শিরোনাম
◈ মিয়ানমারের মাদক সাম্রাজ্যের ভয়ংকর থাবায় বাংলাদেশ ◈ অমিত শাহর যে আদেশের কারণে গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারছে না মুম্বাই পুলিশ! ◈ ৯ বছর পর কুয়াকাটায় পর্যটন কার্নিভাল : পূজা আর কার্নিভাল ঘিরে সৈকতে পর্যটকদের ঢল ◈ অভিষেক ম্যাচেই আলিস আল ইসলা‌মের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ ◈ সুন্দরবনের ৫ প্রজাতির মাছ ও ২ প্রজাতির চিংড়ির ডিএনএ সিকোয়েন্স যাচ্ছে আন্তর্জাতিক জিন ব্যাংকে ◈ সাজেকে গুলিবর্ষণের ঘটনায় আটকে পড়া ৩ হাজার পর্যটক উদ্ধার: আইএসপিআর ◈ আইনের শাসন সূচকে দুই ধাপ এগিয়েও আফ্রিকার বহু দেশের পেছনে বাংলাদেশ ◈ ক্ষুধা মোকাবিলায় বাংলাদেশের অগ্রগতি, অবনতি ভারত-পাকিস্তানের: ২০২৬ সালের বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক ◈ রুমিন ফারহানার নামে ছড়ানো ছবি নিয়ে বিভ্রান্তি, ঘৃণা ছড়ানোর অভিযোগে দিলেন ব্যাখ্যা ◈ হেফাজতে ইসলামের নেতৃত্বে ৭ দলের নতুন জোট ‘সমমনা ইসলামী দল’, ৫ ডিসেম্বর পরবর্তী বৈঠক

প্রকাশিত : ২৭ মে, ২০২১, ০৩:৪১ দুপুর
আপডেট : ২৭ মে, ২০২১, ০৩:৪১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] অক্সফোর্ডের টিকায় রক্তজমাট বাঁধার কারণ উন্মোচন করলেন জার্মান বিজ্ঞানীরা

লিহান লিমা: [২] অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও জনজন এন্ড জনসনের টিকা নেয়ার পর কিছু কিছু ব্যক্তির শরীরে রক্ত জমাট বাঁধার বিরল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণ খুঁজে পেয়েছেন জার্মানির বিজ্ঞানীরা। গার্ডিয়ান

[৩] নতুন গবেষণায় তারা বলেছেন, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সক্রিয় করতে ঠান্ডাজনিত অ্যাডেনোভাইরাসকে ভেক্টর হিসেবে ব্যবহার করায় এই সমস্যা তৈরি হয়েছে।

[৪] গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা জার্মানির গোথে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোলফ মার্সালেক বলেন, এই টিকা মানবদেহের কোষে করোনা ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিন সরবরাহ করে, ফাইজার ও বায়োএনটেকের টিকায় এই সরবরাহ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় নি, তাই ওই সংস্থাগুলোর টিকায় রক্ত জমাট বাঁধার ঘটনা ঘটে নি।

[৫] বিজ্ঞানীরা বলেন, তারা বিশ্বাস করেন অ্যাডেনোভাইরাসের শুধুমাত্র সেলুলার ফ্লুইডের পরিবর্তে কোষের নিউক্লিয়াসে প্রবেশ করা রক্তজমাট বাঁধার ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত। তারা লেখেন, কোষের নিউক্লিয়াসের ভেতরে ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনের অংশগুলো ভেঙ্গে গিয়ে দেহে ছড়িয়ে পড়ে যা বিরল কিছু ক্ষেত্রে রক্ত জমাট বাঁধার ঘটনা ঘটায়।

[৬] প্রফেসর মার্সালেক বলেছেন, সমস্যা এড়াতে টিকাগুলোর উৎপাদন ব্যবস্থায় পরিবর্তন করা যেতে পারে। ইতোমধ্যে তারা জনসনের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করেছেন। আমাদের হাতে থাকা তথ্যগুলো গিয়ে আমরা কোম্পানিগুলোকে বলেছি কিভাবে এই সিকোয়েন্সগুলো রুপান্তর করা যায়, স্পাইক প্রোটিনগুলোকে এমনভাবে কোডিং করতে হবে যাতে কি না অনিচ্ছাকৃত বিচ্ছিন্ন প্রতিক্রিয়া প্রতিরোধ করা যাবে। অ্যাস্ট্রাজেনেকার সঙ্গে এখনো যোগাযোগ করা যায় নি, তবে তারা চাইলে কিভাবে টিকার হালনাগাদ ও উন্নয়ন করা যায় তা তাদের জানাবো।

  • সর্বশেষ