শিরোনাম
◈ বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনার ভেন্যুর শহরে বন্যা, সতর্কতা জারি ◈ দেশের স্বার্থেই কূটনৈতিক সফর, কারও মন জোগাতে নয়: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ◈ দুবাইয়ে আটক বেনজীরকে ফেরাতে ইউএইতে পাঠানো হয়েছে প্রত্যর্পণ আবেদন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ২১ জুন মালয়েশিয়া ও চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: কূটনীতি ও অর্থনীতিতে নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা ◈ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন: প্রতিদ্বন্দ্বিতা, কৌশল আর উৎসবের আমেজে জমজমাট এফডিসি ◈ ১৮ ঘণ্টার অভিযানে বাথরুমের ফলস সিলিং থেকে গ্রেপ্তার নায়িকা ববির কথিত স্বামী ◈ নারায়ণগঞ্জে রিসোর্টকাণ্ডের ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন মাওলানা মামুনুল হক ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়ায় সফরে সঙ্গী কতজন, যা জানাগেল ◈ কি হয়েছিলো কারওয়ান বাজার ও বাংলামোটর সিগন্যালের এআই ক্যামেরায়? ◈ বিশ্বকাপ থেকে এখন পর্যন্ত যেসব দল বাদ গেল

প্রকাশিত : ০৮ জুন, ২০২১, ০৫:১৪ বিকাল
আপডেট : ০৮ জুন, ২০২১, ০৫:১৪ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ডিআইজি মিজানকে কেন জামিন নয়, হাইকোর্টের রুল জারি

সমীরণ রায়: [২] সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন এবং ঘুষ গ্রহণ ও অর্থপাচারের অভিযোগে করা দুদকের পৃথক দুই মামলায় কেন তাঁকে জামিন দেওয়া হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছে। দুদকসহ সংশ্লিষ্টদের তিন সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

[৩] মঙ্গলবার রুল জারি করেন আদালত।

[৪] মিজানুর রহমানের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান।

[৫] অবৈধভাবে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫ টাকার সম্পদ অর্জন ও দুদকের কাছে ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার ৪২১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৪ জুন মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলায় মিজানের জামিন আবেদন ২০১৯ সালের পহেলা জুলাই হাইকোর্ট খারিজ করে তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। এর পর থেকে তিনি কারাবন্দি। এ অবস্থায় দীর্ঘদিন পর আবার জামিনের আবেদন করা হয়েছে।

[৬] ডিআইজি মিজানের অবৈধ সম্পদ সম্পর্কে দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসামি মো. মিজানুর রহমান ভাগ্নে পুলিশের এসআই মাহমুদুল হাসানের নামে গুলশান-১-এর পুলিশ প্লাজা কনকর্ডে ২১১ বর্গফুট আয়তনের একটি দোকান কিনে তাঁর স্ত্রী সোহেলিয়া আনারের নামে ভাড়া দেখিয়ে নিজ দখলে রাখেন। মিজান নিজে নমিনি হয়ে তাঁর ভাগ্নে মাহমুদুলের নামে কারওয়ান বাজার শাখার ওয়ান ব্যাংকে ৩০ লাখ টাকা জমা করেন।

[৭] দুদক অনুসন্ধানে নামার পর সুদে-আসলে ৩৮ লাখ ৮৮ হাজার টাকা উঠিয়ে নেন মিজান। একইভাবে তাঁর ভাই মাহবুবুর রহমানের নামে বেইলি রোডে দুই হাজার ৪০০ বর্গফুটের প্রায় এক কোটি টাকার ফ্ল্যাট কেনেন। দুদকের অনুসন্ধানে মাহবুবুর রহমান ফ্ল্যাট কেনার বৈধ আয়ের উৎস দেখাতে পারেননি। ওই ফ্ল্যাটটি এখন ডিআইজি মিজানের দখলে রয়েছে। আর মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়ার নামে কাকরাইলের পাইওনিয়ার রোডে 'নির্মাণ সামাদ ট্রেড সেন্টারে' ১৭৭৬ বর্গফুটের একটি দুই কোটি টাকা মূল্যের বাণিজ্যিক ফ্ল্যাট আছে। এভাবে আসামি মিজানুর রহমান ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫ টাকার সম্পদ অর্জন করেন। এরমধ্যে স্ত্রী, ভাই ও ভাগ্নের নামে ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার ৪২১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।

[৮] এ মামলায় দুদকের আবেদনে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ডিআইজি মিজানসহ আসামিদের নামে থাকা স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং ব্যাংক হিসাব জব্দ করার আদেশ দেন। এছাড়া ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই ৪০ লাখ টাকার ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগে মিজানুর রহমান ও দুদক পরিচালক এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

[৯] ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে স্ত্রী-সন্তান থাকাবস্থায় অপর এক নারীকে জোরপূর্বক বিয়ে ও নির্যাতন এবং অপর এক নারী সংবাদ পাঠিকাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। এসব অভিযোগের পর তাঁকে ডিএমপি থেকে সরিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়