শিরোনাম
◈ কলকাতার আনন্দপুরে মোমো গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: উদ্ধার একাধিক দেহাংশ, ২০ শ্রমিক নিখোঁজ ◈ রাজশাহী বিভাগে অর্ধেকের বেশি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ: শীর্ষে বগুড়া ও রাজশাহী ◈ বাড়িতে চলছে সংস্কারের কাজ, তবে কি দেশে ফিরছেন সাকিব ◈ বিশ্বকাপ ইস্যুতে অবশেষে নীরবতা ভাঙল বিসিসিআই ◈ প্রবাসীদের হাত ধরে বিদেশি বিনিয়োগ এলে মিলবে নগদ প্রণোদনা ◈ ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল বাদ, মিরসরাইয়ে অস্ত্র বানাবে বাংলাদেশ ◈ বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করল আইসিসি ◈ বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে স্বর্ণের দামে রেকর্ড বৃদ্ধি, ভরিতে বাড়ল ৫ হাজার ২৪৯ টাকা ◈ আদানির বিদ্যুৎ চুক্তি: ভারতীয় করপোরেট করের বোঝাও চাপানো হয়েছে বাংলাদেশের ওপর ◈ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি

প্রকাশিত : ১২ জুলাই, ২০২১, ০৬:২৭ বিকাল
আপডেট : ১২ জুলাই, ২০২১, ০৬:২৭ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] স্রেব্রেনিৎসা গণহত্যা থেকে বেঁচে ফেরা ব্যক্তি বললেন, পৃথিবীকে এরকম আরো ঘটনা দেখতে হবে

সাকিবুল আলম: [২] ১৯৯২ থেকে ১৯৯৫ সালের মধ্যে সার্ব বাহিনী আট হাজারেরও বেশি বসনিয়াক মুসলমান পুরুষ ও শিশুকে কয়েকদিনের ব্যবধানে হত্যা করেছিলো। আল জাজিরা

[৩] স্রেব্রেনিৎসা গণহত্যা থেকে বেঁচে ফেরা ভাহিদ সালজিক নামের একজন ব্যক্তি আল জাজিরাকে বলেন, সার্বরা যদি এ নৃশংস গণহত্যা ও জাতিগত সহিসংতার দায় স্বীকার না করে, এর সুষ্ঠু বিচার না করে, তাহলে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে। রয়টার্স

[৪] ১৯৯২ সাল থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত সময়ে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার মুসলমানরা সার্ব এবং ক্রোয়েশিয়ার সেনাবাহিনীর ক্রমাগত আক্রমণের স্বীকার হয়েছিলো। তারা দেশটিকে বৃহত্তর সার্বিয়া ও বৃহত্তর ক্রোয়েশিয়ার অংশ করতে চেয়েছিলো। ১৯৯২ সালের বসন্তে বসনিয়ার সার্ব জাতিভুক্ত বাহিনী, ননসার্বদের ওপর আক্রমণ শুরু করে। জাতিগত নির্মূলের উদ্দেশ্যেই এ আক্রমণ চালানো হয়। সম্পাদনা: আসিফুজ্জামান পৃথিল

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়