প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

তিন মুসলিম দেশের সাথে মিত্রতা চায় ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মুহিদ্দীন ইয়াসিন ও ব্রুনেইয়ের সুলতান হাসানাল বলকিয়া।

পৃথিবীর সর্ববৃহৎ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ইন্দোনেশিয়াসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আরও দুই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ মালয়েশিয়া এবং ব্রুনেইয়ের সঙ্গে মিত্রতার সম্পর্ক স্থাপনের আগ্রহের কথা জানিয়েছে ইহুদী সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ইসরায়েল।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স এমন খবর জানিয়ে লিখেছে যে, গত মে মাসে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানানো সত্ত্বেও তেল আবিব এসব দেশের সঙ্গে মিত্রতার সম্পর্ক স্থাপন করতে চাইছে।

সিঙ্গাপুরে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত সাগি কারনি বৃহস্পতিবার এক সাক্ষাৎকারে এসব দেশের সঙ্গে মিত্রতার সম্পর্ক স্থাপনের আগ্রহের কথা জানান। উল্লেখ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন ও মিয়ানমারে ইসরায়েলের দূতাবাস রয়েছে

তবে গত মে মাসে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের টানা ১১ দিনের হামলাকে ‘ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর আগ্রাসন’ হিসেবে অভিহিত করে এর তীব্র নিন্দা ও হামলা বন্ধে জাতিসংঘের আশু হস্তক্ষেপ দাবি করেছিল ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও ব্রুনেই।

ইসরায়েলের ওই হামলায় ফিলিস্তিনের শিশুসহ আড়াই শতাধিক মানুষ নিহত হন। এছাড়া হামাসের পাল্টা রকেট হামলায় ইসরায়েলের প্রাণ গেছে ১৩ জনের। মিসরের মধ্যস্থতায় ওই যুদ্ধবিরতি হলেও গতকাল বুধবার আবারও গাজায় হামলা করেছে ইসরায়েল।

ইসরায়েলের সঙ্গে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এই তিন দেশের আনুষ্ঠানিক কোনো সম্পর্ক নেই এবং ইসরায়েলি দখলদারিত্বের নিন্দা জানানো ছাড়াও এসব দেশ বরাবরের মতো ফিলিস্তিন-ইসরায়েল বিরোধ নিরসনে ঐতিহাসিকভাবে ‘দুই রাষ্ট্রভিত্তিক’ সমাধানের পক্ষে।

কিন্তু এই তিন মুসলিম দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপনের আগ্রহের কথা জানিয়ে সিঙ্গাপুরে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রাদূত সাগি কারনি বলেন, ‘আমরা (ইসরায়েল) আলোচনার জন্য সব সময় প্রস্তুত। দরজা উন্মুক্ত আছে। আমি মনে করি না, সুসম্পর্ক স্থাপনের পথ খুব একটা কঠিন হবে।’

রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘হামাস হলো ইহুদিবিদ্বেষী সংগঠন। আমি ঠিক জানি না সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোয় যারা তর্কে অংশ নিচ্ছেন তারা আসলেই হামাসের চরমপন্থী আচরণ ও ফ্যাসিস্ট দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে জানেন কি না।’

উল্লেখ্য, মার্কিন মধ্যস্থতায় সম্প্রতি আরব দেশগুলোও ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করছে। সম্প্রতি বিগত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের প্রচেষ্টায় সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সুদান ও মরক্কো ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত