শিরোনাম
◈ এশিয়ার বাজারে বাড়ছে বাংলাদেশের রপ্তানি, চীন-ভারত-দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবৃদ্ধি ◈ কাশ্মীরে ৬০০ ‘বাংলাদেশি’ শনাক্তের দাবি ভারতের, ১৫০ জনকে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে ‘পুশ ইন’ প্রস্তুতি! ◈ প‌থে থাকা ২০ লাখ শিশু নেই সরকারের খাতায় ◈ ফিফা আসিয়ান কাপে ইন্দোনেশিয়া চ‌্যা‌ম্পিয়ন ◈ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের টানাপোড়েনে দীনেশ ত্রিবেদীর দৌড়ঝাঁপ, তারেক রহমানকে দিল্লি নিতে ভারতের তৎপরতা! ◈ ‌ফ্রা‌ন্সের বা‌জিমাত, ১৪ মিনিটে বেল‌জিয়াম‌কে দি‌লো চার গোল ◈ বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা বন্ধের বিষয়ে যেসব নির্দেশনা দিয়েছে লাওস ◈ লিও‌নেল মেসির মহাকাব্যের শেষ অধ্যায়  ◈ যুক্তরাষ্ট্রে হামের ভয়াবহ বিস্তার, নিউইয়র্কে জরুরি অবস্থা ঘোষণা! ◈ মঞ্চ প্রস্তুত, বিদায়ী ম‌্যাচ রাঙা‌তে আ‌র্জেন্টিনার জা‌র্সিতে মে‌সিও প্রস্তুত, ১০ নম্বর জার্সির নতুন মালিক কে হ‌চ্ছেন?

প্রকাশিত : ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৪:০২ দুপুর
আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৪:০২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] শিশুদের জন্য বেশি ক্ষতিকর নয় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা

সাকিবুল আলম: [২] গবেষণাপত্র প্রকাশ করে তারা জানিয়েছে, এ বছরের ২০ জুন থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত সময়ে টিকা না নেওয়া শিশুদের হাসপাতালে ভর্তির হার ভ্যাকসিন গ্রহণকারীদের তুলনায় ১০ গুণেরও বেশি। এনডিটিভি, আরব নিউজ

[৩] ১ মার্চ ২০২০ থেকে ১৪ আগস্ট ২০২১ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১০ শতাংশ জনসংখ্যা নিয়ে গঠিত অঞ্চলগুলোর হাসপাতালের রেকর্ড বিশ্লেষণ করেছে দেশটির স্বাস্থ্য সংস্থা। করোনার অতি সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট আঘাত হানার আগের ও পরের সময়ের উপাত্ত বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

[৪] ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার আগে, ৩ হাজার ১১৬টি হাসপাতালের রেকর্ড পরীক্ষা করে তারা জানিয়েছে, শূন্য থেকে সতেরো বছর বয়সী শিশুদের করোনায় আক্রান্তের হারে খুব বেশি প্রভাব ফেলেনি করোনার অতি সংক্রামক এ ধরনটি।

[৫] ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রাদুর্ভাবের আগে, যুক্তরাষ্ট্রে নিবিড় পর্যবেক্ষণ ইউনিটে ভর্তি হওয়া শিশুর সংখ্যা ছিলো ২৬.৫ শতাংশ। ডেল্টা পরবর্তীতে সময়ে তা ২৩.২ শতাংশে পৌঁছায়। ডেল্টা পূর্ববর্তী সময়ে করোনায় শিশুমৃত্যুর হার ছিলো ০.৭ শতাংশ, ডেল্টা পরবর্তী সময়ে তা দাঁড়ায় ১.৮ শতাংশে।

[৬] গবেষণা দলটি এ পরিসংখ্যান প্রকাশ করে মত প্রকাশ করে, করোনার অতি সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের কারণে আশঙ্কাজনকভাবে শিশু মৃত্যুহার কিংবা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সংখ্যা বাড়েনি। সম্পাদনা: মিনহাজুল আবেদীন।

  • সর্বশেষ