প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ১২ই রবিউল আউওয়াল সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদের দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক: [২] সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে রাজারবাগ দরবার শরীফ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন বক্ততারা এ দাবি করেন।

[৩] বক্তারা বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালিন, ইমামুল মুরসালিন, খ্বতামুন নাবিয়্যীন, রাহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূর শরীফ মহাপবিত্র রবিউল আউওয়াল শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ মহাপবিত্র ১২ তারিখ দুনিয়ার যমীনে তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেন। এ জন্য মহাপবিত্র ১২ই রবিউল আউওয়াল শরীফ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ বা সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদের দিন। কাজেই, আসন্ন মহাপবিত্র রবিউল আউওয়াল শরীফ মাস ব্যাপকভাবে উদযাপনে এখন থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।

[৪] আলোচনা সভায় নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সু-মহান শান-মান ও মর্যাদা মুবারক নিয়ে আলোচনা করেন রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার প্রতিনিধিরা।

[৫] রাজারবাগ দরবার শরীফ থেকে আগত প্রতিনিধিরা বলেন, পবিত্র কোরআন শরীফ অনুসারে সাইয়্যিদুল মুরসালিন ইমামুল মুরসালিন হাবীবুল্লাহ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানীকারীর একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। তাই যে বা যারাই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, অনলাইনে বা অফলাইনে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানীর অপচেষ্টা করছে, তাদের ব্যাপারে ‘শরয়ী শাস্তি মৃত্যুদণ্ড’ বাস্তবায়ন করতে হবে। যা বিশ্বের প্রত্যেক মুসলিম দেশের সরকারের জন্য ফরজে আইন।

[৬] বক্তারা বলেন, পবিত্র কোরআন শরীফ উনার পবিত্র সূরা ইনশিরাহ শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, (আমার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনার পবিত্র আলোচনা মুবারককে আমি বুলন্দ হতে বুলন্দতর করেছি। আর পবিত্র হাদীছে কুদছী শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, (আমার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমি আপনাকে সৃষ্টি মুবারক না করলে, আমার মহাসম্মানিত রুবূবিয়াত মুবারকও প্রকাশ করতাম না। আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদাহ হলো, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত স্পর্শ মুবারক-এ যা কিছু এসেছেন তা সম্মানিত আরশে আযীম মুবারক থেকেও লক্ষ-কোটি গুণ বেশি ফযীলতপ্রাপ্ত।

[৭] নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র জীবনী মুবারক নিয়ে গবেষণা করার জন্য কোটি কোটি স্বতন্ত্র গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রত্যেক শ্রেণিতে এবং প্রতিটি সিলেবাসে উনার বিশুদ্ধ পবিত্র জীবনী মুবারক আবশ্যিকভাবে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে।

[৮] বক্তারা বলেন, রাজারবাগ দরবার শরীফে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বতামুন্ নাবিয়্যীন, রাহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বৎসর ভিত্তিক জীবনী মুবারক নিয়ে বিশেষ কিতাব প্রকাশিত হয়েছে। সবার উচিত সেই কিতাব সংগ্রহ করে পাঠ করা।

[৯] বক্তারা আরও বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বতামুন্ নাবিয়্যীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক সম্মানার্থে অনন্তকালব্যাপী জারীকৃত পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ মাহফিল উনার মধ্যে বিশেষ আয়োজন হিসেবে গত ২৮শে মুহররম শরীফ, ৮ রবি’ মুতাবিক ৬ সেপ্টেম্বর হতে রাজারবাগ দরবার শরীফে শুরু হয়েছে ৬৩ দিনব্যাপী বিশেষ মাহফিল।

[১০] সেখানে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বতামুন্ নাবিয়্যীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী বা পবিত্র জীবনী মুবারক হতে প্রতিদিন আলোচনা-পর্যালোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মুসলিম উম্মাহ সকলের উচিত উক্ত বেমেছাল বরকতময় মাহফিলে অংশগ্রহণ করা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত