শিরোনাম
◈ ইয়াবা পাচারে বদলেছে রুট, বাড়ছে রেল-নৌ ও পাহাড়ি পথের ব্যবহার ◈ বিদেশিবিরোধী উত্তেজনায় আতঙ্কিত দক্ষিণ আফ্রিকার অভিবাসীরা ◈ আর্মব্যান্ড ছাড়াই হামজা নেতা: থমাস ডুলি ◈ তুচ্ছ ঘটনায় বারবার সংঘর্ষে ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ ◈ পাথর নিক্ষেপ ঠেকাতে কক্সবাজারগামী ট্রেনে বসছে সিসি ক্যামেরা ◈ গোয়েন্দা নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য: পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা নাকচ করেনি সৌদি ◈ দফায় দফায় হামলা, ধ্বংসস্তূপ থেকে যেভাবে বেঁচে ফিরলেন মোজতবা খামেনি ◈ ডিমের বাজারে অস্বাভাবিক দাম ও কৃত্রিম সংকট নিয়ে কড়া বার্তা বাণিজ্যমন্ত্রীর, ব্যবসায়ীদের যা বললেন ◈ জার্মানিতে দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য ৬ লাখ ৫০ হাজার চাকরি, আবেদন করতে পারবেন যারা ◈ আকাশসীমার জটিলতা কাটল, ১ অক্টোবর থেকে আসছে রূপপুরের ইউরেনিয়াম

প্রকাশিত : ১৯ আগস্ট, ২০২১, ০৩:৫৬ রাত
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২১, ০৩:৫৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ই–অরেঞ্জের পাঁচজনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

নিউজ ডেস্ক : পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী এই আদেশ দেন বলে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ ও তথ্য বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেন।

যে পাঁচজনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে তাঁরা হলেন ই-অরেঞ্জের সোনিয়া মেহজাবিন ও তাঁর স্বামী মাসুকুর রহমান এবং আমানউল্লাহ, বীথি আক্তার, কাউসার আহমেদ। এঁদের মধ্যে সোনিয়া ও মাসুকুর কারাগারে রয়েছেন। গ্রেপ্তার হয়েছেন আমানউল্লাহ। পলাতক রয়েছেন আসামি বীথি আক্তার ও কাউসার।

এক লাখ গ্রাহকের ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ই–কমার্স প্রতিষ্ঠান ই–অরেঞ্জের বিরুদ্ধে বুধবার গুলশান থানায় মামলা হয়। মামলা দায়েরের পর গতকাল ই–অরেঞ্জের দুই মালিক সোনিয়া মেহজাবিন ও তাঁর স্বামী মাসুকুর রহমান আত্মসমর্পণ করলে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

মামলার বাদী তাহেরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, গত ২৮ এপ্রিলের পর থেকে বিভিন্ন সময় পণ্য ক্রয় করার জন্য ই–অরেঞ্জকে অর্থ প্রদান করেন। নির্দিষ্ট সময়ের পরও তারা পণ্য সরবরাহ করেনি। ওই প্রতিষ্ঠানের অফিসে গিয়ে এ বিষয়ে জানতে চাইলে এগুলো কিছুদিনের মধ্যে সরবরাহ করবে বলে জানানো হয়। কিন্তু তারা পণ্য সরবরাহ না করে প্রায় এক লাখ গ্রাহকের ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে।

মামলার বাদী তাহেরুল ইসলাম দাবি করেন, ই–অরেঞ্জ নামের প্রতিষ্ঠানের কাছে তাঁর পাওনা ১৭ লাখ টাকা। তাঁর মতো আরও প্রায় ১ লাখ গ্রাহক পণ্য কেনার অর্ডার দিয়েও পণ্য পাচ্ছেন না। বারবার ই–অরেঞ্জের অফিসে গিয়ে পণ্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ করলেও প্রতিষ্ঠানটি সাড়া দেয়নি।

তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী মামুনুর রশীদ বলেন, তাঁর মক্কেল সোনিয়া মেহজাবিন ও তাঁর স্বামী মাসুকুর রহমান আগে ই–অরেঞ্জের মালিক ছিলেন। গত জানুয়ারি মাস থেকে তাঁরা এই প্রতিষ্ঠানের মালিক নন। তারপরও তাঁদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।

  • সর্বশেষ