প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

তাইওয়ানের কাছে অস্ত্রবিক্রি অনুমোদন করল বাইডেন প্রশাসন

রাশিদ রিয়াজ : গত বছর তাইওয়ানের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ১.৮ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি অনুমোদন করার পর চীন দেশটির বিভিন্ন প্রতিরক্ষা ঠিকাদার ও অস্ত্র তৈরি কোম্পানি লকহিড মার্টিনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। গত বুধবার পেন্টাগনের ডিফেন্স সিকিউরিটি কোঅপারেশন এজেন্সি ঘোষণা করেছে তাইওয়ানের কাছে সাড়ে ৭শ মিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি করা হচ্ছে। এসব অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে কয়েক ডজন ১৫৫ মিলিমিটার এম ওয়ান জিরো নাইন এসিক্স পালাদিন মিডিয়াম সেল্ফ-প্রপেলড হুইটজার সিস্টেম ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশ। এছাড়া ৪০টি মিডিয়াম সেল্ফ-প্রোপেলড হুইটজার সিস্টেম ও ২০টি এম নাইন নাইন টু এ টু ফিল্ড আর্টিলারি এ্যামুউনিশন সাপোর্ট যান, ৫টি এম এইট এইট এ টু হারকিউলিস যান, ৫টি এম টু ক্রিসলার মাউন্ট দশমিক ক্যালিবার মেশিন গান, ১৬৯৮টি মাল্টি-অপশন, প্রিসিসন গাইডেন্স কিটস ও সিঙ্গেল এ্যাডভান্সড ফিল্ড আর্টিলারি ট্যাকটিক্যাল ডাটা সিস্টেম বিক্রি করা হচ্ছে তাইওয়ানের কাছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এসব অস্ত্র বিশেষ করে হুইটজার পেলে তাইওয়ানের অস্ত্র সম্ভার আরো আধুনিক ও ভবিষ্যত হুমকি মোকাবেলায় শক্তি ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। তবে এসব অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাবনা মার্কিন কংগ্রেসের কাছে পর্যালোচনার জন্যে পাঠানো হয়েছে। তাইওয়ানের সঙ্গে অস্ত্র বিক্রি নিয়ে এসব অস্ত্র তৈরির কোম্পানি বিএই সিস্টেম আলোচনা বসবে। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র বিক্রির বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়ে বাইডেন প্রশাসনের অগ্রগতির প্রশংসা করে, টুইটারে বলেছে ওয়াশিংটনের এ সিদ্ধান্ত দেশটিকে শক্তিশালী আত্মরক্ষা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সক্ষম করবে। তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাবনাটি দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ও প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতা হিসাবে এসেছে – পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে শান্তি নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করার জন্য এ প্রতিশ্রুতি ১৯৭৯ সালে করা চুক্তির অঙ্গীকার।

তবে তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নেবেনা চীন। ‘এক চীন নীতি’ অনুযায়ী, বেইজিং বলছে যে তাইওয়ান তার প্রদেশ, এবং যারা তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রয় করে তাদের বেইজিংয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে। প্রতিরক্ষা খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাইওয়ানের সহযোগিতা নিয়ে চীন বিশেষভাবে অস্বস্তিতে রয়েছে। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ক্রমশ উদ্বিগ্ন এবং সেখানে তার উপস্থিতি বাড়ানোর চেষ্টা করছে। গত জুন মাসে, পশ্চিমা মিডিয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয় মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ প্রশান্ত মহাসাগরে স্থায়ী নৌ টাস্ক ফোর্স মোতায়েন করার কথা ভাবছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত