শিরোনাম
◈ আবারও কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ২১৫৮ টাকা কমে নতুন দর যা হল ◈ ইউরোপের অস্থিরতায় নতুন সংকটের মুখে বাংলাদেশের পোশাকশিল্প, রফতানি কমেছে ১১.৬৭ শতাংশ ◈ তিন দিন বন্ধ থাকবে থাইল্যান্ডের ই-ভিসা আবেদন, জানাল দূতাবাস ◈ স্থানীয় নির্বাচনে জয় পেতে মরিয়া বিএনপি ◈ ময়মনসিংহ মেডিকেলের ময়লার সঙ্গে ‘কায়দা করে’ পাচার করা হয় সিরিঞ্জ-ক্যানুলা-স্যালাইন, পরে পাইকারি দরে বিক্রি ◈ চার জেলার ২৯ বাঁওড়ে মাছের উৎপাদন ১০ শতাংশ বাড়াতে ৪৭ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব ◈ বাংলাদেশে ৬০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের উদ্যোগ জাপানের, অগ্রাধিকার পাবে গাড়ি ও জ্বালানি খাত ◈ সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট, চলছে নিরাপত্তা যাচাই ◈ পিএইচপি কী, এটি ঘিরে বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তা-সংকট সৃষ্টি হয়েছে কেন? ◈ বিশ্বে প্রথমবার মানুষের শরীরে শামোন্ডা ভাইরাস শনাক্ত, ফ্রান্সে প্রথম আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু

প্রকাশিত : ০৮ জুন, ২০২১, ০৫:১৪ বিকাল
আপডেট : ০৮ জুন, ২০২১, ০৫:১৪ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ডিআইজি মিজানকে কেন জামিন নয়, হাইকোর্টের রুল জারি

সমীরণ রায়: [২] সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন এবং ঘুষ গ্রহণ ও অর্থপাচারের অভিযোগে করা দুদকের পৃথক দুই মামলায় কেন তাঁকে জামিন দেওয়া হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছে। দুদকসহ সংশ্লিষ্টদের তিন সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

[৩] মঙ্গলবার রুল জারি করেন আদালত।

[৪] মিজানুর রহমানের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান।

[৫] অবৈধভাবে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫ টাকার সম্পদ অর্জন ও দুদকের কাছে ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার ৪২১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৪ জুন মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলায় মিজানের জামিন আবেদন ২০১৯ সালের পহেলা জুলাই হাইকোর্ট খারিজ করে তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। এর পর থেকে তিনি কারাবন্দি। এ অবস্থায় দীর্ঘদিন পর আবার জামিনের আবেদন করা হয়েছে।

[৬] ডিআইজি মিজানের অবৈধ সম্পদ সম্পর্কে দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসামি মো. মিজানুর রহমান ভাগ্নে পুলিশের এসআই মাহমুদুল হাসানের নামে গুলশান-১-এর পুলিশ প্লাজা কনকর্ডে ২১১ বর্গফুট আয়তনের একটি দোকান কিনে তাঁর স্ত্রী সোহেলিয়া আনারের নামে ভাড়া দেখিয়ে নিজ দখলে রাখেন। মিজান নিজে নমিনি হয়ে তাঁর ভাগ্নে মাহমুদুলের নামে কারওয়ান বাজার শাখার ওয়ান ব্যাংকে ৩০ লাখ টাকা জমা করেন।

[৭] দুদক অনুসন্ধানে নামার পর সুদে-আসলে ৩৮ লাখ ৮৮ হাজার টাকা উঠিয়ে নেন মিজান। একইভাবে তাঁর ভাই মাহবুবুর রহমানের নামে বেইলি রোডে দুই হাজার ৪০০ বর্গফুটের প্রায় এক কোটি টাকার ফ্ল্যাট কেনেন। দুদকের অনুসন্ধানে মাহবুবুর রহমান ফ্ল্যাট কেনার বৈধ আয়ের উৎস দেখাতে পারেননি। ওই ফ্ল্যাটটি এখন ডিআইজি মিজানের দখলে রয়েছে। আর মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়ার নামে কাকরাইলের পাইওনিয়ার রোডে 'নির্মাণ সামাদ ট্রেড সেন্টারে' ১৭৭৬ বর্গফুটের একটি দুই কোটি টাকা মূল্যের বাণিজ্যিক ফ্ল্যাট আছে। এভাবে আসামি মিজানুর রহমান ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫ টাকার সম্পদ অর্জন করেন। এরমধ্যে স্ত্রী, ভাই ও ভাগ্নের নামে ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার ৪২১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।

[৮] এ মামলায় দুদকের আবেদনে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ডিআইজি মিজানসহ আসামিদের নামে থাকা স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং ব্যাংক হিসাব জব্দ করার আদেশ দেন। এছাড়া ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই ৪০ লাখ টাকার ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগে মিজানুর রহমান ও দুদক পরিচালক এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

[৯] ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে স্ত্রী-সন্তান থাকাবস্থায় অপর এক নারীকে জোরপূর্বক বিয়ে ও নির্যাতন এবং অপর এক নারী সংবাদ পাঠিকাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। এসব অভিযোগের পর তাঁকে ডিএমপি থেকে সরিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।

 

  • সর্বশেষ