শিরোনাম
◈ পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ থেকে গ্রহের যুগলবন্দী—মার্চে আকাশে ৯ বিস্ময় ◈ নামজারি ও খতিয়ানসহ সব ভূমি সেবার ফি প্রকাশ্যে টাঙাতে হবে, জেনে নিন কোন সেবায় কত ফি ◈ মাথাপিছু আয় ও অর্থনীতির আকার—দুই সূচকেই অগ্রগতি ◈ নতুন কমিশনার নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত ডিএমপির দায়িত্বে সরওয়ার  ◈ সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে আরও একাধিক পদে রদবদল ◈ তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে অবশেষে প্রার্থী ঘোষণা, কে তিনি ◈ ‌সাউথ জোন‌কে হা‌রি‌য়ে বি‌সিএ‌লের ফাইনালের প‌থে নর্থ জোন ◈ বাজার নিয়ন্ত্রণে গতানুগতিক পথ নয়, সৃজনশীল কৌশলের কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে খলিলুর রহমানকে মনোনয়ন দিল বাংলাদেশ ◈ বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল সোনার দাম

প্রকাশিত : ২১ জুন, ২০২১, ০৭:০৬ বিকাল
আপডেট : ২১ জুন, ২০২১, ০৭:০৯ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ঢামেকের বকেয়া চলতি মাসেই পরিশোধের চেষ্টা করবো: ঢামেক পরিচালক

শিমুল মাহমুদ: [২] করোনাকালীন রাজধানীর ৩০টি হোটেলের চিকিৎসক, নার্স, এবং স্টাফদের কোয়ারেনটাইন ও খাবারের বকেয়া বিল পরিশোধের দাবিতে মানববন্ধন করেছে হোটেল মালিকরা। সোমবার সকাল ১১টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিহা) ব্যানারে এই মানববন্ধন করা হয়।

[৩] মানববন্ধনে বিহার সহ সভাপতি এটিএম সাইদুল আলম বলেন, ‘গত বছরের জুন থেকে আগস্ট এই ৪ মাসের বিল বকেয়া ছিল। এর মধ্যে শুধু জুন মাসের বিলটা আমরা পেয়েছি। বাকি ৩ মাসের প্রায় ৪০ কোটি টাকা বিল পাইনি। গত ১১ মাস ধরে এই বিলের জন্য ঘুরছি। এজন্য আমরা প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

[৪] মানববন্ধন শেষে তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালকের কাছে স্মারকলিপি দেন। এসময় পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক বলেন, ‘পদ্ধতিগত কারণে বিল দিতে আমাদের বিলম্ব হচ্ছে। আমরা আশা করছি চলতি মাসে বকেয়া বিল পরিশোধ করা হবে। এখানে কোনো অনিয়ম হয়নি। এর আগেও গোয়েন্দা সংস্থা এ নিয়ে তদন্ত করে দেখেছে।’

[৫] সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে জবাবে পরিচালক বলেন, তাদের বিলের মধ্যে কিছু অসংগতি ছিল, এগুলো আপনারা ভালো করে জানেন। সে বিষয়টি আমি উল্লেখ করতে চাচ্ছি না। অনেকে যেটা পাওনা তার চেয়ে বেশি সাইন করেছেন। পরে অডিট এসে সেগুলো পর্যালোচনা করেছে। আমরা চলতি মাসের (৩০ জুন) মধ্যে বিল পরিশোধের চেষ্টা করবো।

[৬] হাসপাতালের উপ পরিচালক ডা. আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, ‘হোটেল বিলের এই পরিমান বকেয়া টাকা সচিব মহোদয়ের পক্ষে দেওয়া সম্ভব না। তিনি ৫ কোটি টাকার বেশি অনুমতি তিনি দিতে পারেন না। এখন যেই পরিমান টাকা ব্যয় হয়েছে তা মন্ত্রিপরিষদের অনুমতি ছাড়া দেওয়া সম্ভব না। তাদের অনুমতি পেলেই হোটেল মালিকদের আমরা বিল দিয়ে দিব।’

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়