প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আহসান হাবিব: লকডাউন ‘হ্যাঁ’, লকডাউন ‘না’!

আহসান হাবিব: মহামারির বিস্তার রোধে লকডাউনের বিজ্ঞানসম্মত উপকার আছে। কীভাবে কখন কতোদিন লকডাউন দিতে হবে তার রোগতাত্ত্বিক বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে। এই ব্যাখ্যা এই বিষয়ে যারা বিশেষজ্ঞ, রাষ্ট্রকে তাদের কাছ থেকে গ্রহণ করে বাস্তবায়ন করতে হবে।

লকডাউন যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন না করা যায়, তাহলে এর থেকে কাক্সিক্ষত ফল লাভ সম্ভব নয়, বরং মহামারি প্রতিরোধ বুমেরাং হয়ে পড়বে। সেক্ষেত্রে লকডাউনের বিকল্প সেরা কোনো উপায়ে তা করা যায়, তা ঠিক করতে হবে। এখন লকডাউনের নামে যা চলছে, তা এক কথায় হ-য-ব-র-ল। এটাকে কেউ সঠিক বিজ্ঞানসম্মত পদক্ষেপ বলবে না। এটা একটি হাস্যকর বিষয়ে পরিণত হয়েছে। সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের প্রতি তাই মানুষের একফোঁটা আস্থা নেই। কারণ এইসব পদক্ষেপের মধ্যে মহামারি থেকে মানুষকে বাঁচাবার আন্তরিক কোনো সদিচ্ছা নেই। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ শ্রমজীবী মানুষের সর্বনিম্ন মৌলিক চাহিদার মিমাংসা না করে লকডাউন সফল হতে পারে না। রোগ হওয়ার চেয়ে না খেতে পেয়ে মৃত্যু রাষ্ট্রের জন্য লজ্জা এবং পরাজয়ের।

আমার প্রস্তাব : [১] শ্রমজীবী মানুষের একটি তালিকা করুন স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে। [২] ১৪ দিনের লকডাউনে যাতে তারা না খেয়ে মারা না যায়, তার জন্য সর্বনিম্ন একটি ভাতা দিন। [৩] অফিস আদালত কারখানা গণপরিবহনসহ সকল প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা বন্ধ রাখুন। [৪] দিনের কিছু সময়ের জন্য প্রয়োজনীয় দোকানপাট খোলা রাখা হোক। [৫] সারাদেশে টহল জোরদার করা হোক যাতে লকডাউন সফল হয়, সঙ্গে মানুষ তার প্রয়োজনীয় দ্রব্য সংগ্রহ করতে পারে। [৬] মহামারির এই দুঃসময়ে শৃঙ্খলার কোনো বিকল্প নেই যা সরকারকেই প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এক্ষেত্রে জনগণ তখনই সহায়তা করবে যখন দেখবে তারা সবদিক থেকেই নিরাপদ। লেখক : উপন্যাসিক

সর্বাধিক পঠিত