শিরোনাম
◈ বাহরাইনের মার্কিন বিমানঘাঁটিতে বড় ধরনের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান ◈ ইকোপার্কের জঙ্গলে গলাকাটা অবস্থায় হাঁটা শিশুটি মারা গেছে ◈ সিড‌নি‌তে সন্ধ‌্যায় নারী এ‌শিয়ান কা‌পে চীনের মু‌খোমু‌খি বাংলা‌দেশ  ◈ বিশ্বকাপ ব্যর্থতায় ‘আর্থিক জরিমানা’ ‌দি‌তে হ‌বে পাকিস্তান ক্রিকেটারদের ◈ ইরানের যুদ্ধে ইংল‌্যান্ড, ফ্রান্স ও চীনসহ ক্ষমতাধর দেশগুলোর কার কী অবস্থান? ◈ মানবতাবিরোধী অভিযোগে সালমান ও আনিসুলের মামলায় আজ দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ ◈ আজ সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা ◈ নারী এশিয়ান কাপে ইরান দ‌ক্ষিণ কো‌রিয়ার কা‌ছে হে‌রে গে‌লেও জয় কর‌লো মানুষের মন ◈ কুমিল্লা বিসিকের সেমাই রপ্তানি হচ্ছে ভারত ও মধ্যপ্রাচ্যে ◈ এপস্টেইন নথিতে স্টিফেন হকিংয়ের ছবি প্রকাশ, অনৈতিকতার অভিযোগ নাকচ পরিবারের

প্রকাশিত : ২৭ জুলাই, ২০২১, ০৬:৪৭ বিকাল
আপডেট : ২৭ জুলাই, ২০২১, ০৬:৪৭ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভেড়ামারায় বিষমুক্ত সবজি কচু চাষে আগ্রহী চাষিরা

ইসমাইল হোসেন: লাভজনক সবজি হিসেবে কচু চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার কৃষকরা। কচু চাষে খরচ কম কিন্তু লাভ অনেক বেশি হয়। রোগ বালাই নেই বললেই চলে। তাই কীটনাশক ব্যবহার করতে হয় না। বিষমুক্ত সবজি হিসেবে দিন দিন এর চাহিদাও বাড়ছে। তাই ভেড়ামারায়া বিষমুক্ত সবজি কচু চাষে আগহী চাষিরা।

ভেড়ামারা উপজেলা কৃষি অফিস শায়েখুল ইসলাম জানায়, এ মৌসুমে ২০০ হেক্টর জমিতে কচু চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৫০ হেক্টর বেশি। মুখি কচু, লতি কচু, ওল কচু ও পানি কচু এ উপজেলায় বেশি পরিমাণে চাষ হয়। কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষক-কৃষাণী পর্যায়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও প্রদর্শনীর মাধ্যমে এ উপজেলার কৃষকদের কচু চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ভালো মানের বীজ ও সার সরবরাহ করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শায়েখুল ইসলাম বলেন, ধানের চেয়ে কচু চাষ অনেক লাভজনক। রোগ বালাই কম। তাই কীটনাশক কম লাগে। কচু চাষে ঝুঁকিও কম। কচুর পুষ্টিগুণ অনেক বেশি। কচুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ ও আয়রন থাকে।

কৃষি অফিস সূত্রে জানায়, এক বিঘা জমিতে কৃষকের কচু চাষ করতে খরচ হয় ১৬ থেকে ১৮ হাজার টাকা। নিয়মিত পরিচর্চা করলে আয় হবে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার টাকা। কচু রোপণের দুই থেকে আড়াই মাস পর থেকেই আয় শুরু হয়। ৪-৫ মাস নিয়মিত আয় করা সম্ভব। কচুর লতি ২-৩ মাস পর থেকেই বিক্রির উপযোগী হয়। প্রতি কেজি কচুর লতি ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রয় হয়। এক বিঘা জমি থেকে সপ্তাহে আড়াই থেকে তিন মণ লতি বিক্রয় করা সম্ভব।এক বিঘাতে মুখি কচুর ফলন হয় ৯০ থেকে ১০০ মণ। আর পানি কচুর ফলন হয় তিন থেকে চার হাজার টি।

গোলাপ নগর কৃষক আলিম জানান, তিনি ১৫ কাঠা জমিতে কচু চাষ করেছেন। লাগানোর আড়াই মাস পর থেকে কচুর লতি হাটে বিক্রয় করা শুরু করেছেন। খরচ হবে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা। লতি এবং কচু বিক্রয় করে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা আয় করার আশা তার।

জুনিয়াদহ গ্রামের কৃষক সাইদুল জানান, তিনি আগে ঢেঁড়স আবাদ করতেন। কিন্তু কচুতে লাভ অনেক বেশি। তাই তিনি তার এক বিঘা জমিতে কচু চাষ করেছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শায়েখুল ইসলাম বলেন, বেলে দোআঁশ মাটিতে কচু চাষ খুব ভালো হয়। এ উপজেলার মাটি কচু চাষের জন্য উপযোগী। কচুর লতির চাহিদা দেশে ও বিদেশে ব্যাপক হারে বাড়ছে। তাই নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষকদের কচু চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। পাশাপাশি কচুর একটি পাইকারী বাজার তৈরির চেষ্টা চলছে। যাতে কৃষক তাদের উৎপাদিত কচু জমি থেকেই ভালো দামে বিক্রয় করতে পারেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়