শিরোনাম
◈ খাদ্যশস্য সংরক্ষণে পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ ◈ অটোমোবাইল, সেমিকন্ডাক্টর ও জ্বালানি খাতে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ লালমনিরহাটের সীমান্তে বিজিবির থার্মাল ক্যামেরা ও ড্রোনে ধরা পড়ল বাঘ (ভিডিও) ◈ বিমানবন্দরে সরকারি কাজে বাধার মামলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের জামিন নামঞ্জুর ◈ আপনারা পুলিশকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করিয়েন না, নিজেরাও ব্ল্যাকমেইল হইয়েন না: আইজিপি (ভিডিও) ◈ মিষ্টির শূন্য আসনে উপনির্বাচন: প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি ◈ অতিরিক্ত আহরণ ও দূষণে চাপে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ, পাঁচ বছরে কমেছে মাছ ধরা ১৬.৫৭ শতাংশ ◈ ২ হাজার কোটি টাকার হাতিরঝিলে অসহনীয় দুর্গন্ধ, দূষণ নিয়ে রাজউক-ওয়াসার পাল্টাপাল্টি দোষারোপ ◈ হুমকি দিয়ে ইরানে হামলা থেকে আবারও পিছু হটলেন ট্রাম্প ◈ নির্বাচনের আগে এআই দিয়ে পরমাণু বিস্ফোরণের ছবি পোস্ট, নেতানিয়াহুকে ঘিরে বিতর্ক

প্রকাশিত : ১০ জুন, ২০২১, ০৩:৪০ রাত
আপডেট : ১০ জুন, ২০২১, ০৩:৪০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্ত্রীকে নিয়ে ভারতে বিক্রি

নিউজ ডেস্ক: প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন তানিয়া আক্তার মীম। পিতা-মাতার অমতে প্রেমিককে করে নিয়েছিলেন জীবনসঙ্গী। কিন্তু সেই সঙ্গীই তাকে তুলে দেয় মানবপাচার চক্রের হাতে। তানিয়া পরিবারের সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করতেন খুলনা মহানগরীর খালিশপুরের বিভিন্ন বিউটি পার্লারে। তানিয়া খুলনার দুর্বার সংঘ ক্লাব সংলগ্ন মুনসুর চৌধুরীর বাড়ির ভাড়াটিয়া আবুল হোসেনের মেয়ে। ২০১৮ সালে পরিবারের অমতে বিয়ে করেন চিত্রালী সিনেমা হল এলাকার মিরাজ মুন্সির ছেলে রিয়াজ মুন্সিকে। বিয়ের পর খালিশপুরের বিউটি পার্লারে কাজ নেন তিনি। পরিচয় হয় পার্লার মালিক সবুজের সঙ্গে।
সেখানে কিছুদিন কাজ করার পর স্বামীকে অর্থ লোভ দেখায় সবুজ। অধিক বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভারতে নিয়ে যায় মীমকে। তখনও মীম জানত না তাকে বিক্রি করা হচ্ছে। কলকাতায় নিয়ে গিয়ে তুলে দেয়া হয় দালালদের হাতে। পরে তাকে বিক্রি করা হয় হায়দ্রাবাদের একটি অভিজাত হোটেলে। সেখানে তার ওপর চলে অমানুষিক নির্যাতন। এক পর্যায়ে মেয়েটি লুকিয়ে ঘটনার বিবরণ জানান মালয়েশিয়া প্রবাসী মামাকে। তিনি ফোন করে ঘটনাটি জানালে ভিকটিমের মা নড়ে বসেন। তিনি মেয়ের খোঁজ নেয়ার জন্য জামাই বাড়িতে যান। সেখানে মেয়ের খোঁজ না পেয়ে জামাইয়ের বিরুদ্ধে মানব পাচার আইনে থানায় মামলা করেন। মামলায় জামাই ও তার ভাইকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের দুজনকে রিমান্ডে নেয়া হলে তারা সব ঘটনার বিবরণ দেয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই খুলনা পুলিশ পরিদর্শক মো. আমানউল্লাহ জানান, ১লা জুন এ মামলার দ্বিতীয় আসামি সুমন গ্রেপ্তার হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত তাকে দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডের প্রথম দিনে আসামি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করতে চাইলে বুধবার তাকে আদালতে হাজির করা হয়। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এর বিচারক মো. শাহীদুল ইসলামের আদালতে সব বর্ণনা দেন। তিনি আরও জানান, মেয়েটি হায়দ্রাবাদের পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। সূত্র- মানবজমিন

  • সর্বশেষ