প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গাজী নাসিরউদ্দিন আহমেদ: আমার চোখে জগতের সেরা দার্শনিকের নাম লর্ড বুদ্ধ

গাজী নাসিরউদ্দিন আহমেদ: জগৎ দুই রকম। দেখা জগৎ, না দেখা জগৎ। ভিজিবল রিয়েলিটি বা দৃশ্যমান বাস্তবতা যাকে বলছি এবং ইনভিজিবল রিয়েলিটি বা অদৃশ্য বাস্তবতা। বিজ্ঞান আপনার দেখার চোখ। আপনার ইন্দ্রিয়জ সাক্ষ্য। আপনার ইন্দ্রিয় অভিজ্ঞতার বাইরে কি তবে জগৎ নেই? আছে তো। তার অস্তিত্ব আপনি টের পান কী করে? প্রযুক্তির সাহায্যে, গণিতের সাহায্যে। আপনার কগনিটিভ আচরণের সাহায্যে। দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান জগতকে আপনার সামনে হাজির করতে পারে কগনিশন। তাহলে পাগলামি, ইরেশনালিটি, সুখ-দুঃখ, জগতের সৃষ্টি ও ধ্বংসের কারণ, প্রেম, ঘৃণা, শঠতা, সমাজ, সংঘ এসবকে আপনি অর্ডার আর ডিজঅর্ডার বলেই ভাবেন? এই অর্ডার আর ডিজঅর্ডার আপনি পেলেন কই? কেন? এথিকস আর মোরালিটিতে। থিওলজিতে। এপর্যন্ত যা যা বললাম সবই আপনার আয়ত্তে। বড় কোন রহস্য নেই। আমি অন্তত পাই না। তবে লিমিটস অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং বলে একটি গাণিতিক উপপাদ্য আছে।

বোঝা আর না বোঝার মাঝে ভারসাম্য রক্ষার স্বস্তি বলতে পারেন একে। তাহলে সাইকোএনালিসিস কী? আপনার যে জ্ঞান নেই তার মানচিত্র হচ্ছে সাইকোএনালিসিস। আপনার মনের নিচে জমা কথা। বাসনা, জিজ্ঞাসা। একেবারে বিংশ শতকের অভিযান। আড়াই হাজার বছর আগে যাই চলুন। সিদ্ধার্থ গৌতম নামের এক যুবক সমস্তটাই একটা সিস্টেম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের ভেতর থেকে বুঝতে চেয়েছিলেন। ভারতবর্ষের বৈদিক যুগের শেষ প্রান্তের শ্রমনদের উত্তরাধিকার বহন করতেন তিনি। তিনি বললেন, দুঃখই সংসার, জীবন কাউকে সন্তুষ্ট করে না। বিশ শতকে ইউরোপের নির্জ্ঞান আবিষ্কার কি আড়াই হাজার বছর আগের লর্ড বুদ্ধের দুঃখ ও অসন্তুষ্টির নতুন নাম নয়? তর্ক থাকবেই। দুঃখ থেকে মুক্তি নির্বাণে। আমার চোখে জগতের সেরা দার্শনিকের নাম লর্ড বুদ্ধ। চন্দ্র তারিখ ধরে আমরা তার জন্মদিন পালন করি। শুভ জন্মদিন লর্ড! শুভ বুদ্ধ পূর্নিমা! ফেসবুক থেকে

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত