প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বাংলাদেশ-ইইউর সম্পর্ক আরো জোরদারের আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী

সমীরণ রায় ও আব্দুল্লাহ মামুন: [২] বৃহস্পতিবার (০৯ সেপ্টেম্বর) গণভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের দূত রেনসে টিরিঙ্ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাত করতে যান। এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো জোরদার হবে।

[৩] বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এক প্রেস ব্রিফিংয়ে একথা জানান।

[৪] প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে সব উন্নয়ন পরিকল্পনায় পরিবেশকে প্রাধান্য দিয়েছে। ইইউ দূত প্রধানমন্ত্রীকে এ প্রসঙ্গে বলেন, বাংলাদেশকে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় ইইউ সদস্য রাষ্ট্রসমূহ সহায়তা বাড়িয়ে দিবে।

[৫] প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বন্যা, সাইক্লোন ও নদী-ক্ষয়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় আমাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে পারি। বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান গ্রহণ করেছে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় সহায়ক হবে। প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট অনাকাঙ্খিত উষ্ণতা ঠেকাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত রাষ্ট্রসমূহের সহায়তা কামনা করেন।

[৬] প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণ ভ্যাকসিন গ্রহণে আগ্রহ দেখাচ্ছে, তাই তার সরকার করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হয়েছে। ইইউ দূত কোভিড-১৯ পরিস্থিতি সফলভাবে নিয়ন্ত্রণ করায় বাংলাদেশের প্রশংসা করেন।

[৭] নেদারল্যান্ডের রেনসে টিরিঙ্ক বলেন, তার দেশের জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় সহায়তা করার কিছু উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা রয়েছে। তার দেশও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সম্মুখীন হচ্ছে। তারা বাংলাদেশের সঙ্গে এই ব্যাপারে অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে পারে। পদ্মা বহুমুখী সেতু উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন। তারা সোশাল সেফটি নেটওয়ার্ক প্রোগ্রামে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করেছেন।

[৮] শেখ হাসিনা বলেন, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের অনেকেই এদেশে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ায়, নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে।

[৯] বৈঠকাকালে প্রধানমন্ত্রী অ্যাম্বাসেডর-এট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস উপস্থিত ছিলেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত