প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আরিফুজ্জামান তুহিন: দীর্ঘ মেয়াদি প্ল্যানের আওতায় সালিমা বাহিনী গড়ে তোলেন

আরিফুজ্জামান তুহিন: তালেবানদের রুখতে করতে আফগানিস্তানের মাওবাদী গেরিলারা দ্রুত অ্যাটাক করতে যাচ্ছে সালিমা মাযারী আফগানিস্তানের ঈযধৎশরহঃ জেলার গভর্নর। আমেরিকা যখন আফগানিস্তান ছেড়ে যাবার ঘোষণা করে তখনই সালিমা তালিবানদের প্রতিরোধে বাহিনী গড়ে তোলার কাজ শুরু করেন। কিন্তু সালিমার হাতে অস্ত্র কেনার টাকা ছিল না। তিনি গণচাঁদা সংগ্রহ করেন। দীর্ঘ মেয়াদি প্ল্যানের আওতায় সালিমা বাহিনী গড়ে তোলেন। গত এক বছরে সালিমারা বাহিনীতে ৬০০ যোদ্ধা যোগ দিয়েছেন। এসব যোদ্ধারা বলছেন, জীবন দিয়ে হলেও তারা তালিবান প্রতিরোধ যুদ্ধে থাকবে। কারণ তালিবানরা তাদের জেলা দখল করে নিলে তাদের কন্যা, স্ত্রী ও বোনদের তালিবনাদের হাতে তুলে দিতে হবে; এটা তারা চান না। আর শরীয়া আইনের নামে তারা তালিবানদের বর্বরতাকেও মেনে নেবেন না।

কীভাবে গেরিলা বাহিনী গড়ে তুলতে হবে তা সালিমা মাযারি আবার ফের সামনে আনলেন। কিন্তু যারা বলেন পার্টি, বাহিনী ও ফ্রন্ট হলো জাদুকরি অস্ত্র সেই মাওবাদীরা আফগানিস্তানে কোথায়? আফগানিস্তানে একটা মাওবাদী পার্টি আছে, তাদের প্রধান নেতা কমরেড জিয়া বয়সজনিত কারণে গত বছর মারা যান। কিন্তু আমি বহু বছর এ পার্টির কোনো অ্যাকশনের কথা শুনিনি। যখন গোটা আফগানিস্তান তালেবানরা দখল করে নিচ্ছে, নারীদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে তালিবানরা, স্কুল বন্ধ করছে, যুবকদের বাধ্য করছে দাঁড়ি রাখতে-তখন সালিমা মাযারীর মত নারী এগিয়ে এসেছেন গেরিলা দল গড়ার। আর আফগানিস্তানের মাওবাদীরা তখন কি করছেন জানেন?

শুনলে আপনাদের সত্যিই হাসি পাবে। তাদের ওয়েব সাইটে দেওয়া সর্বশেষ আপডেটে আফগানিস্তানের মাওবাদী পার্টি যে বিশাল একটা তত্ব দাড় করিয়েছে মূলত গত ১৩ এপ্রিল ইউএস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আফগানিস্তান থেকে সেনা সরানোর বিষয়ে আমেরিকা যে অবিচল তার ওপর। লেখাটি পড়ার পর মহা বিরক্ত হয়েছি। কারণ হলো, সেখানে তালিবানরা রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাকে সাপোর্ট করবে কি করবে না সেটতো মাওবাদীদের বিষয় হতে পারে না। তারা সেখানে কী বিপ্লবের ডিম তা দিচ্ছে? কিন্তু তালেবানরা রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে যে শরীয়া আইন চালু করবে, স্কুল কলেজ বন্ধ করবে, নারীদের শিক্ষা থেকে বাদ দেবে, নারীদেরকে তালিবনাদের শুতে বাধ্য করবে সে বিষয়ে বলেনি। এমন কী তালেবানদের ক্ষমতা দখলের মধ্যে একটা গৃহযুদ্ধ পর্যায় তৈরি হয়েছে, সেই গৃহযুদ্ধের বিবাদ কাজে লাগিয়ে পার্টি তাদের গেরিলা বাহিনী গড়ে তুলবে কিনা সেটাতো বলেনি লেখায় এমন কী সেই খোজও মিলছে না। আফগানিস্তানে গত ২০ বছর ছিল ম্ওাবাদীদের গেরিলা বাহিনী বানানোর সব থেকে ভালো সময়, সেটা তারা পারেনি। এখন গেরিলা সেখানে বানানো আরও সহজ সেটি করার দিকেও তাদের ঝোক আছে জানা যাচ্ছে না। এমন মাওবাদী বাহিনী আফগানিস্তান থেকে বরং নাই হোক, তারা আফগানিস্তান ছেড়ে আমেরিকা চলে যাক। এরকম মাওবাদী বাহিনী কী কমরেড চারু মজুমদার চেয়েছিলেন? ফেসবুক থেকে

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত