শিরোনাম
◈ ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ: হাইকোর্টে আরও পাঁচ প্রার্থীর আবেদন গ্রহণ ◈ মিরপুরের পিচের প্রশংসা কর‌লেন পাকিস্তানি কোচ মাইক হেসন  ◈ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্পট মার্কেট থেকে দুই লাখ টন ডিজেল কিনছে বিপিসি ◈ ইরানের বর্তমান শাসন পতনের পর যুক্তরাষ্ট্র বিপুল অর্থ আয় করতে পারবে: লিন্ডসে গ্রাহাম ◈ জ্বালানি তেল নিয়ে জরুরি নির্দেশনা, সব ডিসি অফিসে চিঠি ◈ নতুন নেতাকে স্বাগত জানিয়ে ইরানে বিশাল শোভাযাত্রা ◈ তেলের প্রধান ডিপোগুলোতে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ ◈ ১২ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশের জন্য অসহনীয় বোঝা, কমনওয়েলথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী   ◈ সিঙ্গাপুর থেকে এলো ২৭ হাজার টন ডিজেল, চট্টগ্রামে খালাস শুরু ◈ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণে কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা থাকবে না: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৭ জুন, ২০২১, ০৭:১০ বিকাল
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২১, ০৭:১০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] নদী দূষণ রোধে তিন ধাপ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ চলছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হবে: নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী

সুজিৎ নন্দী: [২] ‘বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু এবং শীতলক্ষ্যা নদীর তীর ভূমিতে পিলার স্থাপন স্থাপন, তীর রক্ষা, ওয়ার্কওয়ে ও জেটিসহ আনুসঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প’ কাজ দ্রুত গতিতে কাজ চলছে। পুরো কাজ ২০টি প্যাকেজের কাজ চলছে। তবে নকশায় কিছুটা পরিবর্তন আনার কারণে বাজেট কিছুটা বেড়েছে।

[৩] শুরুতে বাজেট ৮৪৮ কোটি ধরা হলেও পরবর্তিতে ডিজাইন এ পরিবর্তন আনা হয়। প্লানিং কমিশনে পাঠিয়ে ১১শ’ কোটি টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়। তিন ধাপে কার্যক্রম চলবে। এর মধ্যে সকল প্যাকেজেই কমবেশি কাজ চলছে। বিআইডাব্লুউটিএ ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্র এতথ্য জানা যায়।

[৪] নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, যতদিন এ প্রকল্পের কাজ চলবে, ততদিনই আপিল শুনানী চলবে। তবে করোনার কারণে এ প্রকল্পের কাজ কিছুটা বাধাগ্রস্থ হয়েছে। ২০১৮ সালের জুলাই মাসে এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। ২০২২ সালের জুনের মধ্যে পুরো কাজ শেষ হবে। নকশা পরিবর্তন ও কিছু যন্ত্রাংশ কেনার কারণে সময় কিছুটা বেশি লাগতে পারে।

[৫] নদীর তীর পুনর্দখল ঠেকাতে কঠোর মনিটরিং ও পাহারাদার নিয়োগ শুরু হয়েছে। নদীর সীমানা নির্ধারণ ১০ হাজার ৮শ’ ২০টি খুঁটি বসানার কার্যক্রম চলছে। এরই অংশ হিসেবে ঢাকা নদী বন্দরে ৩ হাজার ৮৩টি পিলার বসানো হবে। দৃশ্যমান হয়েছে ২ হাজার ২শ’ ২৩টি। এর পাশাপাশি তুরাগ, বালু এবং শীতলক্ষ্যা নদীবন্দরেও কাজ চলছে।

[৬] ইতোমধ্যে ৬টি উচ্ছেদ যন্ত্র ও মাটি কাটার মেশিন আনা হয়েছে। এগুলো রাখার পল্টুন নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। পাশাপাশি নতুন ৬টি জেটি নির্মাণ কাজ চলমান আছে। পাশাপাশি রামচন্দ্রপুর থেকে বসিলা, রায়ের বাজার খাল থেকে কামরাঙ্গির চর পর্যন্ত সাড়ে তিন কিলোমিটার ওয়ার্কওয়ের নির্মাণ কাজ চলছে। এছাড়াও টঙ্গী নদীবন্দরে ইকোপার্ক নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে।

[৭] এ ব্যাপারে নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি বাস্তবায়নের পরেই নদীর তীরভূমি স্থায়ীভাব সংরক্ষণের মাধ্যম ঢাকাবাসীর জন্য নদীতে বিনোদনের জায়গা হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়