শিরোনাম
◈ ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছ থেকে ১২০০ কোটি টাকা ঘুষের অভিযোগ, ‘ইকোনমিক হিটম্যান’ তকমা নিয়ে যা বললেন আশিক চৌধুরী ◈ অ্যাপস ভিত্তিক রাইড পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরির দাবি, মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার ◈ শক্তিশালী হচ্ছে এল নিনো, ডিসেম্বরে চূড়ায় উঠতে পারে; প্রভাব থাকতে পারে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ◈ ‘বাবা, তারা আমাকে আটকে রেখেছে উদ্ধার করো, না হলে ওরা মেরে ফেলবে’—শেষ ফোনের কয়েক ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার ◈ বিশ্বের সেরা দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাকৃবির ১৬ গবেষক ◈ ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভের আগে ভারতজুড়ে কর্মী-সমর্থকদের আটক করা হচ্ছে, ‘আরও মানুষ রাজপথে নামবে’: অভিজিৎ দীপকে ◈ বাংলাদেশে ফ্রি ট্রেড জোন ও রেলভিত্তিক আইসিডিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সেবা চালু নিয়ে উচ্ছ্বাস ইলন মাস্কের, ক্ষোভ ঝারলেন ভারতের ওপর ◈ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটির অনুমোদন, গ্রিডে বিদ্যুৎ আসতে আরও দুই ধাপ ◈ ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি ভাষা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের আহ্বান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের

প্রকাশিত : ১২ আগস্ট, ২০২১, ০২:৪১ রাত
আপডেট : ১৩ আগস্ট, ২০২১, ১১:৪৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বড়শিতে ধরা পড়ল ৭৫ কেজির বিরল রাইমা মাছ

অনলাইন ডেস্ক: প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন সমুদ্র সৈকতে আব্দুর রহমান নামের এক যুবকের বড়শিতে ধরা পড়ছে ৭৫ কেজি ওজনের একটি রাইমা মাছ। পরে মাছটি ৫০ হাজার টাকায় কিনে ভাগ করে নেন স্থানীয়রা।

বুধবার (১১ আগস্ট) বিকেলে সেন্টমার্টিন দ্বীপের উত্তর সৈকতে বিশাল আকৃতির মাছটি ধরেন আব্দুর রহমান। তিনি সেন্টমার্টিন দ্বীপের ডেইল পাড়া বাসিন্দা মো. অলি মাঝির ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, শখের বশে সৈকতের পানিতে বড়শি ফেলেন আব্দুর রহমান। এক পর্যায়ে বিশাল আকৃতির মাছটি বড়শিতে ধরা পড়ে। তিন থেকে চার ঘণ্টা চেষ্টার পর মাছটি শুকনো স্থানে তুলতে সক্ষম হন আব্দুর রহমান। পরে স্থানীয়রা মাছটি ৭৫ হাজার টাকা দরে কিনে ভাগ করে নেন।

আবদুর রহমান বলেন, ‘আমি প্রতিবছরই বড়শি দিয়ে সৈকতে মাছ ধরি। তবে এতদিন এত বড় মাছ পাইনি। মাছটি ডাঙায় তোলার পর এলাকার লোকজন ৫০ হাজার টাকা দরে কিনে ভাগ করে নেয়।’

বিকেলে মাছটি সৈকতের স্থানীয় বাজারে তোলা হলে দেখতে শত শত লোক ভিড় করেন। স্থানীয়রা একে দেশিয় ‘ভোল মাছ’ বলে জানালেও এটি বৈজ্ঞানিক ‘রাইমা মাছ’ ভোলা বলছেন টেকনাফ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, মাছটি বিরল প্রজাতির। তবে এই মাছ ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে সংরক্ষিত। এ মাছ সাধারণত বছরে দুই-একটির দেখা মেলে।

  • সর্বশেষ