শিরোনাম
◈ রাজধানীতে স্পা সেন্টারের আড়ালে অসামাজিক কর্মকাণ্ড, নারীসহ গ্রেপ্তার ৫৪ ◈ এলএনজি কার্গো সংকটে মহেশখালীর এফএসআরইউ বন্ধ, গ্যাস সরবরাহে নতুন চাপ ◈ দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান থেকে স্মার্ট গ্রিড—জ্বালানি খাতে সরকারের ১০ বছরের রূপরেখা ◈ বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল, চার থেকে পাঁচবার আবেগে ভেঙে পড়েন, চাইলেন ক্ষমা  (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশকে জ্বালানি সহযোগিতার আশ্বাস কাতারের প্রধানমন্ত্রীর ◈ বৃহস্পতিবার টানা ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না দেশের যেসব এলাকায় ◈ হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ভাইরাল অডিও কল নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী(ভিডিও) ◈ রাজধানীতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি করতেন ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া!(ভিডিও) ◈ নিজের গ্যাস মাটির নিচে রেখে এলএনজি আমদানির মাফিয়াতন্ত্র: জ্বালানি খাতের অন্ধকার চিত্র(ভিডিও) ◈ তারেক রহমান ব্রিকসও এড়িয়ে যেতে পারেন

প্রকাশিত : ০৫ জুন, ২০২১, ১১:৪২ দুপুর
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২১, ১১:৪২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সন্তানের চরিত্র গঠনে বাবা-মায়ের প্রতি আল্লাহর নির্দেশনা

ইসলামি ডেস্ক: প্রত্যেকটা মা-বাবাই সন্তানের ভালো চান। ছেলে-মেয়ে বড় হয়ে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবে, দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসবে।তাই সন্তানের উত্তম চরিত্র গঠনের পেছনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করতে হবে মাকে। তারপর বাবার। মা-বাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় প্রতিটি সন্তান হবে আদর্শ চরিত্রবান।

এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেছেন, ‘হে ইমানদাররা, তোমরা নিজেদের ও তোমাদের পরিবার-পরিজনকে আগুন থেকে বাঁচাও, যার জ্বালানি হবে মানুষ ও পাথর; যেখানে রয়েছেন কঠোর ফেরেশতাকুল, সৃষ্টিগতভাবে ফেরেশতাদের আল্লাহর অবাধ্যতার শক্তি দেওয়া হয়নি। সর্বদা তারা আল্লাহর হুকুম পালন করেন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তারা (ফেরেশতারা) তা অমান্য করে না, যা আল্লাহ তাদের আদেশ করেন। তারা যা করতে আদিষ্ট হয়, তা-ই করে। ’ (সুরা: তাহরিম, আয়াত: ৬)

ইসলামী বিধান অনুযায়ী আমাদের পরিবার-পরিজনের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। একজন বাবা বা মা হিসেবে আমরা কি আমাদের প্রতিপালকের এ বিধান পালন করছি? যদি করে থাকি, তবে কিশোর গ্যাংয়ের মতো কালচার আমাদের দেশে গড়ে উঠছে কীভাবে?

ইন্টারনেট প্রযুক্তি আমাদের বিশ্ব সমাজ সম্পর্কে জানতে সাহায্য করেছে। এর ফলে নানান রকম আচার-আচরণ এমন কী বাচনভঙ্গিও আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রচলন করছি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো আমাদের কিশোর-কিশোরিদের মধ্যে পশ্চিমা জীবনধারার প্রতি এক ধরনের মোহ তৈরি করছে। ফলে পশ্চিমা জীবনধারার ভালো দিকগুলোর সঙ্গে সঙ্গে কিশোর গ্যাংয়ের মতো ভয়ানক কালচারগুলোও আমাদের সমাজে জায়গা করে নিচ্ছে।

একসঙ্গে মাদক নেওয়া, নিজ সীমানা নির্ধারণ করে চাঁদাবাজি, অপর গ্যাংদের সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক মারধর এসবই মূলত কিশোর গ্যাংগুলোর আচরণগত বৈশিষ্ট্য। এ কারণেই সুযোগসন্ধানীরা কিশোরদের দিয়ে অপরাধ করিয়ে নিজেদের ফায়দা লুটে নেয় এবং তাদের আরও অপরাধ করতে উৎসাহিত করে। তাই কিশোরদের সচেতনতা এবং নৈতিক মূল্যবোধ সৃষ্টির জন্য বড়দের নিজ উদ্যোগে এগিয়ে আসা জরুরি। সমাজে যারা অপরাধে যুক্ত তাদের সুশিক্ষার ব্যবস্থা করে সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র শিশু-কিশোরদের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। কোনো অবস্থাতেই যেন কিশোররা অপরাধে যুক্ত হতে না পারে সেজন্য সমাজে সংগঠন তৈরি করে কিশোর গ্যাংসহ সব অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল, আর এ ব্যাপারে প্রত্যেককেই জবাবদিহি করতে হবে। ’ বুখারি। বাংলা নিউজ২ ৪

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়