প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] প্রয়াত সাংবাদিক আবদুর রহিম হুমায়ুনের ৩৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

তৌহিদুর রহমান নিটল: [২] ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়াইল ইউপির জালশুকা গ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবক, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক প্রয়াত আবদুর রহিম হুমায়ুন-এর ৩৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী (১৮ই সেপ্টম্বর) আজ শনিবার।

[৩] এ উপলক্ষে মরহুমের গ্রামের বাড়িতে মিলাদ ও কোরআন খতমের আয়োজন করা হয়েছে। প্রয়াত সাংবাদিকের ছেলে জাবেদ রহিম বিজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব সাধারন সম্পাদক এবং দৈনিক মানবজমিন পএিকার ষ্টাফ রিপোর্টার ব্রাহ্মণবাড়িয়া হিসেবে কর্মরত আছেন।

[৪] আবদুর রহিম হুমায়ূন ১৯৮৮ সালের ১৮ই সেপ্টেম্বর ইন্তেকাল করেন। তিনি ছিলেন তদানীন্তন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সাদেকপুর পশ্চিম ইউনিয়নের (বর্তমানে নবীনগর উপজেলার বড়াইল ইউনিয়ন) চেয়ারম্যান। অত্যন্ত ন্যায়-নিষ্ঠা,সততা ও সুনামের সাথে ১৯৬৩ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন নিজ এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তায় তার অবদান অসামান্য। এজন্যে বারবার পাকবাহিনীর রোষানালে পড়তে হয় তাকে। মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করায় ভৈরব রানীর বাজারে নিজস্ব ভিটিতে পরিচালিত তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আগুনে পুড়িয়ে দেয় পাকবাহিনী। নিজ এলাকায় আওয়ামীলীগের রাজনীতি এবং সংগঠনকে সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রয়েছে তার।

[৫] নবীনগরের এ অঞ্চলে আওয়ামী রাজনীতির ঠিকানা ছিলেন আবদুর রহিম হুমায়ুন এবং তার পরিবার। আবদুর রহিম হুমায়ুন স্বাধীনতা উত্তরকালে সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত হন। ঢাকায় ‘দৈনিক কিষান’ এবং ‘দৈনিক বাংলার মুখ’ সংবাদপত্রে তার সাংবাদিতকা জীবন শুরু হয়। পরবর্তীতে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বৃহত্তর কুুমিল্লার পাঠকপ্রিয় সংবাদপত্র ‘দৈনিক রূপসী বাংলা’র একজন সিনিয়র সাংবাদিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

[৬] বড়াইল ইউনিয়নের জালশুকা মোল্লাবাড়ির এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ১৯৩৮ সালে জন্ম আবদুর রহিম হুমায়ুনের। তার পিতা আবদুর রউফ ছিলেন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের ডাইরেক্টর অব ফিজিক্যাল এডুকেশন। তার আপন ছোট ভাই আবদুর রহমান বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর এবং গনযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ছিলেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত