শিরোনাম
◈ ‘ডিপ স্টেট’ ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার প্রস্তাব দিয়েছিল: আসিফ মাহমুদ (ভিডিও) ◈ একুশে পদকপ্রাপ্ত কণ্ঠশিল্পী মাহবুবা রহমান আর নেই ◈ ইরান সব ধরনের ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করেছে: জিসিসি মহাসচিব ◈ কুমিল্লায় বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষ: একই পরিবারের ৪ জনসহ নিহত ৫ ◈ জ্বালানি তেলের দাম আবারও ছাড়াল ১০০ ডলার ◈ স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশকে শুভেচ্ছা জানাল যুক্তরাষ্ট্রসহ পাঁচ শক্তিশালী দেশ ◈ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার বঙ্গভবনে তারেক রহমান  ◈ সুবিধা বাড়িয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্ত এলপি গ্যাস আমদানিতে ◈ সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী ◈ জ্বালানি মন্ত্রী বলেছেন, পাম্পে যে তেল আগে দুদিন চলতো এখন দুই ঘণ্টায় শেষ হয়ে যাচ্ছে, এই তেল যায় কোথায়?

প্রকাশিত : ১৩ জুন, ২০২১, ০৯:০৪ সকাল
আপডেট : ১৩ জুন, ২০২১, ০৯:০৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] চীনের ডিটেনশন ক্যাম্প নিয়ে প্রতিবেদনে পুলিৎজার জিতলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত সাংবাদিক মেঘা

রাশিদুল ইসলাম : [২] প্রতি বছর ২১টি বিভাগে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি হিসেবে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এই সম্মাননা দেয়। অনলাইন প্লাটফর্ম ‘বাজফিডে’র কর্মী মেঘা অনেক দিন থেকেই নজর রেখেছিলেন চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে। ২০১৭ সালে হঠাৎ জিনজিয়াংয়ের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি করে সংখ্যালঘু মুসলিমদের ধরেবেঁধে কয়েদ করা হয়। জিনজিয়াং পৌঁছে ক্যাম্পের আনাচে কানাচে ঘুরে প্রতিবেদন করেন মেঘা। দি ওয়াল

[৩] মেঘার ভিসা বাতিল করে দেওয়া হয়। তার চীনে প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার। কিন্তু ততদিনে কিছু তথ্য হাতে এসেছে। বাকি ঘাতটিটুকু প্রযুক্তির সাহায্যে মিটিয়ে নেন মেঘা। পাশে পান দু’জনকে। তাদের একজন স্থপতি। অ্যালিসন কিলিং। অন্যজন ক্রিস্টো বুসচেক। সফটওয়্যার ডেভলপার। তাদের সাহায্যে ডিটেনশন ক্যাম্পের ওপর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন করেন মেঘা।

[৪] বাজফিডের তরফে জানানো হয়েছে, তিনজনের টিম প্রথমেই জিনজিয়াং প্রদেশের স্যাটেলাইট ইমেজ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করে। গোটা এলাকা নাকি আয়তনে আলাস্কার চেয়েও বড়। আর এই প্রকাণ্ড অঞ্চলেই ক্যাম্প বানিয়ে প্রায় ১০ লাখ উইঘুর, কাজাখ এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু মুসলিমদের বন্দি করে রাখা হয়েছে।

[৫] ম্যাপিং সফটওয়্যারকে কাজে লাগিয়ে তন্নতন্ন করে খানাতল্লাশি চালিয়ে ২৬০টি বিন্ডিংকে বেছে নেন তারা। এসবের কোথাও ১০ হাজার বন্দিদের আটকে রাখা হত। কোথাও কারখানা বানিয়ে তাদের অমানুষিক পরিশ্রম করানো হত।

[৬] মেঘা কাজাখস্তানে যেয়ে কথা বলেন প্রায় ২৪ জন উদ্বাস্তু চীনা মুসলিমের সঙ্গে যারা কখনও না কখনও সেই ডিটেনশন ক্যাম্পের ‘সাজা’ ভোগ করেছেন। শেষে একদিন ‘নিজেদের লোক’ মনে করে অতীতের জ্বালাযন্ত্রণার কথা জানান বাস্তুহারা মানুষেরা। জানিয়েছেন ক্যাম্পের খুঁটিনাটির যতটুকু নজরে এসেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়