প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

যশোরের মাদরাসার ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে, থানায় মামলা

রহিদুল খান : অভয়নগরে মাদরাসার এক বহুল আলোচিত মুহতামিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করা হচ্ছে।

বিয়ের নামে ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে রফিকুল ইসলাম নামে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। বুধবার বিকেলে অভয়নগর থানায় মামলাটি হয়। মামলা নম্বর-১৮। এর আগেও ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল।

অভিযোগে বলা হয়েছে, অভয়নগর উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের সিংগাড়ী গ্রামের সিংগাড়ী কওমি মহিলা মাদরাসার মুহতামিম মুফতি রফিকুল ইসলাম হতদরিদ্র পরিবারের একটি মেয়েকে ফুঁসলিয়ে ‘মানবিক বিয়ের’ দোহাই দিয়ে মাদরাসার কক্ষেই দিনের পর দিন ধর্ষণ করেন। ওই শিক্ষার্থীর অভিযোগ, একটি কাগজে বরের নামের জায়গায় রফিকুলের নাম ও কনের নামের স্থানে তার নাম লিখে স্বাক্ষর করে নিজেদের স্বামী-স্ত্রী দাবি করেন রফিকুল। কাবিননামা ছাড়া এ বিয়েকে ‘মানবিক বিয়ে’ বলে ওই ছাত্রীকে বোঝান রফিকুল।

ওই ছাত্রীর মা বলছেন, ‘মেয়েটার বাবা মারা গেছে বেশ আগে। মেয়েটি হিদিয়া আলিম মাদরাসায় সপ্তম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণিতে উঠেছে। করোনার কারণে মাদরাসা বন্ধ থাকায় মেয়েটিকে দ্বীনি শিক্ষার জন্য সিংগাড়ী কওমি মাদরাসায় দিয়েছিলাম।’

তার ভাষ্য, ‘হুজুর আমার মেয়েকে চার মাসে অনেকবার নির্যাতন করেছে। যৌন নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে মেয়েটি আমাকে জানায়।’

শুভরাড়া ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার মাহমুদুর রহমান জানান, মেয়েটি তার এলাকার। বিয়ের কোনো কাগজপত্র না থাকলেও তালাকের নামে সমঝোতার চেষ্টা করছে একটা মহল। কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার দাবি করছেন এলাকাবাসী।

মেম্বার বলেন, স্থানীয় প্রভাবশালীরা অসহায় পরিবারটির পাশে এসে দাঁড়ান। তাদের সহযোগিতায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা অভয়নগর থানায় উপস্থিত হয়ে মাদরাসার মুহতামিম রফিকুল ও তার এক সহযোগীকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। যোগাযোগ করা হলে তদন্তের স্বার্থে ওই সহযোগীর নাম প্রকাশ করতে চায়নি থানা পুলিশ।

মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে অভয়নগর থানার ইনসপেক্টর (তদন্ত) মিলনকুমার মণ্ডল জানান, আসামিদের ধরতে অভিযান শুরু হয়েছে। সম্পাদনা: সাদেক আলী

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত