প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] শতভাগ বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য কাজ চলছে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

সুজিৎ নন্দী: [২] স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেছেন, আমাদের উপকূলীয় অঞ্চলে পানির স্বল্পতা রয়েছে। কারণ সেখানে লবণাক্ত পানিসহ অসংখ্য সমস্যা রয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে সেখানে পানির স্বল্পতা দেখা যায়। সেজন্য নিরাপদ পানি সরবরাহের জন্য সারাদেশে ‘ন্যাশনাল ওয়াটার গ্রিড লাইন’ তৈরির জন্য চেস্টা করছি, এটি নিয়ে আমরা কাজ করছি। ঢাকা সিটিতে অসংখ্য প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং সামনে আরো প্রকল্প আসছে।

[৩] তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর ঢাকাবাসীকে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য অসংখ্য প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। শতভাগ বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। একইভাবে পাবলিক হেলথ ডিপার্টমেন্টের নেতৃত্বে ৯৮ শতাংশ মানুষ পানির আওতায় এসেছে। প্রশ্ন হচ্ছে আমরা বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে কতোটা সক্ষম। এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ, শুধু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নয় সারাবিশ্বেই এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

[৪] স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আরও বলেন, জিওলজিক্যালভাবেও আমাদের কিছু সুযোগ-সুবিধা রয়েছে, যা বিশ্বের অনেক দেশেরই নেই। আমরা রুরাল এরিয়ার সব মানুষের বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য কাজ করছি। আমরা শহরে যারা আছি, তারা গ্রামের তুলনায় অনেক ভালো আছি। এখানে কিছু বিষয় রয়েছে। একটি হলো ওয়াটার প্রোডাকশন কস্ট। পানির প্রোডাকশনে লাগছে ২২ থেকে ২৫ টাকা। সেখানে বিক্রি করতে হচ্ছে ১৫ টাকায়। তাহলে বাকি ১০ টাকা কে দিচ্ছে। সরকার এই ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে, যা আসে আয়কর থেকে।

[৫] বৃহস্পতিবার (০৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে ঢাকা ওয়াসার গন্ধবপুর প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

[৬] মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের ব্যাপক শিল্পায়নের দিকে নজর দিতে হবে। আমাদের অনেক ইন্ড্রাষ্ট্রি ইতোমধ্যে ভালো অবস্থানে আছে, এছাড়াও একশ ইকোমনমিক জোন তৈরির কাজ হচ্ছে। যেখানে অসংখ্য শিল্পায়ন গড়ে তোলা হবে। সেক্ষেত্রে পানি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বিষয়। তাই আমরা ভাবছি শিল্পায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পানি কীভাবে সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়।

[৭] তিনি বলেন, আমাদের আরো একটি চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা উন্নত দেশের রুপান্তরের জন্য কাজ করছি। আমরা কিন্তু শুধু ট্রেডিশনাল এগ্রিকালচারের ওপর নির্ভর করতে পারি না। কৃষিতে প্রযুক্তি আরো সমৃদ্ধ করতে হবে। আমাদের অবস্থা পরিবর্তনের জন্য শুধু কৃষিখাতই যথেষ্ট নয়।

[৮] সভাপতির বক্তব্যে ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী তাকসিম এ খান বলেন, দক্ষিন এশিয়ার মধ্যে ঢাকা ওয়াসা একটি রোল মডেল। এটা আমরা বলছি না, বলছে বিশ্ব ব্যাংক, এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাংক। ঢাকা ওয়াসা সারাবিশ্বে বৃহৎ পানি সরবরাহকারী সংস্থা। ঢাকা ওয়াসা ২ কোটি মানুষকে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করছে। আমাদের ভালো ইঞ্জিনিয়ার, ভালো অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ লোকবল রয়েছে। সেজন্যই আমরা আজ এই অবস্থানে আছি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকারের স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলাল উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত