প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, ছদ্মনামে নেটমাধ্যমে করোনার উৎস খুঁজছেন বিশ্বের অনেক অপেশাদার সত্যান্বেষী

সুমাইয়া ঐশী: [২] ভারতের পশ্চিমবঙ্গের এক ছদ্মবেশীর কাজে অবাক গোটা বিশ্ব।

[৩] ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার ‘দ্য সিকার’ নামের একজনকে সামনে এনেছে। টুইটারে এই ছদ্মনামই ব্যবহার করেন তিনি। ইন্টারনেট থেকে গুপ্ত বেশ কিছু চীনা গবেষণাপত্র বের করেছেন ঐ ব্যক্তি। এছাড়া বিভিন্ন দেশের কয়েকজন মেধাবী নাগরিকের সমন্বয়ে ইন্টারনেটের একটি গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে, নাম ‘ড্রাস্টিক’। তাদের কাজ হলো ইন্টারনেট থেকে এমন সব তথ্য বের করা, যার মাধ্যমে করোনার আসল রহস্য ভেদ করা যায়।

[৪] দ্য সিকার ২০১৩ সালের একটি চীনা গবেষণা পত্র সামনে এনেছেন। সেখানে নাম উঠে এসেছে উহান ল্যাবের এবং চীনা ভাইরোলজিস্ট শি চেংলির। ঐ গবেষণা পত্র থেকে জানা যায়, ২০১২ সালে চীনের একটি খনিতে কাজ করার সময় কিছু শ্রমিক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। জ্বর ছাড়াও তাদের শ্বাসকষ্টের লক্ষণও ছিলো। খনিতে অনেক বাদুড় ছিলো বলেও জানা যায়। এর তিন মাসের মধ্যেই মারা যান তারা। তাদের রক্তের নমুনা পাঠানো হয় উহান ল্যাবে, ধরা পড়ে ‘সার্স কোভ’ ভাইরাস। নিউজউইক

[৫] চীনের স্নাতকোত্তর এক শিক্ষার্থীর ২০১৩ সালে লেখা এই গবেষণাপত্রটি ইন্টারনেট ঘেঁটে সামনে এনেছেন দ্য সিকার। তবে ২০২০ সালে করোনার সংক্রমণ ছড়ালে এ খনির কথা সামনেই আনেননি চেংলি।

[৬] গত বছর করোনার সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করলে ‘র‌্যাটজি ১৩’ নামের একটি ভাইরাসে কথা একটি গবেষণাপত্রে প্রকাশ করেন ঐ ভাইরোলজি চেংলি। অবশ্য কোথায় এটি পাওয়া যায় তা প্রকাশ করেনি তিনি। এরপর ড্রাস্টিস গ্রুপ ‘রেবিটিকোভ/ ৪৯৯১’ নামের একটি ভাইরাসের খোঁজ পায়। তারা বের করে, ২০১৩ সালে চীনের ইউনান এলাকায় এর সন্ধান পেয়েছিলেন চেংলি। পরে দেখা যায়, এই প্রজাতি এবং চেংলির প্রকাশ করা র‌্যাটজি-১৩ একই প্রজাতির। টুইটারে ড্রাস্টিক আরো জানায়, অনেক বছর ধরেই উহান ল্যাবে করোনার বিভিন্ন প্রজাতি সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। ভক্স, দ্য প্রিন্ট

[৭] সারা বিশ্বের বিশেষজ্ঞরা গুপ্ত এসব গ্রুপের কার্যক্রমে অবাক। দ্য সিকার এবং ড্রাস্টিসের এ কার্যক্রম উঠে এসেছে নিউজউইক, মার্কিন পত্রিকা ভ্যানিটিফেয়ারসহ বহু সংবাদ মাধ্যমে। বলা হচ্ছে, তাদের এসব তথ্য বৃহৎ পরিসরে করোনার কোনো জট খুলতে বড় ভূমিকা রাখবে। সম্পাদনা : রাশিদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত