শিরোনাম
◈ বাংলাদেশে এসে বিশ্বকাপে ব্যর্থতার দায়ে বড় অঙ্কের জরিমানামুক্ত হওয়ার সুখবর পেলো পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা ◈ আঙ্কারায় বাংলাদেশ–তুরস্ক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠক, সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার ◈ হাদির হত্যাকারীদের পালাতে ‘সহায়তাকারী’ ফিলিপ সাংমাও পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার ◈ পূর্বাচল প্লটের ৬ লাখ টাকার কাঠা এখন ৭৫ লাখ: নতুন দাম নির্ধারণ করলো রাজউক ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে রাজনীতিতে ফেরার পথ খুঁজছে কার্যক্রম নিষেধাজ্ঞার মুখে থাকা আওয়ামীলীগ ◈ উন্নত চিকিৎসায় মির্জা আব্বাসকে কাল  সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে, মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যান রিপোর্ট ভালো এসেছে ◈ ঈদের আগে-পরে ১২ দিন ২৪ ঘণ্টা তেলের পাম্প খোলা থাকবে ◈ ছুটিতে আসা প্রবাসীদের এন্ট্রি ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তি ◈ মা‌ঠে অ‌শোভন আচর‌ণের জন‌্য শাস্তি পেলেন পা‌কিস্তা‌নের সালমান আলি আঘা ◈ সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের কারামুক্তি আটকে গেল

প্রকাশিত : ০৭ জুন, ২০২১, ০৭:১০ বিকাল
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২১, ০৭:১০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] নদী দূষণ রোধে তিন ধাপ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ চলছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হবে: নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী

সুজিৎ নন্দী: [২] ‘বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু এবং শীতলক্ষ্যা নদীর তীর ভূমিতে পিলার স্থাপন স্থাপন, তীর রক্ষা, ওয়ার্কওয়ে ও জেটিসহ আনুসঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প’ কাজ দ্রুত গতিতে কাজ চলছে। পুরো কাজ ২০টি প্যাকেজের কাজ চলছে। তবে নকশায় কিছুটা পরিবর্তন আনার কারণে বাজেট কিছুটা বেড়েছে।

[৩] শুরুতে বাজেট ৮৪৮ কোটি ধরা হলেও পরবর্তিতে ডিজাইন এ পরিবর্তন আনা হয়। প্লানিং কমিশনে পাঠিয়ে ১১শ’ কোটি টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়। তিন ধাপে কার্যক্রম চলবে। এর মধ্যে সকল প্যাকেজেই কমবেশি কাজ চলছে। বিআইডাব্লুউটিএ ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্র এতথ্য জানা যায়।

[৪] নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যতদিন এ প্রকল্পের কাজ চলবে, ততদিনই আপিল শুনানী চলবে। তবে করোনার কারণে এ প্রকল্পের কাজ কিছুটা বাধাগ্রস্থ হয়েছে। ২০১৮ সালের জুলাই মাসে এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। ২০২২ সালের জুনের মধ্যে পুরো কাজ শেষ হবে। নকশা পরিবর্তন ও কিছু যন্ত্রাংশ কেনার কারণে সময় কিছুটা বেশি লাগতে পারে।

[৫] নদীর তীর পুনর্দখল ঠেকাতে কঠোর মনিটরিং ও পাহারাদার নিয়োগ শুরু হয়েছে। নদীর সীমানা নির্ধারণ ১০ হাজার ৮শ’ ২০টি খুঁটি বসানার কার্যক্রম চলছে। এরই অংশ হিসেবে ঢাকা নদী বন্দরে ৩ হাজার ৮৩টি পিলার বসানো হবে। দৃশ্যমান হয়েছে ২ হাজার ২শ’ ২৩টি। এর পাশাপাশি তুরাগ, বালু এবং শীতলক্ষ্যা নদীবন্দরেও কাজ চলছে।

[৬] ইতোমধ্যে ৬টি উচ্ছেদ যন্ত্র ও মাটি কাটার মেশিন আনা হয়েছে। এগুলো রাখার পল্টুন নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। পাশাপাশি নতুন ৬টি জেটি নির্মাণ কাজ চলমান আছে। পাশাপাশি রামচন্দ্রপুর থেকে বসিলা, রায়ের বাজার খাল থেকে কামরাঙ্গির চর পর্যন্ত সাড়ে তিন কিলোমিটার ওয়ার্কওয়ের নির্মাণ কাজ চলছে। এছাড়াও টঙ্গী নদীবন্দরে ইকোপার্ক নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে।

[৭] এ ব্যাপারে নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি বাস্তবায়নের পরেই নদীর তীরভূমি স্থায়ীভাব সংরক্ষণের মাধ্যম ঢাকাবাসীর জন্য নদীতে বিনোদনের জায়গা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়