শিরোনাম
◈ চলতি সপ্তাহে সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ ◈ দ্বিতীয় টে‌স্টে নাকাল বাংলাদেশ, টাইগার‌দের বিধ্বস্ত করে জিতলো অস্ট্রেলিয়া ◈ বিডা, বেজা ও পিপিপিএ একীভূত, যাত্রা শুরু ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’র ◈ ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ২৬ আগস্ট ছুটি পাবেন না যারা ◈ একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গঠন করা হবে : রিজভী  ◈ বাংলাদেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা, সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দৃষ্টিহীনতার আশঙ্কাও! ◈ জনগণ নিজের জান দিয়েছে, সমাধান দেয়া কোনো ব্যাপার না: কন্টেন ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদীর (ভিডিও) ◈ বঙ্গভবনে প্রথম অফিস, গার্ড অব অনারে বরণ নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে ◈ কুয়েতে ১ সেপ্টেম্বর থেকে ভিজিট ভিসা ও প্রবাসীদের ছুটির মেয়াদ বাড়ানোর সুবিধা বন্ধ

প্রকাশিত : ২৭ মে, ২০২১, ০৩:৪১ দুপুর
আপডেট : ২৭ মে, ২০২১, ০৩:৪১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] অক্সফোর্ডের টিকায় রক্তজমাট বাঁধার কারণ উন্মোচন করলেন জার্মান বিজ্ঞানীরা

লিহান লিমা: [২] অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও জনজন এন্ড জনসনের টিকা নেয়ার পর কিছু কিছু ব্যক্তির শরীরে রক্ত জমাট বাঁধার বিরল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণ খুঁজে পেয়েছেন জার্মানির বিজ্ঞানীরা। গার্ডিয়ান

[৩] নতুন গবেষণায় তারা বলেছেন, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সক্রিয় করতে ঠান্ডাজনিত অ্যাডেনোভাইরাসকে ভেক্টর হিসেবে ব্যবহার করায় এই সমস্যা তৈরি হয়েছে।

[৪] গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা জার্মানির গোথে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোলফ মার্সালেক বলেন, এই টিকা মানবদেহের কোষে করোনা ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিন সরবরাহ করে, ফাইজার ও বায়োএনটেকের টিকায় এই সরবরাহ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় নি, তাই ওই সংস্থাগুলোর টিকায় রক্ত জমাট বাঁধার ঘটনা ঘটে নি।

[৫] বিজ্ঞানীরা বলেন, তারা বিশ্বাস করেন অ্যাডেনোভাইরাসের শুধুমাত্র সেলুলার ফ্লুইডের পরিবর্তে কোষের নিউক্লিয়াসে প্রবেশ করা রক্তজমাট বাঁধার ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত। তারা লেখেন, কোষের নিউক্লিয়াসের ভেতরে ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনের অংশগুলো ভেঙ্গে গিয়ে দেহে ছড়িয়ে পড়ে যা বিরল কিছু ক্ষেত্রে রক্ত জমাট বাঁধার ঘটনা ঘটায়।

[৬] প্রফেসর মার্সালেক বলেছেন, সমস্যা এড়াতে টিকাগুলোর উৎপাদন ব্যবস্থায় পরিবর্তন করা যেতে পারে। ইতোমধ্যে তারা জনসনের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করেছেন। আমাদের হাতে থাকা তথ্যগুলো গিয়ে আমরা কোম্পানিগুলোকে বলেছি কিভাবে এই সিকোয়েন্সগুলো রুপান্তর করা যায়, স্পাইক প্রোটিনগুলোকে এমনভাবে কোডিং করতে হবে যাতে কি না অনিচ্ছাকৃত বিচ্ছিন্ন প্রতিক্রিয়া প্রতিরোধ করা যাবে। অ্যাস্ট্রাজেনেকার সঙ্গে এখনো যোগাযোগ করা যায় নি, তবে তারা চাইলে কিভাবে টিকার হালনাগাদ ও উন্নয়ন করা যায় তা তাদের জানাবো।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়