শিরোনাম
◈ কারাগার ভেঙে পালানো ৫২ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির হদিস নেই ◈ কাগজ-ফাইলের যুগ পেরিয়ে ডিজিটাল সংসদের পথে বাংলাদেশ ◈ ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাত : ৭০০ কিমি দূর থেকেও শোনা গেল বিস্ফোরণের শব্দ, বন্ধ ৬ বিমানবন্দর ◈ যানজট কমাতে গাবতলী-মহাখালী-সায়েদাবাদ-গুলিস্তান বাস টার্মিনাল সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: সড়ক প্রতিমন্ত্রী ◈ রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি রাষ্ট্রপতি: সংঘর্ষ নয়, সমঝোতার রাজনীতি চাই ◈ তারেক রহমানের ভারত সফর ঘিরে দিল্লিতে ‘অভ্যন্তরীণ বিরোধের’ ইঙ্গিত ◈ খেলার নিয়ম বদলে গেছে, পাল্টা প্রতিক্রিয়ার যুগ শেষ: ইরা‌নের পার্লা‌মে‌ন্টে স্পিকার ◈ ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৫৮ ◈ রাষ্ট্র মালিকানাধীন ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দেড় লাখ কোটি টাকা: সংসদে অর্থমন্ত্রী ◈ এয়ারবাসের প্রস্তাব ‘অবিশ্বাস্য প্রতিযোগিতামূলক’: ইইউ রাষ্ট্রদূত

প্রকাশিত : ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৩:৩৬ দুপুর
আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৩:৩৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] এখনো অবহেলিত রাজবাড়ী পাংশার যে গ্রাম

সৈকত শতদল: [২] রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানার একটি গ্রামের নাম বসাকুস্টিয়া। এই গ্রামটি রাজবাড়ি জেলা ও ঢাকা বিভাগের শেষ সীমানা, এই গ্রামের থেকেই শুরু কুষ্টিয়া জেলা এবং খুলনা বিভাগের। গ্রামটি জেলার শেষ সীমান্তে হওয়ায় গ্রামের মানুষ অনেক আগে থেকেই অবহেলার স্বীকার হয়ে আসছে।

[৩] যে রাজনৈতিক দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন, তাদের প্রতিনিধিরা শুধু ভোটের সময়ই এই গ্রামে আসে। নির্বাচন শেষ হয়ে গেলে সারা বছরেও তাদের আর দেখা মিলে না। নির্বাচন শেষে জনপ্রতিনিধিদের জীবন মান উন্নয়ন হলেও উন্নতি হয় না গ্রামের মানুষের জীবনমানের।

[৪] গ্রামটির মানুষের জীবন যাত্রার উন্নয়ন আটকে আছে শুধুমাত্র একটা পাকা রাস্তার উপর। যার অভাবে গ্রামের মানুষ তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য সহ যাবতীয় কিছু বাজারজাত করতে শহরে নিতে ব্যর্থ হচ্ছে। গ্রামের স্কুলগামী ছেলে-মেয়েরা বর্ষাকালে স্কুলে যেতে দুর্ভোগের শেষ নেই। ছোট ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসায়ী পণ্য থানা শহরে বিক্রি করতে এবং সেখান থেকে ক্রয়কৃত পণ্য আনতে পোহাচ্ছে অভাবনীয় দুর্ভোগ। আর এই দুর্ভোগ যেন মহামারি আকারে দেখা দেয় বর্ষাকালে। কারণ বর্ষাকালে সামান্য বৃষ্টিতে গ্রামের রাস্তা গুলো হাটু সমান কাঁদাপানিতে ডুবে যায়।

[৫] বসাকুস্টিয়া জামে মসজিদের ইমাম সাহেব বলেন, এই কাদাপানির জন্য গ্রামের মানুষ ঠিক মতো নামাযে আসতে পারে না। বিশেষ করে ছোট বাচ্চারা এবং বৃদ্ধরা নামাজে আসতে পারে না, তাদের জন্য এই কাঁদা মাটির রাস্তায় চলাচল মুশকিল। যদি সরকারের লোকজন একটা পাকা রাস্তা করে দিতো। তাহলে গ্রামের মানুষের খুব উপকার হতো।

[৬] এই ওয়ার্ডের মেম্বার আইনুদ্দিন জানান, আমিও তো চাই গ্রামে একটা পাকা রাস্থা হোক কিন্তু সেটা তো ব্যক্তিগতভাবে করা সম্ভব না। আমি চেষ্টা করছি চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে কিছু করা যায় কিনা।

[৭] এই বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দিলসাদ বেগম বলেন, আমি এখনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে গ্রামটিতে কিভাবে একটা পাকা রাস্তার ব্যবস্থা করা যায় দেখছি। আমি চাই না আমার অধীনে থাকা কোনো গ্রামের মানুষ দুর্ভোগে থাকুক। আমি এই বিষয়ে যতো দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা নিবো। সম্পাদনা: হ্যাপি

  • সর্বশেষ