শিরোনাম
◈ দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় বিএনপি: নতুন সরকারের অগ্রাধিকার হতে পারে যেসব বিষয় ◈ ফাঁসির দণ্ডাদেশ থেকে খালাস পেয়ে সংসদের পথে বাবর, পিন্টু ও আজহারুল ইসলাম ◈ ‌‌টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকা‌পে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়া নিয়ে শঙ্কা! ◈ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতে যাওয়ায় যেসব পরিবর্তন আসতে পারে ◈ কতটা ক্ষমতাধর একজন এমপি, তিনি কী কী কাজ করেন? ◈ অনেকেই ধারণা করছেন নির্বাচন শেষ হলে আমি যুক্তরাজ্যে ফিরে যাব: তাসনিম জারা ◈ অর্থনীতি সচল করাই আগামী সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ: ফখরুল ইসলাম ◈ গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য বিএনপি সব সময় লড়াই করেছে তারই বহিঃপ্রকাশ এই বিজয়: মির্জা ফখরুল ◈ মন্ত্রিসভা নিয়ে যা বললেন সালাহউদ্দিন ◈ ভোটে জিতেই আওয়ামী লীগের অফিস খুলে দিলেন বিএনপি নেতা (ভিডিও)

প্রকাশিত : ০৭ জুন, ২০২১, ০৭:১০ বিকাল
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২১, ০৭:১০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] নদী দূষণ রোধে তিন ধাপ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ চলছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হবে: নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী

সুজিৎ নন্দী: [২] ‘বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু এবং শীতলক্ষ্যা নদীর তীর ভূমিতে পিলার স্থাপন স্থাপন, তীর রক্ষা, ওয়ার্কওয়ে ও জেটিসহ আনুসঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প’ কাজ দ্রুত গতিতে কাজ চলছে। পুরো কাজ ২০টি প্যাকেজের কাজ চলছে। তবে নকশায় কিছুটা পরিবর্তন আনার কারণে বাজেট কিছুটা বেড়েছে।

[৩] শুরুতে বাজেট ৮৪৮ কোটি ধরা হলেও পরবর্তিতে ডিজাইন এ পরিবর্তন আনা হয়। প্লানিং কমিশনে পাঠিয়ে ১১শ’ কোটি টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়। তিন ধাপে কার্যক্রম চলবে। এর মধ্যে সকল প্যাকেজেই কমবেশি কাজ চলছে। বিআইডাব্লুউটিএ ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্র এতথ্য জানা যায়।

[৪] নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যতদিন এ প্রকল্পের কাজ চলবে, ততদিনই আপিল শুনানী চলবে। তবে করোনার কারণে এ প্রকল্পের কাজ কিছুটা বাধাগ্রস্থ হয়েছে। ২০১৮ সালের জুলাই মাসে এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। ২০২২ সালের জুনের মধ্যে পুরো কাজ শেষ হবে। নকশা পরিবর্তন ও কিছু যন্ত্রাংশ কেনার কারণে সময় কিছুটা বেশি লাগতে পারে।

[৫] নদীর তীর পুনর্দখল ঠেকাতে কঠোর মনিটরিং ও পাহারাদার নিয়োগ শুরু হয়েছে। নদীর সীমানা নির্ধারণ ১০ হাজার ৮শ’ ২০টি খুঁটি বসানার কার্যক্রম চলছে। এরই অংশ হিসেবে ঢাকা নদী বন্দরে ৩ হাজার ৮৩টি পিলার বসানো হবে। দৃশ্যমান হয়েছে ২ হাজার ২শ’ ২৩টি। এর পাশাপাশি তুরাগ, বালু এবং শীতলক্ষ্যা নদীবন্দরেও কাজ চলছে।

[৬] ইতোমধ্যে ৬টি উচ্ছেদ যন্ত্র ও মাটি কাটার মেশিন আনা হয়েছে। এগুলো রাখার পল্টুন নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। পাশাপাশি নতুন ৬টি জেটি নির্মাণ কাজ চলমান আছে। পাশাপাশি রামচন্দ্রপুর থেকে বসিলা, রায়ের বাজার খাল থেকে কামরাঙ্গির চর পর্যন্ত সাড়ে তিন কিলোমিটার ওয়ার্কওয়ের নির্মাণ কাজ চলছে। এছাড়াও টঙ্গী নদীবন্দরে ইকোপার্ক নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে।

[৭] এ ব্যাপারে নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি বাস্তবায়নের পরেই নদীর তীরভূমি স্থায়ীভাব সংরক্ষণের মাধ্যম ঢাকাবাসীর জন্য নদীতে বিনোদনের জায়গা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়