প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কাউকে ‘গোনায়’ ধরেন না টাইগারদের হেড কোচ !(ভিডিও)

ডেস্ক রিপোর্ট :  বাংলাদেশ দলের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো কারো ধার ধারেন না, এমনকি কারো পরামর্শও নিতে চান না। অনেকক্ষেত্রে নিজের ইচ্ছা মত সিদ্ধান্ত নেন যা– কিছু তা-ই । জাতীয় দলে এমনই একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন এই আফ্রিকান টাইগার কোচ। যেন সরষের মধ্যে ভূত!! (একাত্তর টিভি)

সর্বশেষ দুটি সিরিজে বাংলাদেশ দলের টিম লিডার ছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজন। কাজে ও পরিকল্পনায় কোনো ভূমিকা-ই ছিল না টাইগারদের সাবেক এই অধিনায়কের। একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাতকারে রাসেল ডমিঙ্গোর উপর এভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন সুজন । ভিডিও ক্লিপটি নিচে দেওয়া হলো :

নতুন করে আলোচনায় জাতীয় দলে সিনিয়র ক্রিকেটারদের ওপর নির্ভরতা। সাকিব-তামিমদের পর উঠে আসা ক্রিকেটারদের অনেকে জাতীয় দলে কাটিয়ে দিয়েছেন ৫-৬ বছর। অথচ দলে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স আছে মাত্র হাতেগোনা কয়েকজনের। তরুণদের দায়িত্বশীলতার ঘাটতির কারণে সিনিয়রদের ওপর নির্ভরশীলতা কমছে না বলে মনে করেন সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন।

তরুণদের দায়িত্বশীলতার অভাব দেখছেন সুজন

জাতীয় দলের টিম লিডার হিসেবে সাম্প্রতিক সময়ে দলের কাছাকাছি থাকা হয়েছে সুজনের। তিনি জানালেন, জুনিয়র ক্রিকেটারদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স না পাওয়ার ব্যাপারে দুশ্চিন্তা আছে খোদ ক্রিকেটারদেরই।

তিনি বলেন, ‘এটা নিয়ে আমরা কনসার্ন, পুরো দলই কনসার্ন। ওরাও কনসার্ন; এমন না যে ওরা জানেনা, ওরাও জানে ওদের কাছে প্রত্যাশাটা কেমন। এতদিন ধরে তারা বাংলাদেশ দলকে সেবা দিচ্ছে, এখন তো আমরা তাদের কাছ থেকে ধারাবাহিকতা চাই।’

সুযোগ পেলে তরুণরা ভালো করছেন না, এমনও নয়। টুকটাক কিছু ভুলের কারণে নিজেদের পুরো মেলে ধরতে পারছেন না। এমন এক দৃষ্টান্তও টানলেন সুজন, ‘কিছু ক্ষেত্রে আমি বলব দায়িত্বের অভাব আছে ওদেরও। আমি বলবো ওদেরকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে। কালকে মোসাদ্দেকের (৫১ রান করে আউট হয়েছেন, পরিস্থিতি সামাল না দিয়ে) ইনিংসটার কথাই যদি বলি, ফিফটি করে যেভাবে আউট হল সেরকম আউট তো আমরা চাই না। তার যে সামর্থ্য, ১০০ মারার একটা সুযোগ ছিল, ম্যাচকে ক্লোজ করার একটা সুযোগ ছিল, সে সুযোগটা আমার মনে হয় মোসাদ্দেক নিতে পারেনি।’

সুজন আরও বলেন, ‘দ্বিতীয় ম্যাচে লিটন দুর্দান্তভাবে ২৫ রান করেছে, এরপর যেভাবে আউট হল আমরা চাই না লিটন এভাবে আউট হোক। আমরা চাই সে ইনিংসটাকে বড় করুক, যেমন মুশফিক করছে, তামিম করছে কিংবা রিয়াদ করেছে। আমরা চাই এই খেলোয়াড়রাও তাদের মত হোক। প্রতিদিন আপনি রান করবেন- এটা সম্ভব না। কিন্তু আপনি যেদিন রান পাচ্ছেন সেদিন নিশ্চিত করতে হবে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যাচ্ছেন কিংবা ম্যাচটা কাছাকাছি নিয়ে যাচ্ছেন। এটা আমাদের তরুণদের জন্য দায়িত্বের জায়গা, তাদেরকে দায়িত্ব নিতে হবে আমি কিভাবে দলকে জেতাবো।’

সিনিয়র চার ক্রিকেটারের কারণে দলে অপেক্ষাকৃত তরুণদের ওপর চাপ পড়ে কম। তবে তাদেরও অনুধাবন প্রয়োজন- লাল-সবুজ জার্সি গায়ে সমান দায়িত্ব আছে তাদেরও, সুজনের কণ্ঠে এই আহ্বান।

তিনি জানান, ‘এটা কেবল সাকিব ভাই, রিয়াদ ভাই, মুশফিক ভাই, তামিম ভাইয়ের ব্যাপার না। খালি ভাইয়েরা না, আমাদেরও করতে হবে, আমাদেরও ম্যাচ জেতাতে হবে। অবশ্যই তারা করবে। যে চারজন আমাদের বেশ অভিজ্ঞ সিনিয়র তারাতো আমাদের প্রাণ তারা পারফর্ম করবে এটাতো আমরা সবাই চাই।’

সূত্র- একাত্তুর টিভি ও বিডিক্রিকটাইম

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত