শিরোনাম
◈ তৃতীয় দফায় মিসাইল ছুড়ল ইরান, ইসরায়েলজুড়ে বাজলো সাইরেন ◈ জ্বালানি সংকট সামাল দিতে দ্বিগুণ দামে এলএনজি কিনল সরকার ◈ উপসাগরে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা: ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া  ◈ জ্বালানি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স—যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ছে অর্থনৈতিক ঝুঁকি ◈ ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া ◈ জ্বালানি তেল পাচার রোধে বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির নিরাপত্তা জোরদার ◈ আমার ফ্ল্যাট থেকে কয়েক কদম দূরেই ‘যমুনা’, যেখানে ঘটেছে অসংখ্য নাটকীয় ঘটনা: শফিকুল আলম ◈ ঈদকে সামনে রেখে এলিফ্যান্ট রোড ও নিউমার্কেটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ◈ ইরান–সংঘাত থামাতে কিছু দেশের মধ্যস্থতার চেষ্টা: পেজেশকিয়ান ◈ জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে আতঙ্ক, যে বার্তা দিলেন জ্বালানিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১০ জুলাই, ২০২১, ১১:০৮ দুপুর
আপডেট : ১০ জুলাই, ২০২১, ০১:৪৮ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বিধিনিষেধের ১০ম দিন: গরিব, শ্রমজীবী ও অসচেতন মানুষকেই করা হচ্ছে গ্রেপ্তার ও জরিমানা

আব্দুল্লাহ মামুন: [২] বিশ্বজুড়ে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ কোটি ৬৮ লাখ ছাড়িয়েছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। গত ১ জুলাই থেকে ঢাকাসহ সারা দেশে কঠোর লকডাউন শুরু হয়। শেষ হবে ১৪ জুলাই। করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় এই কঠোর লকডাউনে যায় প্রশাসন৷

[৩] এরইমধ্যে ২৪ ঘন্টায় মৃতু ২০০ ছাড়িয়েছে৷ এই পরস্থিতিতে টেকনিক্যাল কমিটি এই লকডাউনের পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে৷ তারা নতুনভাবে কার্ফু জারির সুপারিশ করেছে৷

[৪] লকডাউন কার্যকর করতে চার ধরনের আইন ব্যবহার করা হচ্ছে৷ সংক্রামক ব্যাধি আইন, মোটর যান আইন, ডিএমপি অ্যাক্ট এবং মোবাইল কোর্ট।সেনা, পুলিশ ও র‌্যাবের সাথে ৫০টিরও বেশি মোবাইল কোর্ট কাজ করছে৷ আর রাজধানীর প্রবেশ পথ ছাড়াও শহর জুড়ে শতাধিক চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে৷

[৫] লকডাউনের নবম দিন পর্যন্ত নির্দেশ অমান্য করে বাইরে বের হওয়ার অভিযোগে মোট চার হাজার ৩৬৭ জনকে জরিমানা করা হয়েছে৷ আটক করা হয়েছে পাঁচ হাজার ৬৭৪ জনকে৷ এই সময়ে জরিমানা করা হয়েছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। শতাধিক প্রতিষ্ঠানকেও জরিমানা করা হয়েছে৷

[৬] যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের অধিকাংশই গরিব ও খেটে খাওয়া মানুষ। তারাও আদালত থেকে জরিমানা দিয়ে ছাড়া পাচ্ছেন৷ তাদেরকে আদালত সর্বোচ্চ ১০০ টাকা জরিমানা করছে৷

[৭] নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আব্দুল আউয়াল বলেন, যাদের আটক করা হচ্ছে তাদের বড় একটি অংশ মাস্ক না পরে বিনা কারণে বাইরে বের হন৷ এতো কড়াকড়ির পরও তারা মাস্ক ব্যবহার করতে চান না৷ সব শ্রেণির মানুষের মধ্যেই এই প্রবণতা৷ তাদের কোনো ভাবেই সচেতন করা যাচ্ছে না। ডয়চে ভেলে।

[৮] এই লকডাউনে জরুরি সেবা ও রিকশা চালু আছে৷ কিন্তু যারা শ্রমজীবী মানুষ দিন আনে দিন খান তাদের কোনো উপায় নেই৷ বিশেষ করে ভাসমান মানুষ এবং দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে যারা কাজ করেন তারা অসহায় অবস্থার মধ্যে আছেন৷ আর যারা ক্ষুদ্র ও ভাসমান দেকানদার তারাও বিপাকে আছেন৷ ৩৩৩- তেও ফোন করে তারা সহায়তা পাচ্ছেন না৷ আবার অনেকে জানেনই না যে ওই নাম্বারে ফোন করলে সহায়তা পাওয়া যায়৷ তারাই মূলত কাজের জন্য বা সহায়তার জন্য বাইরে বের হয়ে জরিমানা ও গ্রেপ্তারের মুখোমুখি হচ্ছেন৷ সম্পাদনা : রাশিদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়