শিরোনাম
◈ রফতানিতে ধাক্কা, কারখানায় আগুন: কতটা ক্ষতিগ্রস্ত পোশাকশিল্প? ◈ পর্যাপ্ত মজুতের পরও সার নিয়ে বিপাকে কৃষকরা ◈ সাজেকে ১৪ দিনের অবরোধে চরম খাদ্যসংকট, পর্যটন ও পরিবহন খাতে শতকোটি টাকার ক্ষতির শঙ্কা: সমাধান করবে কে? ◈ শ্রমিক আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ ◈ জিগাতলায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১৮৪ ফ্ল্যাট নির্মাণের উদ্যোগ ◈ গাছতলায় ফেলে যাওয়ার ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ, ৯৫ বছরের বাবাকে বাড়িতে নিলেন বড় ছেলে ◈ কিশোরগঞ্জে জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ছেলেকে ছুরিকাঘাত ◈ ১২ দেশে কর্মী পাঠাতে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক, ছাড়পত্রে সরকারের কঠোর নির্দেশনা ◈ ৭ নভেম্বরের শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পায়ে হেঁটে মানিকমিয়া এভিনিউ পর্যন্ত যাবেন ◈ জানুয়া‌রি‌তে বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ?

প্রকাশিত : ০১ জুলাই, ২০২১, ০১:৪৬ দুপুর
আপডেট : ০১ জুলাই, ২০২১, ০১:৪৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] জাতিসংঘভিত্তিক বৈশ্বিক কূটনীতিতে বড় ধরণের দ্বিধা তৈরি করেছে রোহিঙ্গা সংকট

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২]এই সমস্যা সমাধান ছাড়া মিয়ানমারে শান্তি ও গণতন্ত্র আনা কার্যত সম্ভব নয়: মর্ডান ডিপ্লোমেসি। [৩] সম্প্রতি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মিয়ানমারের পরিস্থিতি শিরোনামে একটি রেজ্যুলেশন পাস হয়েছে। ১১৯টি দেশ এরপক্ষে ভোট দিয়েছে। বিপক্ষে ভোট এসেছে একটি। ৩৬টি দেশ ভোটদানে বিরত ছিলো। এই ৩৬টি দেশের একটি বড় অংশ ওআইসির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তারা ভোট দেননি কারণ এই রেজ্যুলেশনে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে একটি শব্দও ছিলো না।

[৪] বাংলাদেশের ভোট না দেওয়া নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠছে। কিন্তু বাংলাদেশ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে কোনও কার্যকর কর্মপদ্ধতি না থাকলে তারা এই ধরণের রেজ্যুলেশনের পক্ষে থাকবে না। ৩৭টি দেশ ভেটে উপস্থিতই ছিলো না। এগুলো অবশ্য অধিকাংশই আফ্রিকান দেশ, যাদের সঙ্গে মিয়ানমারের ভূ-অর্থনৈতিক সম্পর্ক ক্ষীণ।

[৫] কিন্তু বাংলাদেশ ছাড়াও এতে ভোট দেয়নি ওআইসি’র সদস্য আলজেরিয়া, মিসর, তুরস্ক, পাকিস্তান, সৌদি আরব ও আরব আমিরাত। ভোট দেয়নি আসিয়ান ও সার্কের সদস্য থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, লাওস, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কাও। ভোট দেয়নি রাশিয়া ও চীনও। এই দেশগুলোর আলাদা রাজনৈতিক স্বার্থ আছে। তবে বাংলাদেশ ও ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর প্রধান স্বার্থ রোহিঙ্গা ইস্যুতে।

[৬] মিয়ানমারে স্থিতিমরিতা বাংলাদেশের জন্য খুবই জরুরী। বাংলাপেিদশ সেটি চায়ও। তবে রোহিঙ্গা সমস্যাকে পাশ কাটিয়ে নয়। বাংলাদেশের দাবি অত্যন্ত শক্তিশালী। চাইলেও এই দাবিকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা নেই জাতিসংঘের।

[৭] তুরস্কের প্রতিনীধি ও সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্ট এই ব্যাপারে বলেছেন, এটি কোনওভাবেই শুধু মিয়ানমারের বাসিন্দাদের একক সমস্যা নয়। বাংলাদেশে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নেওয়ায় দেশটিকে এক অন্ধকার সময় পার করতে হচ্ছে। তাই বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে কোনওভাবেই মিয়ানমারে শান্তি আনা সম্ভব নয়। ইরান জানায়, রোহিঙ্গাদের মর্যাদা আসা না পর্যন্ত তারা এই ইস্যুতে ভোট দেবে না। মিসর বলছে, এই ভোটে মিয়ানমার সঙ্কট আর রোহিঙ্গাদের মধ্যে আন্ত:যোগাযোগ সুস্পষ্ট নয়।

[৮] মর্ডান ডিপ্লোমেসির মতে, রোহিঙ্গা সমস্যাকে অবহেলা করে পশ্চিমা দেশগুলো জান্তা সরকারের সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক রাখতে চায়।বিশেষত তারা এই রেজ্যুলেশনে ঐতিহাসিকভাবে মিয়ানমারের জান্তাদের সমর্থন করা দেশগুলোকেও পাশে পেতে চেয়েছিলেন। এ কারণেই উঠে আসেনি রোহিঙ্গাদের নাম।

  • সর্বশেষ