শিরোনাম
◈ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী সমমর্যাদার উপদেষ্টা নিযুক্ত হলেন মিঠুন চক্রবর্তী ◈ এআই ও স্বয়ংক্রিয় বট ব্যবহার করে গান বানিয়ে ৮০ লাখ ডলারের স্ট্রিমিং জালিয়াতি! ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ভারত: রণধীর জয়সওয়াল ◈ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ ১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশের চুক্তি সই ◈ ফ্রান্সের শিক্ষার্থী বিক্ষোভে স্পষ্ট ঋণ ও বাজেট সংকট, যা ছড়িয়ে পড়তে পারে পুরো ইউরোপে ◈ ব্যাংকক সম্মেলনে বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি তুলে ধরবে সরকার ◈ চীন-ভারতের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেশি স্থিতিশীল, সামনে বড় সুযোগ ◈ শ্রমিকদের বিরোধিতার মধ্যেই ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ১৫ বছরের এনসিটি ইজারা দিচ্ছে বাংলাদেশ ◈ ইউরোপীয় পার্লামেন্টে নগ্ন সোনালি ট্রাম্পের ভাস্কর্য, নাম ‘অরেঞ্জ প্লেগ’

প্রকাশিত : ১০ জুন, ২০২১, ০৩:৪০ রাত
আপডেট : ১০ জুন, ২০২১, ০৩:৪০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্ত্রীকে নিয়ে ভারতে বিক্রি

নিউজ ডেস্ক: প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন তানিয়া আক্তার মীম। পিতা-মাতার অমতে প্রেমিককে করে নিয়েছিলেন জীবনসঙ্গী। কিন্তু সেই সঙ্গীই তাকে তুলে দেয় মানবপাচার চক্রের হাতে। তানিয়া পরিবারের সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করতেন খুলনা মহানগরীর খালিশপুরের বিভিন্ন বিউটি পার্লারে। তানিয়া খুলনার দুর্বার সংঘ ক্লাব সংলগ্ন মুনসুর চৌধুরীর বাড়ির ভাড়াটিয়া আবুল হোসেনের মেয়ে। ২০১৮ সালে পরিবারের অমতে বিয়ে করেন চিত্রালী সিনেমা হল এলাকার মিরাজ মুন্সির ছেলে রিয়াজ মুন্সিকে। বিয়ের পর খালিশপুরের বিউটি পার্লারে কাজ নেন তিনি। পরিচয় হয় পার্লার মালিক সবুজের সঙ্গে।
সেখানে কিছুদিন কাজ করার পর স্বামীকে অর্থ লোভ দেখায় সবুজ। অধিক বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভারতে নিয়ে যায় মীমকে। তখনও মীম জানত না তাকে বিক্রি করা হচ্ছে। কলকাতায় নিয়ে গিয়ে তুলে দেয়া হয় দালালদের হাতে। পরে তাকে বিক্রি করা হয় হায়দ্রাবাদের একটি অভিজাত হোটেলে। সেখানে তার ওপর চলে অমানুষিক নির্যাতন। এক পর্যায়ে মেয়েটি লুকিয়ে ঘটনার বিবরণ জানান মালয়েশিয়া প্রবাসী মামাকে। তিনি ফোন করে ঘটনাটি জানালে ভিকটিমের মা নড়ে বসেন। তিনি মেয়ের খোঁজ নেয়ার জন্য জামাই বাড়িতে যান। সেখানে মেয়ের খোঁজ না পেয়ে জামাইয়ের বিরুদ্ধে মানব পাচার আইনে থানায় মামলা করেন। মামলায় জামাই ও তার ভাইকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের দুজনকে রিমান্ডে নেয়া হলে তারা সব ঘটনার বিবরণ দেয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই খুলনা পুলিশ পরিদর্শক মো. আমানউল্লাহ জানান, ১লা জুন এ মামলার দ্বিতীয় আসামি সুমন গ্রেপ্তার হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত তাকে দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডের প্রথম দিনে আসামি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করতে চাইলে বুধবার তাকে আদালতে হাজির করা হয়। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এর বিচারক মো. শাহীদুল ইসলামের আদালতে সব বর্ণনা দেন। তিনি আরও জানান, মেয়েটি হায়দ্রাবাদের পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। সূত্র- মানবজমিন

  • সর্বশেষ