প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নির্মাতার মেধাকে অতিক্রম করা হলে সাফল্য আসে কদাচিৎ

ইমরুল শাহেদ: চলচ্চিত্র নির্মাণে আগে শিল্পী-কলা-কুশলী নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রধান তারকারা নানাভাবে হস্তক্ষেপ করতেন বলে শোনা যেত। তারকার পছন্দের নায়িকাকে নিতে বা নায়ককে নিতে হবে। ক্যামেরাম্যান এবং মেইকআপ ম্যানও তারকাদের পছন্দের হতে হবে। একটি ইউনিট বানাতে গেলে এভাবে নাকানি-চুবানি খেতে খেতে প্রযোজক ও পরিচালককে এগুতে হতো। তারপর যা উৎপাদন হয় তাতে প্রযোজক ও পরিচালকের ইমেইজ অনেকখানি খাটো হয়ে আসে। অমুক নায়ক থাকলে অমুক নায়িকাকে নিতে হবে এমনটা হবে কেন? ছবির গল্প ও চরিত্র অনুসারে শিল্পী নির্বাচনের কোনো সুযোগ দেওয়া হয়নি। তাতে চরিত্র ও গল্পের ক্ষতি যতটুকু হওয়ার হয়ে গেছে।

টিভি নাটক পরিচালক নিহাজ খান বলেন, ‘সেলিব্রিটিদের নিয়ে নাটক বানানো এখন একটা দুরুহ কাজ। তারা নানা ধরনের উপদেশ-পরামর্শ দিতে থাকেন। আমি দীর্ঘদিন একটি গল্প নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করলাম। তারপর গল্পটিকে নাট্য সূত্র অনুসারে নাট্যরুপও দিলাম। ট্রিটমেন্ট ঠিক করলাম। কিন্তু একজন সেলিব্রিটি শুটিং করতে এসে বললো গল্পের কিছু উপাদান বদলে ফেলতে হবে। কেন সেটা মেনে নিতে হবে? কিন্তু আমাদের মধ্যে কিছু পরিচালক আছেন, যারা সেলিব্রিটিদের বক্তব্যকে প্রাধান্য দিয়ে তাদের কাজগুলো নষ্ট করায় অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন।

তাদের কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে আমাদেরকেও। এজন্য নাটকের মানও কমে যাচ্ছে।’ তিনি কথা প্রসঙ্গে উল্লেখ করেন, টিভি চ্যানেলগুলো তারকাদের নাম সুনির্দিষ্ট করে দেন। যাদের কাছে সংশ্লিষ্ট তারকাদের শিডিউল আছে তারা কাজ পান। আর যাদের কাছে তারকার শিডিউল নেই তারা হয় বেকার থাকেন, নয় প্রযোজক খুঁজে নিয়ে প্রচারের অনিশ্চয়তা নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। সেক্ষেত্রে তাদের জন্য ভরসা হয়ে উঠেছে ইউটিউব। এভাবে তারকারা টিভি পর্দা থেকে সরে ইন্টারনেট নির্ভর মাধ্যম ইউটিউব তারকা হয়ে উঠছেন। একজন টিভি তারকা এ রিপোর্টারকে রসিকতা করে বলেন, নাটকটি কোথায় প্রচার হচ্ছে বা আদৌ প্রচার হচ্ছে কিনা তা নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। কাজের বিনিময়ে তারা নগদ পারিশ্রমিক পেয়েছেন সেটাই যথেষ্ট।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত