ট থেকে আমরাই রবিউলকে মানুষ করেছি। কৃষিকাজ করেই সে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। রবিউলের বিয়ের বয়স হলেও অনেকদিন ধরে বিয়ের জন্য মেয়ে খুঁজে পাচ্ছিলাম না। অবশেষে পাশের আন্দুলিয়া গ্রামে একটি মেয়ে খুঁজে পাই। জানতে পারি ওই গ্রামের নাজির মোল্লার মেয়েও কম উচ্চতার। স্থানীয় ব্যক্তিদের সার্বিক সহযোগিতায় তাদের বিয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বিয়ের পরে নতুন বর-বউকে দেখতে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম থেকে লোকজন আসছে। সেইসঙ্গে তাদের জন্য দোয়াও করছেন দেখতে আসা বিভিন্ন শ্রেণীর এসব মানুষ।

[৭] বিয়ের অন্যতম আয়োজক স্থানীয় গাজী কামারুল ইসলাম বলেন, আমরা সবাই সহযোগিতা করে ওদের বিয়ে দিয়েছি। সবাই দোয়া করবেন ওদের জন্য। কম উচ্চতার মানুষকেও সমাজের মূল স্রোতে আনতে এভাবেই এলাকাবাসী ও পরিবার স্বজনদের এগিয়ে আসতে হবে।

  • সর্বশেষ