প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মাতৃদুগ্ধ দানে বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে প্রথম স্থানে বাংলাদেশ

সুমাইয়া ঐশী: [২] দ্য ওয়ার্ল্ড ব্রেস্টফিডিং ট্রেন্ড ইনিশিয়েটিভ (ডব্লিউবিটিআই) মাতৃদুগ্ধ দানে সবুজ দেশের তালিকাভুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও এই লক্ষ্য পূরণ করেছে শ্রীলঙ্কা। র‌্যাংকিংয়ে ১০০ এর মধ্যে ৯১.৫ পয়েন্ট জিতে বিশ্বের ৯৮টি দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে বাংলাদেশ। তবে বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা ব্যাতিত অন্য কোনো দেশই ডব্লিউবিটিআই এর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি। ইউএনবি

[৩] মোট ১০টি ধাপের নির্দেশনা ও নির্দিষ্ট কিছু নীতির ওপর ভিত্তি করে ডব্লিউবিটিআই বিভিন্ন দেশকে র‌্যাংকিং করার পাশাপাশি লাল, হলুদ, নীল এবং সবুজ রঙের কালার কোডে চিহ্নিত করে থাকে। ২০০৪ সালে শুরু হওয়া ডব্লিউবিটিআই মাতৃদুগ্ধ দানের মাধ্যমে শিশুদের সুস্বাস্থ্য অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে। সংস্থাটি পরিচালিত হয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নেতৃত্বে। ঢাকা ট্রিবিউন

[৪] ডব্লিউবিটিআই এর বৈশ্বিক সম্বয়ক ড. অরুণ গুপ্তা বলেন, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই সম্মানজনক স্থান লাভ করেছে বাংলাদেশ। ১০০ এর মধ্যে ৯১.৫ পয়েন্ট অর্জনের অর্থ হলো, মাতৃদুগ্ধ দান ও শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সর্বোচ্চ উদ্যমের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দ্য ডেইল স্টার

[৫] বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ইউনিসেফের তথ্য বলছে, গর্ভবতী এবং দুগ্ধ দানকারী মায়েদের সুরক্ষায় প্রয়োজন স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ। শিশু জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে এবং ছয়মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের দুধ ব্যাতিত অন্য কোনো খাবার শিশুকে দেয়া যাবে না। এরপর থেকে অন্তত দুই বছর পর্যন্ত মায়ের দুধের সঙ্গে সীমিত পরিমাণে অন্য খাবার খাওয়ানো যেতে পারে। এই কার্যক্রমগুলো মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মুখ্য ভুমিকা পালন করে। আর বিশ্বের অন্যান্য দেশের মধ্যে এসব লক্ষ্যমাত্রা সম্পূর্ণভাবে পূরণ করেছে বাংলাদেশ। সম্পাদনা: মিনহাজুল আবেদীন।

সর্বাধিক পঠিত