শিরোনাম
◈ মোবাইল না দেওয়ায় বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে থানায় ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র, ভিডিও ভাইরাল ◈ ভারতীয় রুপির বিপরীতে কেন শক্তিশালী হচ্ছে বাংলাদেশি টাকা? ◈ গুয়াংজো, ফ্রাঙ্কফুর্ট ও সাও পাওলোতে নতুন কনস্যুলেট খুলছে বাংলাদেশ ◈ শাহবাজ শরিফের সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসছেন তারেক রহমান ◈ এলডিসি উত্তরণের পরও যুক্তরাজ্যে ৯৯.৮% বাংলাদেশি পণ্য থাকবে শুল্কমুক্ত ◈ দুবলারচরে শতকোটি টাকার শুঁটকি বাণিজ্য, ন্যায্য দাম নিয়ে জেলেদের যত অভিযোগ ◈ সাড়ে পাঁচ বছরে ডলারের বিপরীতে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে টাকা ◈ অনূর্ধ্ব-১৮ মেয়েদের রাগবিতে নতুন দিগন্ত, মহিলা ক্রীড়া সংস্থা-রাগবি ফেডারেশনের চুক্তি ◈ ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব, কিলোমিটারপ্রতি বাসভাড়া বাড়ানোর দাবি পরিবহনমালিকদের ◈ কর্মস্থলে অনুপস্থিতি ও পলায়নের অভিযোগে ৬ পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত

প্রকাশিত : ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৩:৩৬ দুপুর
আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ০৩:৩৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] এখনো অবহেলিত রাজবাড়ী পাংশার যে গ্রাম

সৈকত শতদল: [২] রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানার একটি গ্রামের নাম বসাকুস্টিয়া। এই গ্রামটি রাজবাড়ি জেলা ও ঢাকা বিভাগের শেষ সীমানা, এই গ্রামের থেকেই শুরু কুষ্টিয়া জেলা এবং খুলনা বিভাগের। গ্রামটি জেলার শেষ সীমান্তে হওয়ায় গ্রামের মানুষ অনেক আগে থেকেই অবহেলার স্বীকার হয়ে আসছে।

[৩] যে রাজনৈতিক দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন, তাদের প্রতিনিধিরা শুধু ভোটের সময়ই এই গ্রামে আসে। নির্বাচন শেষ হয়ে গেলে সারা বছরেও তাদের আর দেখা মিলে না। নির্বাচন শেষে জনপ্রতিনিধিদের জীবন মান উন্নয়ন হলেও উন্নতি হয় না গ্রামের মানুষের জীবনমানের।

[৪] গ্রামটির মানুষের জীবন যাত্রার উন্নয়ন আটকে আছে শুধুমাত্র একটা পাকা রাস্তার উপর। যার অভাবে গ্রামের মানুষ তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য সহ যাবতীয় কিছু বাজারজাত করতে শহরে নিতে ব্যর্থ হচ্ছে। গ্রামের স্কুলগামী ছেলে-মেয়েরা বর্ষাকালে স্কুলে যেতে দুর্ভোগের শেষ নেই। ছোট ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসায়ী পণ্য থানা শহরে বিক্রি করতে এবং সেখান থেকে ক্রয়কৃত পণ্য আনতে পোহাচ্ছে অভাবনীয় দুর্ভোগ। আর এই দুর্ভোগ যেন মহামারি আকারে দেখা দেয় বর্ষাকালে। কারণ বর্ষাকালে সামান্য বৃষ্টিতে গ্রামের রাস্তা গুলো হাটু সমান কাঁদাপানিতে ডুবে যায়।

[৫] বসাকুস্টিয়া জামে মসজিদের ইমাম সাহেব বলেন, এই কাদাপানির জন্য গ্রামের মানুষ ঠিক মতো নামাযে আসতে পারে না। বিশেষ করে ছোট বাচ্চারা এবং বৃদ্ধরা নামাজে আসতে পারে না, তাদের জন্য এই কাঁদা মাটির রাস্তায় চলাচল মুশকিল। যদি সরকারের লোকজন একটা পাকা রাস্তা করে দিতো। তাহলে গ্রামের মানুষের খুব উপকার হতো।

[৬] এই ওয়ার্ডের মেম্বার আইনুদ্দিন জানান, আমিও তো চাই গ্রামে একটা পাকা রাস্থা হোক কিন্তু সেটা তো ব্যক্তিগতভাবে করা সম্ভব না। আমি চেষ্টা করছি চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে কিছু করা যায় কিনা।

[৭] এই বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দিলসাদ বেগম বলেন, আমি এখনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে গ্রামটিতে কিভাবে একটা পাকা রাস্তার ব্যবস্থা করা যায় দেখছি। আমি চাই না আমার অধীনে থাকা কোনো গ্রামের মানুষ দুর্ভোগে থাকুক। আমি এই বিষয়ে যতো দ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা নিবো। সম্পাদনা: হ্যাপি

  • সর্বশেষ