প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খাজা নিজাম উদ্দিন: সরকারি চাকরির ভবিষ্যৎ কী?

খাজা নিজাম উদ্দিন: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন নিজ খরচে প্রতিষ্ঠানগুলোকে চলার জন্য। এর অনেকগুলো গভীরতা থাকতে পারে। একটা কথা পরিষ্কার- সারা দুনিয়ার জব মার্কেটে যে পরিবর্তন হচ্ছে এবং হতে যাচ্ছে তা প্রচলিত সরকারি চাকরিকেও পাল্টে দেবে নিশ্চিতভাবেই। এক্ষেত্রে সরকারের কিছু অভিজ্ঞতা আছে। যেমন ডাক বিভাগের আয় যখন কমা শুরু করলো তখন একে চালাতে নানা বুদ্ধি করতে হয়েছে। সরকারের নিয়োগ কমছে ধীরগতিতে। এবং তা স্বাভাবিক। সরকারের দপ্তরগুলোকে আরও ছোট করা সময়ের দাবি। ব্যাংক, শিক্ষাখাত, ভূমি ব্যবস্থাপনাসহ নানা খাতে লোকবলের সিচুয়েইশনটা কী দাঁড়াবে সরকারের অভিজ্ঞ আমলারা তা ভালোই জানে।

প্রশ্ন হচ্ছে, এখন থেকে সে অনুযায়ী এক্সিকিউশন প্লান হচ্ছে কিনা। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ৯০ শতাংশের বেশি অকাজে লাগছে। অথচ শিক্ষকদের বেতন, হাজার হাজার কর্মচারি/কর্মকর্তা যারা ৫০ শতাংশ কমিয়ে ফেললে খুব ক্ষতি হবে না- পুরো টাকাটা আসেেছ বেসরকারিখাতের নানা উৎস থেকে। কিন্তু বেসরকারিখাত বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে ১০ শতাংশের বেশি তাদের জন্য দরকারি লোক পায় না। এটা আসলে জবাবদিহিতার একটা বড় সংকট প্রমাণ করে।  ২০৩০ এর মধ্যে জব মার্কেটের পরিবর্তন অনেকেই জানেন এবং বুঝেন। যদিও শেয়ার করেন না বেশিরভাগ। সেটা হয়তো তাদের দায়িত্ব নয়।

সরকারের লোকবল নিয়ে এখনই প্লান করা দরকার। কিছু কিছু খাত তো নিশ্চিত ঝামেলায় পড়বে পরিবর্তনের ঝড়ে। এখন যে কোন নিয়োগ দেয়ার আগে অবশ্যই নিশ্চিত হওয়া দরকার যে আগামী ৩০ বছর তাকে লাগবে কিনা। সরকার তার প্রতিটি নিয়োগে যদি আগামী ৩০ বছর সেই কর্মী/কর্মকর্তা অপরিহার্য থাকবেন বলে নিশ্চিত হন, সেই কাজগুলো ৩০ বছর থাকবে বলে নিশ্চিত হন, তাহলে স্থায়ী নিয়োগে যেতে পারে। সরকারি নিয়োগে সরকারকে আপাতত ‘অস্থায়ী’ নিয়োগে বেশি যেতে হবে। সরকারি চাকরি মানে সারা জীবনের চাকরি, সেই কনসেপ্ট থেকে অবশ্যই বের হতে হবে। সরকার না চাইলেও আসলে বের হতে হবে। না হলে ১০-২০ বছরের মধ্যে বড় চাপে পড়বে সরকার এবং চাকরিজীবীদের একটা অংশ। সরকারকে অস্থায়ী নিয়োগে ঝুঁকতে হবে। খুব কম চাকরিই আগামী ৩০ বছর টিকে থাকবে। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত