প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মুজিববর্ষ উপলক্ষে আগামী ৪ নভেম্বর থেকে শান্তি সম্মেলন সংসদে প্রধানমন্ত্রী

মনিরুল ইসলাম: [২] জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আগামী ৪ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ শান্তি সম্মেলনের আয়োজন করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

[৩] বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ সব তথ্য জানান।

[৪] তিনি আরও জানান, স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী, কার্যকর ও স্বাবলম্বী করাই বর্তমান সরকারের একটি অন্যতম লক্ষ্য।

[৫] স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মো. মোজাফ্ফর হোসেনের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী ৪ ও ৫ নভেম্বর দু’দিনব্যাপী শান্তি সম্মেলন আয়োজনে কাজ কররে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দু’দিনের এই সম্মেলনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী শান্তি ও মানবিক কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর অসামান্য অবদানের কথা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়বে।

[৬] তিনি আরও জানান, ওই সম্মেলনকে সফল করতে ইতোমধ্যে ৪২ সদস্যের একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। যেখানে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতি এবং অটিজম বিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারপার্সন সায়মা ওয়াজেদকে আহবায়ক করা হয়েছে।

[৭] একই প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মরত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের অংশগ্রহণের সাথে একাধিক প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীরা অংশ নেবেন। ‘বিশ্ব শান্তি ও মানবতা’ এর প্রবর্তক হিসেবে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর কর্মকা- ও আদর্শের আলোচনার পাশাপাশি সম্মেলনে ‘ঢাকা শান্তি ঘোষণা’ গৃহীত হবে। সম্মেলনে ‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পুরস্কার’ দেওয়ার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত না হলেও বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে তিনি জানান।

[৮] সরকারি দলের সদস্য আনোয়ার হোসেন খারে প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, গণতন্ত্র ও স্থানীয় সরকারের দাবি সবসময়ই পরস্পরকে গতিময় করেছে। গণতান্ত্রিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে একটি স্থানীয় সংস্থার প্রতিনিধি জনগণের স্বার্থকে তুলে ধরতে পারে। বর্তমান সরকার বিশ্বাস করে, সংবিধানের আলোকে সব অঞ্চলে গণতান্ত্রিক আকাঙ্খার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা নিশ্চিত করা আবশ্যক।

[৯] শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, গ্রামের দিকে নজর দিতে হবে। কেননা গ্রামই সব উন্নয়নের মূল কেন্দ্র। গ্রামের উন্নয়ন আর অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি যখন বেগবান হবে তখন গোটা বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে সম্মুখপানে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করে দেশের প্রতিটি গ্রামে উন্নত রাস্তাঘাট, যোগাযোগ ব্যবস্থা, সুপেয় পানি আধুনিক স্বাস্থ্য সেবা ও সুচিকিৎসা, মানসম্মত শিক্ষা, উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সরবরাহ বৃদ্ধি, কম্পিউটার ও দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামসহ মানসম্পন্ন ভোগ্যপণ্যের সম্প্রসারণের মাধ্যমে আধুনিক শহরের সব সুবিধাদি পৌঁছে দেওয়ার ব্যাপক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত