প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] পরিত্যক্ত ১২টি বিমান কেজি দরে বিক্রি হবে, বিমানগুলো উন্নয়ন কাজে বাধার সৃষ্টি করছে!

আব্দুল্লাহ মামুন: [২] ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে কয়েকটি বিমান। এসব পরিত্যক্ত বিমানের কারণে কার্গোর মাল ওঠানামায় সমস্যা হচ্ছে। তাই জায়গা খালি করতে এবার বিমানগুলো নিলামে তুলবে বেবিচক। আর নিলামে কাঙ্ক্ষিত মূল্য না পেলে কেজি দরে বিক্রির কথাও জানায় সংস্থাটি। সময়টিভি।

[৩] বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানায়, বর্তমানে বিমানবন্দরে মোট ১২টি এয়ারক্রাফট পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। এর মধ্যে ১০টিই গত ৮ বছর ধরে কার্গো ভিলেজের জায়গা দখল করে আছে। জায়গা খালি করতে দীর্ঘদিন ধরে উপায় খুঁজছিল বেবিচক। সবশেষ এ বিষয়ে গঠিত ৪ সদস্যের কমিটি প্লেনগুলো নিলাম করার সুপারিশ করেছে। ঢাকা পোস্ট।

[৪] হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রæপ ক্যাপ্টেন এইচএম তৌহিদুল আহসান বলেন, বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ কাজের জন্য এর বিভিন্ন জায়গায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে উত্তর দিকে নতুন করে ট্যাক্সিওয়ে নির্মাণ করা হয়। বিমানবন্দরের মূল পার্কিং জোনে আমদানি-রপ্তানির মালপত্র উড়োজাহাজে ওঠানো-নামানো হয়। এতে যাত্রীবাহী উড়োজাহাজগুলোকে পার্কিংয়ের জায়গা দিতে সংকটে পড়তে হয়।

[৫] তিনি আরও বলেন অন্যদিকে, বিমানবন্দরের উত্তর দিকে রপ্তানি কার্গো ভিলেজের সামনে পরিত্যক্ত উড়োজাহাজগুলো সরাতে পারলে কমপক্ষে ছয়টি কার্গো উড়োজাহাজকে পার্কিংয়ের জায়গা দেওয়া সম্ভব হবে। তবে বছরের পর বছর বেবিচক চিঠি দিলেও পরিত্যক্ত উড়োজাহাজগুলো সরাতে কোনো উদ্যোগ নেননি সংশ্নিষ্ট এয়ারলাইন্স মালিকরা। ফলে এসব উড়োজাহাজের রেজিস্ট্রেশন কার্যকর থাকায় আইনগত পদক্ষেপ নিয়ে নিলামে অথবা কেজি দরে বিক্রির পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

[৬] বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান সমকালকে বলেন, বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ কাজ চলছে। এ কারণে পরিত্যক্ত এসব উড়োজাহাজের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এরই মধ্যে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সমকাল।

সর্বাধিক পঠিত