শিরোনাম
◈ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে দেশে রেমিট্যান্স এলো ১১ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলার ◈ রাজধানীতে আজ শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী সোলার এক্সপো, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ স্নাইপার থেকে রকেট লঞ্চার : পার্বত্য অঞ্চলের সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাতে ভয়ংকর অস্ত্র ◈ যুদ্ধের ধাক্কায় পাঁচ গুণ বেড়েছে তেল পরিবহন ব্যয়, অস্থির জ্বালানি বাজার ◈ যুক্তরাজ্যে স্থায়ী বসবাসের নিয়মে বড় পরিবর্তন, আইএলআর পেতে ১০-১৫ বছর অপেক্ষা করতে হবে বাংলাদেশিদের? ◈ গঙ্গার পানি চুক্তি নবায়নে আশাবাদী বাংলাদেশ, সৌদি আরবের জবাবের অপেক্ষায় সরকার ◈ আগারগাঁওয়ে রাতের আঁধারে মেট্রো স্টেশনের নিচে ককটেল বিস্ফোরণ ◈ সৌদি আরবে বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য নতুন নির্দেশনা, যেসব কাজ করলে হতে পারে জরিমানা বা শাস্তি ◈ যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন মঙ্গলবার, কী হবে ট্রাম্পের ভাগ্য? ◈ আফগা‌নিস্তান প্রিমিয়ার লিগের ড্রাফটে বাংলাদেশের সা‌কিব-মুশ‌ফিকসহ ১০ ক্রিকেটার

প্রকাশিত : ১২ জুন, ২০২১, ০২:০৫ রাত
আপডেট : ১২ জুন, ২০২১, ০২:০৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মো. সামসুল ইসলাম : বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিং এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা

মো. সামসুল ইসলাম : প্রতি বছর ওয়ার্ল্ড র‌্যাংকিংয়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দুরবস্থা প্রকাশিত হয়, আর সাধারণ জনগণ বেশ মুষড়ে পড়েন। QS World Ranking ২০২২ য়ে দেশের দুইটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বুয়েটের অবস্থান আটশ থেকে হাজারের মধ্যে এবং দুটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ব্র্যাক এবং এনএসইউ’র অবস্থান হাজার থেকে বারোশ’র মধ্যে। বিশ্বমানের দিক থেকে আমাদের অবস্থান ধর্তব্যের মধ্যেই পড়ে না। সুতরাং সবাই হতাশ হতেই পারেন।

তবে আমি আগেও লিখেছি যে সমস্ত সূচকের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের র‌্যাংকিং করা হয়, তাতে আগামী কয়েক বছরে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নাটকীয় কোনো উন্নতি হবে না। রেপুটেশন, সাইটেশন, স্টুডেন্ট ফ্যাকাল্টি অনুপাত, বিদেশি স্টুডেন্টদের অনুপাত ইত্যাদির ভিত্তিতে যে র‌্যাংকিং করা হয় অদূর ভবিষ্যতে এর ফলে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিংয়ের রাতারাতি পরিবর্তন হবে না। এই পরিস্থিতিতে প্রতিবছর হা-হুতাশ না করে আমি মনে করি দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দেশের চাহিদার কথা মনে করে কারিকুলামে ব্যাপক পরিবর্তন আনা।

পুরনো প্রোগ্রামগুলোকে নাম পরিবর্তন করে সময়োপযোগী করা। কম মেধাবী, অপ্রয়োজনীয়, দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগকৃত শিক্ষকদের বিদায় করে অর্থের সাশ্রয় করা উচিত, যখন শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বাড়ছে না। যখন প্রতিদিনই দেশের মিডিয়ায় ভিসিদের বা শিক্ষকদের দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশিত হয়, তখন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নৈতিক শিক্ষার ওপর জোর দিতে বলা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না। দুর্নীতি তো আর ভিসি একা করেন না। তার সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়েন অন্য শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরাও। আমি বুঝতে পারি না একজন শিক্ষক তো রাজনীতি করতেই পারেন, কিন্তু সেই সঙ্গে তাকে দুর্নীতিগ্রস্ত হতে হবে কেন?

আমরা আসলে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্য বা দর্শন হারিয়ে ফেলেছি। দেশে ইউনিভার্সিটির সংখ্যা বাড়ছে কিন্তু শিক্ষা প্রশাসনে অভিজ্ঞ লোক বাড়ছে না। ব্যাপারটা এরকম দেশে অনেক শিক্ষাবিদ আছেন কিন্তু শিক্ষা বিশেষজ্ঞ নেই। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে রাজনীতিকরণ, স্বজনপ্রীতি আর দুর্নীতি। ফল যা হওয়ার তাই হচ্ছে। সাংবাদিক বন্ধুদের আমি অনুরোধ করবো, র‌্যাংকিং নিয়ে কিছুদিন পরপর ঘাঁটাঘাঁটি না করে দেশের ভবিষ্যৎ চাহিদার ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যাতে গড়ে উঠে সেগুলো নিয়ে রিপোর্ট করুন। সূচকগুলো ধরে ধরে ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দুর্বলতা সনাক্তকরণে সাহায্য করুন। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আগে তার গ্রাজুয়েটদের চাকরির উপযুক্ত করে তুলুক, দেশের ভবিষ্যতের চাহিদার কথা মাথায় রাখুক র‌্যাংকিং এর বিষয়টি স্বল্পসময়ের জন্য ভুলে যাওয়াই ভালো। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ