প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রংপুরে এক সপ্তাহের ব্যবধানে আরেক দফা বাড়লো সয়াবিন তেলের দাম

আফরোজা সরকার:[২] ঈদ উল ঈদুল আযহা কে সামনে রেখে এখনেই আরেক দফা বেড়েছে সয়াবিন তেলের দাম। বোতলজাত সয়াবিনের পাশাপাশি খোলা সয়াবিন তেলের দামও বেড়েঝছ। বেড়েছে খোলা পাম অয়েলও দাম। সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোশন অব বাংলাদেশ(টিসিবি)-এর হিসেবেই গত সপ্তাহে খোলা সয়াবিনের দাম বেড়েছে দিন দশমিক ১৯ শতাংশ। খোলা পাম ওয়েলের দাম বেড়েছে এক দশমিক তিন শতাংশ। আর পাঁচ লিটার সয়াবিনের দাম বেড়েছে এক দশমিক ৭৫ শতাংশ। ডাল, ময়দা, মসল্লার মতো অন্যন্য নিত্যপণ্য এবং সবজির দামও বেড়েছে।

[৩] বর্তমান বাজারের তথ্য বলছে, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি লিটার সয়াবিনের দাম তিন থেকে পাঁচ টাকা করে। গত সপ্তাহ পাঁচ লিটার সয়াবিন তেলের বোতলের দাম ৭৩৫ হলেও এ সপ্তাহে সেই সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকায় । এতে করে পাঁচ লিটার সয়াবিন তেলের বোতলে দাম বেড়েছে ১৫ টাকা।

[৪] প্রসঙ্গত, দুই সপ্তাহ আগে ৭২০ টাকায় পাওয়া যেত এই সয়াবিন। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে পাঁচ বোতলের দাম বেড়েছে ৩০ টাকা। এছাড়া এখন এক লিটার বোতল ১৫০টাকা পর্যন্ত উঠেছে। যদিও কয়েক মাস আগে এই সোয়াবিন তেলের বোতলের দাম ছিল ১১০ টাকা।

[৫] রংপুর নগরীর পৌরবাজারে মমিনুল ইসলাম জানান, তার জীবনে সোয়াবিন এর দাম এতটা বৃদ্ধি পাবে এটা নজিরবিহীন। শুধু সয়াবিনের দাম এতটা বৃদ্ধি হওয়ার ঘটনা নয় অন্যান্য জিনিসপত্রের দামও বেড়েছে । রংপুরের বিভিন্ন হাট-বাজারগুলো ঘুরে দেখা যায়, দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে আদা, ময়দা, হলুদ, তেজপাতাও। কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে আমদানি করা আদা এখন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়।

[৬] ৩৬ টাকা কেজি খোলা ময়দা বিক্রি হচ্ছে ৩৮ টাকা দড়ে, ১৭০ টাকা কেজি হলুদ এখন বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা দরে । ১২০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া তেজপাতা এখন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা। ১৩০ টাকা কেজি ধনে এখন বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা। এছাড়াও দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগরি।

[৭] এদিকে টিসিবির হিসেব, গত এক সপ্তাহে হলুদরে দাম বেড়েছে ৯ দশমকি ৬৫ শতাংশ। তেজপাতার দাম বেড়েছে ১৩ শতাংশ এবং ধনের দাম বেড়েছে ২১ শতাংশ। এর বাইরে মসুর ডাল ও অ্যাংকর ডালরে দামও কিছুটা বেড়েছে । শুধু তা-ই নয়, সবজির বাজারও ধীরে ধীরে অস্থরি হচ্ছে।

[৮] বাজারের তথ্য বলছে, চালরে দাম এখনও রয়ছেে সাধারণ মানুষরে নাগালরে বাইর। গরীবের মোটা চালরে দাম এখনও ৪৬ টাকা থকেে ৫০ টাকাকেজি। চিকন বা সরু চালরে কেজি এখন ৬২ থকেে ৬৫ টাকা। আর মাঝারি আকারের চালরে দাম প্রতি কেজি ৫৫ থেকে ৫৮ টাকা।সব মিলিয়ে নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ এ প্রসঙ্গে রংপুর নগরীর কামার পাড়া এলাকার আব্দুল মান্নান জানান, সীমিত আয়ের মানুষ এর জন্য নিত্যপণ্য কেনা এখন কঠিন ব্যাপার। তার মতে এবারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে যে কোন সময়ের চেয়েও বেশি।

[৯] অবশ্য দাম বেড়েছে পিঁয়াজের। শুক্রবার( ২৫ জুন) রংপুরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে,গত সপ্তাহে পেঁয়াজের দর ছিল মাত্র ৩০ টাকা কেজি । এ সপ্তাহে খুচরা পর্যায়ে পেঁয়াজের কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৩৮/৪০ টাকা। দর বৃদ্ধি ৮/ ১০ টাকা করে। ব্যবসায়ীরা বলছনে, খুচরার পাশাপাশি পাইকারিতে গত সপ্তাহরে ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। গত সপ্তাহে ১৩৫ টাকা পাল্লা বিক্রি হওয়া পেঁয়াজ এখন ১৬০ থেকে ১৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেই হিসেবে পাইকারিতে এক কেজি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৮ খেকে ১০ টাকা।

[১০] এদিকে পেঁয়াজের পাশাপাশি আলু ও ডিমের দামওকিছু টা বেড়েছে। কুচরা বাজারে এক কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ টা যা গত সপ্তাহে ১৫ থেকে ১৮ টাকায়, গত সপ্তাহে ৯০ টাকা ডজন বিক্রি হওয়া ডিমের দাম বেড়ে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

[১১] এদকিে গত সপ্তাহের এক কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। শসার কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থকেে ৩০ টাকার মধ্যে। শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা দরে।পেঁয়াজের কেজি ৩৮ থেকে ৪০ টাকা , গাজরের কেজি ২০ থেকে ২৫ টাকা, পানি লাউ পিস বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত