শিরোনাম
◈ ‘ইসলামিক ন্যাটোতে’ বাংলাদেশের যোগদানের সম্ভাবনা, ভারত কেন এত উদ্বিগ্ন : ফার্স্টপোস্টের প্রতিবেদন ◈ ঢাকার চীনা দূতাবাসে ইমেইলে হামলার হুমকি, শুরু হয়েছে তদন্ত ◈ ‘বিয়ের ফাঁদে’ চীনে পাচার : ৫ বছরে গেছেন ৪২২৬ বাংলাদেশি নারী, অনেকের স্বপ্ন পরিণত হয়েছে ‘অভিশপ্ত নরকে’ ◈ খাটের নিচে ছেলে, ছাদে স্ত্রী-মেয়ে; অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বাড়িতে ৪ লাশ ◈ এআইয়ের কাছে কখনোই চাইবেন না এই ৫ পরামর্শ ◈ সকালের মধ্যে দেশের ৭ জেলায় ঝরতে পারে বৃষ্টি ◈ সৌদি-তুর্কি-পাকিস্তানের জোটে যোগ দেয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ‘ইতিবাচক’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ◈ ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, বৃটেনে পুলিশ কর্মকর্তাসহ সাতজন নিহত ◈ বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা: বাণিজ্যমন্ত্রী ◈ কলকাতার ৭ বাংলাদেশি নিহত: সেই হোটেল মালিক গ্রেপ্তার

প্রকাশিত : ০৮ জুন, ২০২১, ০৫:১৪ বিকাল
আপডেট : ০৮ জুন, ২০২১, ০৫:১৪ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ডিআইজি মিজানকে কেন জামিন নয়, হাইকোর্টের রুল জারি

সমীরণ রায়: [২] সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন এবং ঘুষ গ্রহণ ও অর্থপাচারের অভিযোগে করা দুদকের পৃথক দুই মামলায় কেন তাঁকে জামিন দেওয়া হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়েছে। দুদকসহ সংশ্লিষ্টদের তিন সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

[৩] মঙ্গলবার রুল জারি করেন আদালত।

[৪] মিজানুর রহমানের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান।

[৫] অবৈধভাবে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫ টাকার সম্পদ অর্জন ও দুদকের কাছে ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার ৪২১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৪ জুন মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলায় মিজানের জামিন আবেদন ২০১৯ সালের পহেলা জুলাই হাইকোর্ট খারিজ করে তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। এর পর থেকে তিনি কারাবন্দি। এ অবস্থায় দীর্ঘদিন পর আবার জামিনের আবেদন করা হয়েছে।

[৬] ডিআইজি মিজানের অবৈধ সম্পদ সম্পর্কে দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসামি মো. মিজানুর রহমান ভাগ্নে পুলিশের এসআই মাহমুদুল হাসানের নামে গুলশান-১-এর পুলিশ প্লাজা কনকর্ডে ২১১ বর্গফুট আয়তনের একটি দোকান কিনে তাঁর স্ত্রী সোহেলিয়া আনারের নামে ভাড়া দেখিয়ে নিজ দখলে রাখেন। মিজান নিজে নমিনি হয়ে তাঁর ভাগ্নে মাহমুদুলের নামে কারওয়ান বাজার শাখার ওয়ান ব্যাংকে ৩০ লাখ টাকা জমা করেন।

[৭] দুদক অনুসন্ধানে নামার পর সুদে-আসলে ৩৮ লাখ ৮৮ হাজার টাকা উঠিয়ে নেন মিজান। একইভাবে তাঁর ভাই মাহবুবুর রহমানের নামে বেইলি রোডে দুই হাজার ৪০০ বর্গফুটের প্রায় এক কোটি টাকার ফ্ল্যাট কেনেন। দুদকের অনুসন্ধানে মাহবুবুর রহমান ফ্ল্যাট কেনার বৈধ আয়ের উৎস দেখাতে পারেননি। ওই ফ্ল্যাটটি এখন ডিআইজি মিজানের দখলে রয়েছে। আর মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়ার নামে কাকরাইলের পাইওনিয়ার রোডে 'নির্মাণ সামাদ ট্রেড সেন্টারে' ১৭৭৬ বর্গফুটের একটি দুই কোটি টাকা মূল্যের বাণিজ্যিক ফ্ল্যাট আছে। এভাবে আসামি মিজানুর রহমান ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫ টাকার সম্পদ অর্জন করেন। এরমধ্যে স্ত্রী, ভাই ও ভাগ্নের নামে ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার ৪২১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।

[৮] এ মামলায় দুদকের আবেদনে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ডিআইজি মিজানসহ আসামিদের নামে থাকা স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক এবং ব্যাংক হিসাব জব্দ করার আদেশ দেন। এছাড়া ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই ৪০ লাখ টাকার ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগে মিজানুর রহমান ও দুদক পরিচালক এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

[৯] ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে স্ত্রী-সন্তান থাকাবস্থায় অপর এক নারীকে জোরপূর্বক বিয়ে ও নির্যাতন এবং অপর এক নারী সংবাদ পাঠিকাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। এসব অভিযোগের পর তাঁকে ডিএমপি থেকে সরিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়