প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] দেশে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে, অর্থনীতিবিদদের শঙ্কা আরো বাড়বে

বিশ্বজিৎ দত্ত: [২] দেশে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। গত জুন মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৫.৬৪ শতাংশ ৮ মাসের মধ্যে এটি সবচেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতি। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মূল্যবৃদ্ধির দিক থেকে বাংলাদেশ এখন দ্বিতীয়। সবচেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতি এখন পাকিস্তানে। সেখানে গড় মূল্য স্ফীতি ৯.১ শতাংশ। আর সবচেয়ে কম মূল্যস্ফীতি ভারতে। গত জুনে ভারতে মূল্যস্ফীতি ছিল ৪.৮৯ শতাংশ।

[৩] বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে, ২০২০ সালের অক্টোবরে গত ১০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতি ছিল। সেই সময় গড় মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৬.৪৪ শতাংশ। ২০২১ সালের মে মাসে দেশের মূল্যস্ফীতি ছিল ৫.২৬ শতাংশ। কিন্তু জুলাই থেকে খাদ্য ও খাদ্য বর্হিভূত উভয় ক্ষেত্রেই দেশে মূল্য বেড়েছে। জুলাইতে খাদ্যমূল্যস্ফীতি বেড়েছে ৫.৪৫ শতাংশ। খাদ্যবর্হিভূত মূল্য বেড়েছে ৫.৯৪ শতাংশ।
জুলাইয়ের মূল্য বৃদ্ধির কারণ হিসাবে অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, চাল, ভোজ্যতেল ও নিত্য পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির জন্য সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে। এটি আগামীতে আরো বাড়বে বলেই তারা মনে করেন।

[৪] এ বিষয়ে অর্থনীতিবিদ আমিনুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক বাজরে অর্থ ছেড়েছে। দেশে ক্রমাগত রেমিটেন্স বাড়ছে।ঈদের আগে ও পরে বাজারে মূদ্রার যোগান বৃদ্ধি পায়। আবার আন্তর্জাতিক বাজারেও পণ্যের মূল্য বেড়েছে। সব মিলিয়ে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। বিশেষ করে চাল ও তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে খাদ্যমূল্য বেড়েছে। তিনি মনে করেন আগামীতে মূল্যস্ফীতি আরো বাড়বে। তার মতে চালের মূল্য সরকার কোন ভাবেই কমাতে পারেনি। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি ও ভোজ্য তেলের মূল্য কমার কোন সম্ভাবনা নাই। আর্থিক প্রণোদণার মাধ্যমে সরকার আরো ঋণ প্রদান করবে। কোভিডের কারনে কৃষি উৎপাদন হ্রাস পাবে। অন্যদিকে মানুষের আয় কমে গেছে। আর আয় কমে যাওয়ায় বাাজরে প্রতিযোগীতাও কমে যাবে। এরফলে বেসরকারিখাতে একদফা বেতন বৃদ্ধিও করতে হতে পারে। সব মিলিয়ে সরকার বাজেটের যে মূল্যস্ফীতির অংক রেখেছে অর্থাৎ ৫ থেকে সাড়ে ৫এর মধ্যে এটি রাখতে পারবে না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত