শিরোনাম
◈ এক বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ব্যবস্থা চায় বিএনপি ◈ সিম বদল, বাসা বদল, চেহারা পরিবর্তন: আট মাস যেভাবে পালিয়ে ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন ◈ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে বিদেশিদের ভিসা প্রদানে বিশেষ নির্দেশনা জারি ◈ মানিকগঞ্জে হাসপাতালে গৃহবধূকে ধর্ষণ, কারাগারে ২ আনসার সদস্য (ভিডিও) ◈ মৃত্যুদণ্ডাদেশের রায়ে ট্রাইব্যুনাল: শেখ হাসিনা খুব সহজেই আন্দোলনের অবসান ঘটাতে পারতেন  ◈ পুলিশকে কুপিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল হামলাকারীরা, আহত ৫ পুলিশ সদস্য ◈ রিকশা–ভ্যান–অটোচালকদের কষ্টের কথা শুনলেন তারেক রহমান ◈ ‘সহায়তা আসছে, বিক্ষোভ চালিয়ে যান,’ ইরানিদের উদ্দেশ্যে বললেন ট্রাম্প ◈ নির্বাচন ও গুম তদন্ত ইস্যুতে জাতিসংঘের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার আলোচনা, চাইলেন সহায়তা ◈ বুধবার ঢাকায় আসছে ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফি

প্রকাশিত : ০৯ জুলাই, ২০২১, ০৪:১৬ দুপুর
আপডেট : ০৯ জুলাই, ২০২১, ০৪:১৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] গোয়ালন্দে কঠোর লকডাউনে দিশেহারা শ্রমজীবী মানুষ, পুঁজি সংকটে ব্যবসায়ীরা

কামাল হোসেন: [২] মহামারী করোনার ভয়াল ধাবায় ২০২০ সালের মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে করোনা সংক্রমন রোধে লকডাউন, কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার।

[৩] এতে বিপাকে পড়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রবেশদ্বার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দিন আনা, দিন খাওয়া রিক্সা অটোরিক্সা চালক, পরিবহন শ্রমিক, হোটেল শ্রমিক, হকার, সেলুন মালিক ও শ্রমিক, কুলি, মজুর, প্রতিবন্ধী, ভিক্ষুক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার শ্রমজীবী মানুষ।

[৪] চলমান সর্বাত্মক লকডাউন প্রভাবে লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট, টার্মিনাল, নিকটস্থ বাজার এলাকা ও রেলস্টেশন এলাকায় বিরাজ করছে শুনশান নিরবতা। অতি জরুরী কিছু যানবাহন ছাড়া ফেরিতে নেই তেমন কোন পারাপার , নেই মানুষের আনাগোনা, হকারদের হাঁকডাক।

[৫] কাজ না থাকায় ও দোকান পাট বন্ধ থাকায় অভাব আর অনটনে পবিারের সদস্যদের নিয়ে পার করছেন দূর্বিষহ জীবন। কারো সংসার চলছে অনাহারে অর্ধাহারে, কেউবা জমানো টাকায়, আবার কেউ কেউ ভেঙে খাচ্ছেন ব্যবসার মূলধন।

[৬] দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট এলাকার চা দোকানী মিন্টু মিয়া বলেন, এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে এই চা দোকানটা করেছি। এই দোকানটাই আমার আয় রোজগারের একমাত্র সম্বল। লকডাউনে দোকানটি বন্ধ থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে না খেয়ে ধাকার ব্যবস্থা হয়েছে। কিস্তির চিন্তা তো রয়েছেই।

[৭] দৌলতদিয়া রেল স্টেশন এলাকার হোটেল কর্মচারি ফজলু মৃধা বলেন, বাবারে লকডাউনে সব বন্ধ খাকলেও পেট তো আর বন্ধ থাকে না , হোটেলে কাজ করেন যা পাই তা দিয়ে সংসার চালানোও দায়। তার উপর আবার লকডাউনে সব বন্ধ। শুনি সরকার কত কিছু দেয় কিন্তু আমরা তো কিছুই পাই না।

[৮] গোয়ালন্দ বাসস্ট্যান্ড এলাকার ক্ষুদ্র পার্স ব্যবসায়ী মো. নবু সরদার, গত কয়েকবারের লকডাউনের ক্ষতি পুশিয়ে উঠতে না উঠতেই আবার কঠোর লকডাউন। সংসার চালাতে গিয়ে পুঁজি ভেঙ্গে খাচ্ছি। মুলধন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে কিছুই করার নেই। তার উপর আছে কিস্তির জ্বালা। সরকারের সহযোগিতা না পেলে বেঁচে থাকাটাই দ্বায় হয়ে পড়বে।

[৯] এ প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আজিজুল হক খান মামুন বলেন, সরকারের ভিজিডি-ভিজিএফের মতো নিয়মিত খাদ্য সহায়তা চলমান রয়েছে। পাশাপাশি করোনার কারণে আমরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে তালিকা তৈরি করে বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌছে দিচ্ছি। এ ছাড়াও ৩৩৩ নাম্বারে ফোন করে কেউ সহায়তা চাইলে সেখানে দ্রুত সহায়তা পৌছে দেয়া হচ্ছে। এর পরেও যদি কেউ কষ্টে থাকে সেক্ষেত্রে তথ্য দিয়ে জানানোর জন্য সকলকে অনুরোধ জানান তিনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়