শিরোনাম
◈ ভারতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগেও শেষ হচ্ছে না আন্দোলন, একাধিক নতুন দাবি ◈ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি থাকবেন স্পিকারের বাসভবনে, অফিস বঙ্গভবনে ◈ দেশে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ শনাক্ত ৬৯১ ◈ আন্দোলনের মুখে অবশেষে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ◈ পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে দলের উচ্চপর্যায়ে: রিজভী ◈ রান্না করা মাংস কেন সবুজ হলো? ব্যাখ্যা দিলেন খাদ্য নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ◈ রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে মামলা হলে করণীয় কী জানালেন আইনমন্ত্রী (ভিডিও)  ◈ জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছাড়ল খেলাফত মজলিস ◈ মেধাভিত্তিক প্রজন্ম গড়ে প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ বিনামূল্যে ফেসবুক ভেরিফায়েড ব্যাজ, চালু হচ্ছে মেটার নতুন সুবিধা

প্রকাশিত : ১৫ জুলাই, ২০২১, ০১:৫০ রাত
আপডেট : ১৫ জুলাই, ২০২১, ০১:৫১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সোনাইমুড়ীতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের নির্মিত ঘরগুলোতে দুষ্কৃতিকারীদের হামলা

মাহবুবুর রহমান: [২] নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় আশ্রয়ণ প্রকল্পে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে বরাদ্দকৃত ঘরগুলোতে দুষ্কৃতকারীদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ৫০টি ঘরের মধ্যে ৫টি ঘরের দরজা-জানালাসহ প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা যায় ।

[৩] বুধবার ঘর ভাঙচুর ও মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন।

[৪] তিনি বলেন, বজরা ইউনিয়ন ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা এ কে এম আজাদ (৫৩) বাদী হয়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে বরাদ্দকৃত বাড়ি-ঘরে হামলার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। এই আশ্রয়ণ কেন্দ্রের ভূমি নিয়ে বিরোধ দীর্ঘদিনের। এর আগেও ভূমি বিরোধ নিয়ে মামলা হয়েছে৷ আমরা এই বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

[৫] খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বজরা ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামে নির্মিত আশ্রয়ণ প্রকল্পে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ৫টি ঘরের দরজা জানালা ভেঙ্গে ফেলা হয়, ৬টি টয়লেটের স্লেপ ও ঘর গুলোর ৮টি পিলারে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে ক্ষতিসাধন করা হয়। অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা ৬টি টয়লেটের স্লেপ চুরি করে নিয়ে যায়। সব মিলিয়ে প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন হয়।

[৬] সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফজলুর রহমান বলেন, মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপজেলার বজরা ইউনিয়নের বদরপুর গ্রামে নির্মিত আশ্রয়ণ প্রকল্পে এ হামলা সত্যিই নিন্দনীয়। যারা এ কাজ করেছেন তারা সরকারের সুনাম নষ্ট করতে করেছেন। এবিষয়ে থানায় একটি এজাহার দাখিল করা হয়েছে। হামলায় ক্ষতিসমূহ সারিয়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

[৭] এবিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান বলেন, হামলা ও ভাংচুরের ক্ষবর পেয়ে আমি গতকাল ১৩ জুলাই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। কিছু দুষ্কৃতকারীরা এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পেয়েছি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়