শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের অবরোধ নিয়ে অচলাবস্থা, আলোচনার জন্য পাকিস্তানের চাপ ◈ আদানি পাওয়ারের একটি ইউনিট বন্ধ, বিদ্যুৎ সরবরাহ অর্ধেকে নেমেছে, লোডশেডিং আরও বাড়ার আশঙ্কা ◈ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে, তুই দাঁতাল, তোর দাঁত থাকবে না: ডাকসু নেতাকে হুমকির অভিযোগ ◈ তিন কারণে আলোচনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ◈ বাড়ছে বিদ্যুতের লোডশেডিং, সমাধান কোন পথে ◈ জার্মান কা‌পের ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখ ◈ গুপ্ত' ইস্যুতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, পুরোনো সংস্কৃতিই কি ফিরছে শিক্ষাঙ্গনে? ◈ পাসপোর্ট জটিলতায় উদ্বেগ: প্রবাসীদের দুর্ভোগে সরকারের হস্তক্ষেপ চান জামায়াত আমির ◈ দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন, আজ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম যা জানাগেল ◈ ভারতের দর্শকরা ফুটবল বিশ্বকাপ দেখ‌তে পাবেন তো? সম্প্রচারকারী সংস্থা গু‌লোর অনাগ্রহ 

প্রকাশিত : ১৩ জুন, ২০২১, ০৯:০৪ সকাল
আপডেট : ১৩ জুন, ২০২১, ০৯:০৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] চীনের ডিটেনশন ক্যাম্প নিয়ে প্রতিবেদনে পুলিৎজার জিতলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত সাংবাদিক মেঘা

রাশিদুল ইসলাম : [২] প্রতি বছর ২১টি বিভাগে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি হিসেবে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এই সম্মাননা দেয়। অনলাইন প্লাটফর্ম ‘বাজফিডে’র কর্মী মেঘা অনেক দিন থেকেই নজর রেখেছিলেন চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে। ২০১৭ সালে হঠাৎ জিনজিয়াংয়ের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি করে সংখ্যালঘু মুসলিমদের ধরেবেঁধে কয়েদ করা হয়। জিনজিয়াং পৌঁছে ক্যাম্পের আনাচে কানাচে ঘুরে প্রতিবেদন করেন মেঘা। দি ওয়াল

[৩] মেঘার ভিসা বাতিল করে দেওয়া হয়। তার চীনে প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার। কিন্তু ততদিনে কিছু তথ্য হাতে এসেছে। বাকি ঘাতটিটুকু প্রযুক্তির সাহায্যে মিটিয়ে নেন মেঘা। পাশে পান দু’জনকে। তাদের একজন স্থপতি। অ্যালিসন কিলিং। অন্যজন ক্রিস্টো বুসচেক। সফটওয়্যার ডেভলপার। তাদের সাহায্যে ডিটেনশন ক্যাম্পের ওপর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন করেন মেঘা।

[৪] বাজফিডের তরফে জানানো হয়েছে, তিনজনের টিম প্রথমেই জিনজিয়াং প্রদেশের স্যাটেলাইট ইমেজ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করে। গোটা এলাকা নাকি আয়তনে আলাস্কার চেয়েও বড়। আর এই প্রকাণ্ড অঞ্চলেই ক্যাম্প বানিয়ে প্রায় ১০ লাখ উইঘুর, কাজাখ এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু মুসলিমদের বন্দি করে রাখা হয়েছে।

[৫] ম্যাপিং সফটওয়্যারকে কাজে লাগিয়ে তন্নতন্ন করে খানাতল্লাশি চালিয়ে ২৬০টি বিন্ডিংকে বেছে নেন তারা। এসবের কোথাও ১০ হাজার বন্দিদের আটকে রাখা হত। কোথাও কারখানা বানিয়ে তাদের অমানুষিক পরিশ্রম করানো হত।

[৬] মেঘা কাজাখস্তানে যেয়ে কথা বলেন প্রায় ২৪ জন উদ্বাস্তু চীনা মুসলিমের সঙ্গে যারা কখনও না কখনও সেই ডিটেনশন ক্যাম্পের ‘সাজা’ ভোগ করেছেন। শেষে একদিন ‘নিজেদের লোক’ মনে করে অতীতের জ্বালাযন্ত্রণার কথা জানান বাস্তুহারা মানুষেরা। জানিয়েছেন ক্যাম্পের খুঁটিনাটির যতটুকু নজরে এসেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়